অয়ন মৌমিতার চক্রান্ত থেকে সৃজনকে বাঁচাবে জেঠু! বিপদের মাঝে একে অপরের প্রেমে ডুব সৃজন পর্ণার!

এখনকার দর্শকমহল এক গল্প খুব বেশিদিন টানলে সেটা আর দেখতে পছন্দ করেন না। দর্শকদের এই চাহিদাকে বুঝতে পেরেই জি বাংলার নিম ফুলের মধু ধারাবাহিকটি খুব তাড়াতাড়ি তাদের গল্প পরিবর্তন আনে এবং দর্শকদের হাত থেকে মুক্তি দেয়। তাই এখন দর্শকদের খুব প্রিয় একটি ধারাবাহিক হয়ে উঠেছে নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu)।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, পর্ণার কথা না শোনায় অনেক বড় বিপদের মুখে পড়ে রুচিরা। তবে তার থেকেও বড় বিপদে পড়তে হয় পর্ণাকে। কারণ সবাই প্ল্যান করে সমস্ত দোষ তার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়। তাকে জেলে ঢোকানোর সমস্ত ব্যবস্থা করে ফেলে তার প্রতিপক্ষের উকিল। কিন্তু সৃজন সেটা হতে দেয় না এবং পর্ণাকে নিয়ে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যায়।

একটা পুরনো পোরো বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয় পর্ণা আর সৃজন। একসাথে সেখানে ধুলো ময়লা পরিষ্কার করে এবং এত ঝড়ের মাঝে একে অপরের হাত ধরে মুখে হাসি ফুটিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করে। তবে এখন তারা খাবে কি? খাবার কথা উঠতেই পর্ণা সৃজনকে বলে নিজের বাড়িতে যেতে। প্রথমটা সৃজন ভয় পেলেও পর্ণার তাকে বুঝিয়ে ছদ্মবেশে বাড়িতে পাঠায়।

সৃজন এই রাত্রিবেলা ছদ্মবেশে ভিখারি সেজে বাড়িতে যায়। সে তার বাবা এবং বোন বর্ষাকে সবটা বলে। বর্ষা যখন সৃজনের জন্য চাল ডাল ব্যাগে পড়ছিল তখন মৌমিতার সন্দেহ হয়। সে ইশাকে ফোন করে এবং তাদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় যে ওটা সৃজন। ইশা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে ফোন করে দেয়। এরপর মৌমিতা তার শ্বশুর মশাইকে এসে বলে ভিখারির বেশে সৃজন এসেছে আর তারা ইতিমধ্যেই পুলিশকে খবর দিয়ে দিয়েছে। সৃজন যখন তার ঠাম্মির সাথে দেখা করতে চায় তখনই সেখানে চলে আসে তার জেঠু।

তিনি সবাইকে বলেন বাড়িতে এবার পুলিশ আসছে। এই বিপদের হাত থেকে কিভাবে বাঁচাবে সৃজন? এর মাঝে একটা দারুন প্ল্যান করে ফেলে সৃজনের জেঠু। মসলার বস্তা নিতে বাড়িতে কিছু লোককে ডেকে পাঠান তিনি। তবে ওই ব্যাগে মসলা যাবে না সৃজন যাবে সেটাই এখন দেখার বিষয়? সময় নষ্ট না করে পুলিশ চলে আসে এবং সারা বাড়ি তন্ন তন্ন করে খুজতে থাকে। শুনেই বোঝা যাচ্ছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বতে চলেছে টান টান উত্তেজনা নয়।

Back to top button