সারাক্ষণ ঝগড়া, ঝামেলা, অশান্তি! পর্দায় পত্নীনিষ্ঠ গোপাল বাস্তবে কেমন স্বামী? প্রকাশ্যে দ্রোণের আসল রূপ!

টেলিভিশনের পর্দার (Bengali television) জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন দ্রোণ মুখার্জি (Drone Mukherjee)। অভিনয় জগতে তিনি দর্শকদের মাঝে পরিচিতি পেয়েছেন খুব বেশিদিন হয়নি। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের মন জিতে নিয়েছেন অভিনেতা। নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের মনে জায়গা তৈরি করে নিয়েছে।
অভিনেতাকে প্রথমবার দর্শক দেখেছিলেন জি বাংলার কার কাছে কই মনের কথা ধারাবাহিকে। ধারাবাহিকে অভিনেতাকে পরাগ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। অভিনেতাকে পরাগ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখার পর থেকেই দর্শকদের তো ভীষণ ক্ষোভ রাগ জমে উঠেছিল তার উপরে। নেটিজেনরা অভিনেতাকে সেই সময় থেকে একেবারেই পছন্দ করতেন না।
তবে বর্তমানে জি বাংলার পরিণীতা ধারাবাহিকে দর্শকদের বিপুল ভালোবাসা পাচ্ছেন অভিনেতা। বাস্তবে দ্রোণ বর হিসেবে কেমন? সম্প্রতি দিদি নম্বর ১-এ এসেছিলেন দ্রোণের স্ত্রী দুর্বা। আর সেখানেই স্বামী কেমন প্রশ্ন করলে জবাব এল, ‘পত্নীনিষ্ঠ ভদ্রলোক তো একটুও না। সারাক্ষণ ঝগড়া, ঝামেলা, অশান্তি। যদিও ওকে দেখে মনে হয় না! কেউ বিশ্বাস করে না’! এতে পাশ থেকে দ্রোণ ফুট কাটেন, ‘কারণ থাকলে রাগব না বলো..’ যদিও পুরোটাই হয় মজার ছলে বলেছেন।
অভিনেতাকে বলতে শোনা গেল, ‘একটা বয়সের পর মা জিজ্ঞাসা করল, তোমার কি কেউ আছে, যাকে বিয়ে করতে চাও। আমার তখন সদ্য ব্রেকআপ হয়েছে। আমিও বলে দিলাম না নেই, তোমরা যা ভালো বোঝো করো।’ তারপর শুরু হয় মেয়ে দেখা। ম্যাট্রিমনি সাইট থেকে খুঁজে পান দুর্বাকে অভিনেতার মা। আসলে বোলপুরের মেয়ে দুর্বা। আর দ্রোণের মায়ের ছাত্রী। বাংলার শিক্ষিকা ছিলেন তিনি। আর এরপর নিজের ছাত্রীকেই ছেলের বউ করে আনেন দ্রোণের মা।
আরও পড়ুনঃ রায়ানের জীবনে নেমে এলো অন্ধকার! তূর্যর শয়তানিতে র’ক্তে ভেসে গেলো রক্তকরবীর মঞ্চ! দিশাহারা পারুল! ফাঁ’স আজকের পর্ব
দেখতে দেখতে ৭ বছরের বিবাহিত জীবন কেটেছে। বর্তমানে ৫ বছরের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে দ্রোণ ও দুর্বার। দ্রোণ নিজেও বোলপুরের ছেলে। কলকাতায় আসেন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুবাদে। চাকরিও করেন কিছুসময়। তারপর অবশ্য কেরিয়ারের গতি পালটে অভিনয়ে। জন্মসূত্রে তার নাম ছিল ‘প্রিয়দর্শী মুখোপাধ্যায়’। কিন্তু অভিনয় দুনিয়ায় আসার আগেই নাম পাল্টে ফেলেন তিনি। এখন তো সকলের পছন্দের অভিনেতা হয়ে উঠেছেন তিনি।

