‘কেমনে মা? লোভে জিভ লকলক করে সব সময়…’- বড়লোক ছেলে পেলেই মেয়েকে গোছানোর চিন্তা! নেটিজেনদের ট্রোলের নায়িকা অপর্ণার পরিবার!

বর্তমান সময়ের ধারাবাহিকের (Bengali Serial) মধ্যে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় মাস খানেক আগেই শুরু হয়েছে চিরদিনই তুমি যে আমার (Chirodini Tumi je Amar)। এসভিএফ’-এর প্রযোজনায় শুরু হচ্ছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে টলিপাড়ার দুই জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী জিতু কামাল (Jitu Kamal) ও দিতিপ্রিয়া রায়কে (Ditipriya Roy)। ধারাবাহিক শুরুর পর থেকে একটু একটু করে প্রত্যেকের মন জয় করে নিচ্ছে। ধারাবাহিকে অপর্ণা এবং আর্য স্যারের অসম বয়সী প্রেমের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
তবে ধারাবাহিকের কিছু কিছু পর্ব দেখে বেশ ক্ষুব্ধ দর্শক। বিশেষ করে অপর্ণার মায়ের চরিত্রটি সামনে এমনভাবে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে যা নিয়ে বেশ বিরক্ত দর্শক। চরিত্রটি ভীষণই লোভী এবং স্বার্থপর একটি চরিত্র। টাকার লোভে মেয়েকে যার তার হাতে তুলে দিতে রাজি অপর্ণার মা। প্রথমবার বিয়ে ঠিক হবার পর ছেলের বাড়ি থেকে ফ্রিজ টিভি ইত্যাদি দেওয়ায় সেই বাড়িতে মেয়ের বিয়ে ঠিক করেছিলেন তিনি।

তারপর কিছুদিন আগেই একজন ডাক্তারের সঙ্গে আলাপ হয় তাদের। সে কিনা নিজের সমস্ত কাজ পেলে পেশেন্টকে বাড়ি অব্দি পৌঁছে দিচ্ছে। এছাড়াও সে বেশ প্রভাবশালী বড়লোকের ছেলে সেই দেখে মেয়ের বিয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে অপর্ণার মা। সম্প্রতি একটি ফ্যান পেজে তরফ থেকে এই চরিত্রটিকে নিয়ে একটি বিশেষ পোস্ট করা হয়েছে।
পোস্টে লেখা ছিল ‘হাহা, সত্যিই এমন ডাক্তার কম দেখা যায় যে পেশেন্টকে বাড়ি ছাড়তে যায়! সুমি কাকির টাকার প্রতি লোভটা তো লুকানোর নয়, ছেলে যেই হোক, পকেটে টাকা থাকলেই হল! সন্তুর মতো ছেলেকেও জামাই করতে চায়, এটা তো ভাবাই যায় না! আর আর্য স্যারের কথা বলতে গেলে, তার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কেউ পেরে ওঠে না, তবু ভালোবাসার জন্য বারবার অপমান সহ্য করছেন। এটা দেখে সত্যিই কষ্ট লাগে। এবার অপর্ণার পালা, দেখা যাক সে আর্য স্যারের পাশে কতটা দাঁড়াতে পারে!’
আরও পড়ুনঃ ‘তুমি রুক্মিণীকে ঠকিও না…’ প্রেমিকাকে ধোঁকা! শুভশ্রীর পর এবারে কপাল পুড়লো রুক্মিণীর? দেবের অসংলগ্ন কথায় আতঙ্কিত দর্শক!
অনেকেই ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে সমর্থন জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘অপর্ণা বাবা মা যা করছ আর ভালো লাগছে না। আর দেখব না এই সিরিয়ালটা। আগে খুব ভালো লাগতো এখন আর ভালো লাগে না অপর্ণার বাবা মায়ের জন্য।’ অন্যজন বলেন, ‘অপর্ণার মা-বাবা একদম বাজে লোক, শুধু নিজেদের স্বার্থের কথাই ভাবে। বিরাট হারামি, অসভ্য ছোটলোক।’ কেউ আবার লিখেছে, ‘অপর্ণার মা-বাবা একদম বাজে লোক শুধু নিজেদের স্বার্থের কথাই ভাবে নিজের মেয়ের কথা ভাবেনা।’

