“তাহলে তো তোকেই অ্যারেস্ট করে নিয়ে যেতে হয়”- স্বয়ম্ভুর কথায় ভয় পেয়ে গেল উৎসব, সহযোগিতা করতে নারাজ রাজনাথ!

সত্যের অনেক কাছাকাছি চলে এসেছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের নায়িকা। ধারাবাহিকটি এই মুহূর্তে আর পাঁচটা ধারাবাহিকের তুলনায় অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকের টিআরপি চোখে পড়ার মতন।

বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, একটু একটু করে কেটে যাচ্ছে সমস্ত ধোঁয়াশা। এবার সবটাই একেবারে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী স্বয়ম্ভুর কাছে। সমস্ত অপরাধীদের সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে তারা। কিন্তু এর মাঝেই ফের কাঁকনের সর্বনাশ ঘটাতে যাচ্ছিল উৎসব। কিন্তু জগদ্ধাত্রী থাকতে সেটা সম্ভব নয়। তবে এই কাজটা করে নিজের পাপের ঘরে পূর্ণ করলো উৎসব।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জগদ্ধাত্রী উৎসবের মাকে ফোন করে ওই ১০ লাখ টাকা নেওয়ার ঘটনাটা জানিয়ে দেয়। এটা শোনার পরেই সন্দেহ ঢুকে যায় তার মনে। বৈদেহি তাড়াতাড়ি উৎসবকে ডেকে পাঠায়। আর বারবার জিজ্ঞাসা করতে থাকে ওই ১০ লাখ টাকা দিয়ে সে কি করেছে। কিন্তু উৎসব কিছুতেই সে কথা বলতে চায় না। মেহেন্দি বলে, কেউ তার স্বামীর কাছ থেকে এমন কৈফিয়ত চাইতে পারেনা।

এরপর সবাই জোর করায় উৎসব বলে, সেই ওই ১০ লাখ টাকা নিয়ে এই বাড়ির এক বড় শত্রুকে সরিয়ে দিয়েছে। আর সেই শত্রু হলো জগদ্ধাত্রী। কথাটা শুনে প্রত্যেককে চমকে যায়। সে আরো বলে, তাকে যেন এই নিয়ে আর কিছু জিজ্ঞাসা করা না হয়। বাকিটা সে ঐদিন পার্টিতে সবার সামনে বলবে।

এদিকে রাজনাথ একা একা বসে স্বয়ম্ভুর করা অপমানের কথা ভাবতে থাকে। ঠিক সেই সময় সেখানে কফি নিয়ে চলে আসে স্বয়ম্ভু। সে তার বাবাকে ভালোভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে। স্বয়ম্ভু রাজনাথকে সহযোগিতা করতে বলে। সেই সময় গোটা পরিবার চলে আসে তাদের দুজনের মধ্যে। সবার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় তার। এর মাঝে রাজনাথ স্বয়ম্ভুকে একটা চরও মারে। এরপর উৎসব বলে বাবা কোনো কথার উত্তর দেবে না। তখন স্বয়ম্ভু বলে, “তাহলে তো তোকেই থানায় নিয়ে যেতে হবে। চল তবে তোকেই নিয়ে যাই।” কথাটা শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় উৎসব।

Back to top button