‘ভাগ্যিস বাড়ির কেউ অ’শ্লীল বাংলা দেখে না…’- টিআরপি তুলতে আ’পত্তিকর দৃশ্যে ভরে উঠছে ধারাবাহিক! সমালোচনায় মুখর দর্শক মহল!

দর্শকমহলে ধারাবাহিকের (Bengali Serial) গুরুত্ব অনেকখানি। বিনোদন জগতের একটি বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে এই ধারাবাকিগুলি (Bengali Serial) । ধারাবাহিক গুলি প্রতিদিন সন্ধ্যা বেলা টেলিভিশনের পর্দায় দেখেন বাড়ির মা, কাকিমা তাই ধারাবাহিকের গুরুত্ব রয়েছে আমাদেরকে সমাজে। বর্তমান সময়ে বিনোদন চ্যানেলের সংখ্যা যেমন বেড়েছে। সেই সাথে সাথে ধারাবাহিক গুলোর সংখ্যাও কিন্তু বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন বিভিন্ন চ্যানেলে একাধিক ধারাবাহিক হয় আর সেই ধারাবাহিকগুলি একেকটি একেক ধরনের।

ধারাবাহিকগুলির টিকে থাকা নির্ভর করে সম্পূর্ণ টিআরপি রেটিং এর উপরে। টিআরপি রেটিং যত ভালো হবে সেই ধারাবাহিক ততদিন পর্যন্ত টিকে থাকবে। ধারাবাহিকের টিআরপি রেটিং নির্ধারণ করা হয় কোন ধারাবাহিক কত বেশি দেখা হচ্ছে তার উপরে। দশের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে কত রেটিং পাচ্ছে সেই ধারাবাহিক সেটা সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে ফলাফল প্রকাশের সাথে সাথেই জানা যায়।

মাস কয়েক আগেই জি বাংলার পর্দায় শুরু হয়েছে ধারাবাহিক তুই আমার হিরো। ধারাবাহিকে নায়ক চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অভিনেতা রুবেল দাস এবং রুবেলের বিপরীতে নায়িকা চরিত্র দেখা যাচ্ছে সকলের প্রিয় অভিনেত্রী মোহনা মাইতিকে। তবে এবার এই ধারাবাহিকের দৃশ্য নিয়ে শুরু হয়েছে ট্রোল, সমালোচনা, কটাক্ষ। ধারাবাহিকের গতকালের পর্ব দেখে দর্শক তোর যা নয় তাই বলে কটাক্ষ করছে ধারাবাহিকটিকে নিয়ে।

এমনি ধারাবাহিকগুলি পারিবারিক শো। ছোট থেকে বড় প্রত্যেকে মিলেই ড্রয়িং রুমে বসে ধারাবাহিকগুলি উপভোগ করেন। সেখানে যদি এমন কিছু দেখানো হয় তাহলে দর্শক তো ক্ষেপে উঠবেই। ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল আরশিকে ফাঁসানোর জন্য গোপনে অশ্লীল ছবির শুটিং করার দৃশ্য দেখানো হচ্ছিল ধারাবাহিকে। আর সেই পর্ব দেখেই ক্ষেপে আগুন হয়েছেন দর্শক।

আরও পড়ুনঃ ‘এত নামকরা অভিনেত্রী হয়ে হাত পেতে কারোর কাছে ভিক্ষে চাইতে পারি না…’ ইন্ডাস্ট্রি থেকে হারিয়ে গিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী!

একজন বলেছেন, ‘ছিঃ ছিঃ,আজকাল সিরিয়ালেও এইসব ফলতামি দেখানো হয়। চ্যানেল অ্যালাও করে কিভাবে। দুই নাম্বারী চ্যানেলের ১৮+ কার্যকলাপ।’ আরেকজন বলেছেন, ‘এইগুলো লোকজন দেখে কেমনে, কি রুচি ছি:।’ অন্যজনের দাবি, ‘একটা জাতির সাথে একটা পরিবারকে নষ্ট করার জন্য এই অশ্লীল সিরিয়াল তাই যথেষ্ট।’ কেউ বলেছেন, ‘ভাগ্যিস বাড়ির কেউ জি বাংলা, সরি অশ্লীল বাংলা দেখে না।’

Back to top button