আদিদেবের চোখ খুলে দিল আনন্দী! মায়ের জন্য বিরাট পদক্ষেপ নিল সে! প্রকাশ্যে নতুন প্রোমো

সম্প্রতি কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নতুন ধারাবাহিক আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকটির প্রথম প্রোমো (Promo) ভিডিও যেদিন থেকে দর্শক দেখেছিলেন সেদিন থেকেই এই ধারাবাহিক দেখার জন্য উদগ্রীব হয়েছিলেন। কারণ ধারাবাহিকের জুটি হিসেবে ফের আরও একবার দেখা যাচ্ছে অন্বেষা এবং ঋত্বিককে। যারা এর আগেও জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ তে অভিনয় করেছে। ওই ধারাবাহিক থেকেই তাদের জুটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিল। তারপর থেকেই তাদের একসাথে দেখার জন্য দর্শক অপেক্ষা করছিলেন।

মাত্র দুদিন হলো ধারাবাহিক শুরু হয়েছে পর্দায়। ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে আনন্দী খুব সাধারন পরিবারের একজন মেয়ে, সে পেশায় একজন নার্স। অন্যদিকে আদিদেব হল একটি সম্ভ্রান্ত বড়লোক পরিবারের ছেলে, সে পেশায় একজন ডাক্তার। আনন্দী যেমন হাসি খুশি, মিষ্টি একটি মেয়ে। অন্যদিকে আদিদেব ঠিক তার উল্টো। তার মুখে কোন হাসি নেই, সব সময় কড়া শাসনে রাখে সবাইকে।

ধারাবাহিকের প্রথম প্রোমো ভিডিওতে দেখা গিয়েছে আদিদেবদের বাড়িতে আদিদেবের ঠাকুমার নার্স হিসেবে এসেছে আনন্দী। প্রথম পর্বেও দর্শক তা দেখে নিয়েছেন। লাহিড়ী বাড়িতে প্রথম দিন এসেই সবাইকে নিজের স্বভাবের মাধ্যমে আপন করে নিয়েছে আনন্দী। এমনকি ঠাম্মিরও অত্যন্ত পছন্দের পাত্রী হয়ে উঠেছে সে। সম্প্রতি ধারাবাহিকের আরো একটি নতুন প্রোমো ভিডিও সামনে এসেছে। যা নিয়ে দর্শকদের মনে বিরাট উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আনন্দী ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো

ধারাবাহিকের প্রোমো ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বাড়ির ড্রইংরুমে খাওয়ার টেবিলে বসে রয়েছে আদিদেব এবং আরো দুজন। তার মধ্যে থেকে পুরুষ যে চরিত্রটিকে দেখা যাচ্ছে সে সম্ভবত ধারাবাহিকে আদিদেবের বাবা এবং অন্য মহিলা চরিত্রের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। খাবার টেবিলে বসে আদিদেব স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে ডাক্তারি পড়াশোনা করেছে গরিব সাধারণ মানুষদের সেবা করার জন্য। পারিবারিক নার্সিংহোমের ব্যবসায় সে যোগ দেবে না। এ কথা শুনে চিৎকার করে ওঠে তার বাবা, তিনি বলে ওঠেন তার এত বড় স্পর্ধা কি করে হয় মুখে মুখে কথা বলার। এর পরেই রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে আসে আদিদেবের মা। তাকে উদ্দেশ্য করে বাবা বলে ছেলেকে কি শিক্ষা দিয়েছেন তিনি। চিৎকার শুনে ভয় আদিদেবের মায়ের হাত থেকে কাঁচের বাটি পড়ে যায় এবং সেই কাঁচ কুড়াতে গিয়েই হাত কেটে যায় আদিদেবের মায়ের।

আরও পড়ুন: মৌমিতার নোংরা চালে মৌমিতাকেই মাত দিল পর্ণা! জমে গেল আজকের পর্ব

সেই দৃশ্য দেখে ছুটে আসে আনন্দী। আদিদেবের মাকে নিয়ে গিয়ে তার হাতে ড্রেসিং করিয়ে দেয়। তার হাত অনেকটা কেটে যাওয়ায় কষ্ট হয় আনন্দীর। তাই ছোট মুখে বড় কথা বলে ফেলে আদিদেবকে। আনন্দী বলে আদিদেব কেমন ছেলে নিজের মায়ের সম্মান রক্ষা করতে পারে না, তার মায়ের হয়ে দুটো কথা বলতে পারে না। এই কথা শুনেই হয়তো আদিদেবের মনে আঘাত লাগে এবং সে বাইরে এসে তার বাবাকে জানায় সে তাদের পারিবারিক নার্সিংহোমে যোগ দেবে। যদি সেই নার্সিংহোমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে তার মাকে বসানো হয়। এ কথা শুনে প্রত্যেকে অবাক হয়ে যায়। আর খুশিতে লাফিয়ে ওঠে আনন্দী।

 

Back to top button