শাশুড়ি নাকি গিরগিটি! একবার ছেলে, একবার বউ আবার কখনও নাতি! সুযোগ বুঝে রং বদলায় কমলিনীর শাশুড়ি! এই ব্যক্তিত্বহীন চরিত্রে বিরক্ত দর্শক!

বিনোদন জগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ধারাবাহিক (Bengali Serial)। আর এই ধারাবাহিক হলো সাধারণ মানুষের ভালো থাকার অন্যতম মাধ্যম। আর এই ধারাবাহিকগুলোর জন্যই বিকেল বেলাটা জমজমাট হয়ে ওঠে। ধারাবাহিকতে প্রতিদিন থাকে নতুন নতুন চমক। আর দর্শক তা ভালোভাবে উপভোগ করেন। টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television) এখন নানান ধরনের ধারাবাহিক হয়।
সেরকমই জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো স্টার জলসার চিরসখা। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।
ধারাবাহিকে একটি অন্যধরনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে প্রথমদিন থেকেই। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন এবং গল্পের লেখিকা হল লীনা গঙ্গোপাধ্যায়। চলতি মাসের ২৭শে জানুয়ারি থেকে স্টার জলসার পর্দায় শুরু হয়েছে চিরসখা ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটি একেবারে অন্য ধরনের গল্প নিয়ে শুরু হয়েছে। এই ধারাবাহিকের গল্পের সঙ্গে বাকি আর পাঁচটা ধারাবাহিকের গল্পের কোন মিল নেই। ধারাবাহিককে প্রথমবার জুটি বেধেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা এবং অভিনেতা সুদীপ।
কমলিনীর শাশুড়ির চরিত্র দেখে বেশ বিরক্ত নেটিজেনরা। একজন মানুষ যে কতবার পাল্টি খেতে পারে সেটা কমলিনীর শাশুড়িকে না দেখলে বোঝাই যায় না। প্রথম দিকে তিনি কমলিনীকে ভীষণ সাপোর্ট করতেন। বৌমার সব বিষয়ে তাকে সাহায্য করতেন। কমলিনী যতদিন তার সেবা করেছে, দেখাশোনা করেছে ততদিন সে ভালো ছিল। যেইমাত্র নিজের স্বার্থে ঘা লাগল তার ছেলে ফিরে এলো অমনি তিনি ৩৬০° ঘুরে গেলেন। বৌমাকে তখন আর তার প্রয়োজন পরলো না। যেই নতুন, চন্দ্র চলে যাবার পর থেকে তাদের সকলের খাওয়া পড়ার দায়িত্ব নিলো তাকেই বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিলেন। ছেলের হাজার একটা দোষ দেখেও তিনি চোখ বন্ধ করেছিলেন, বৌমাকে সবসময় অপমান করে গিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ ‘কেমনে মা? লোভে জিভ লকলক করে সব সময়…’- বড়লোক ছেলে পেলেই মেয়েকে গোছানোর চিন্তা! নেটিজেনদের ট্রোলের নায়িকা অপর্ণার পরিবার!
আর দর্শক কমলিনীর শাশুড়ির সাথে কার কথা কই মনের কথা ধারাবাহিকে শিমুলের শাশুড়ির মিল খুঁজে পেয়েছেন। দুজনের চরিত্র একই। ঠিক যেন একটা কয়েনের এপিঠ আর ওপিঠ। দুজনেই স্বার্থে ব্যবহার করে মানুষদের। বৌমারা যতক্ষণ সেবা করবে ততক্ষণ ভালো আর যখনই বৌমারা নিজেদের কথা ভাববে তারা খারাপ। দর্শক তো এই দুই চরিত্র দেখেই বেশ বিরক্ত।

