আদালতে ঘুরে গেল খেলা! বেকসুর খালাস আহির! দোষীদকে শাস্তি দিতে হাজির স্বয়ং বুবাই!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক নিম ফুলের মধু (Neem Phooler Madhu)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে নিম ফুলের মধুর টিআরপি (TRP)ফুলকি (Phulki) হোক বা জ্যাস সান্যাল, পর্ণার কেরামতির সামনে ধোপে টিকছে না কেউই। তবে অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা (Pallavi Sharma) এবং রুবেল দাস (Rubel Das) অভিনীত এই ধারাবাহিকটিতে সম্প্রতি এসেছে বিরাট চমক। বুবাইয়ের কেস নিয়ে বর্তমানে তোলপাড় করার পর্ব আসছে নিম ফুলের মধু।

বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে এফআইআর কপির কার্বন কপি থেকে আসল দোষীর নাম জানতে পেরেছে পর্ণা। জনপ্রিয় ক্রিকেটার আকাশ দেব ভৌমিকের ছেলেই যে আসল দোষী সবটাই বুঝে গেছে পর্ণা। তারপরই সাধারণ মানুষের সামনে সমস্ত প্রমাণ পেশ করে সে। আহিরের বিরুদ্ধে লেখা এফআইআর কপি দেখার পরই ক্ষেপে যায় সাধারণ মানুষ। অভিজিতের খুনিকে জেল হেফাজতে নেওয়ার দাবিতে থানা ঘেরাও করেন তারা।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১৭ জুলাই (Neem Phooler Madhu Today Episode 17 July)

সাধারণ মানুষ এইভাবে ক্ষেপে উঠেছে বুঝতে পেরে বাধ্য হয়ে আহিরকে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তবে আহিরকে রাস্তা দিয়ে আনার সময় তার মুখে কালি মাখিয়ে দেয় আম জনতা। আহিরকে থানায় ঢোকানোর পর বাড়িতে ফিরে আসে পর্ণারা। কিন্তু বুবাইয়ের জন্য এত সব কিছু করার পরও পর্ণাকে দেখেই রেগে যায় মৌমিতা। যা নয় তাই বলে মৌমিতা অপমান করতে থাকে পর্ণাকে। এমনকি পর্ণার জন্যই বুবাইয়ের আজ এই অবস্থা এমনটাও বলে সে।

তবে মৌমিতা এমন ব্যবহার করলেও পর্ণা পাশে দাঁড়ায় জেঠু। পর্ণা সকলকে জানায় কাল এই কেসটা কোর্টে উঠবে। পরেরদিন যথা সময়ে আহিরের কেস ওঠে আদালত। চলে আসে অভিমন্যু, পর্ণাও। তবে প্রথমেই এফআইআর কপির কার্বন কপিটাকে মিথ্যে বলে দেয় আহিরের উকিল। তারপর উনি বলেন এই কেসে আহির অপরাধী নয় বরং পরিস্থিতির শিকার একজন ব্যক্তি। কারণে সেদিন গাড়ি আহির নয়, চালাচ্ছিলেন আহিরের ড্রাইভার। কথাটা শুনেই চমকে যায় সকলে।

আরও পড়ুন: রাইয়ের বাড়িতে ডিভোর্স পেপার পাঠালো অনির্বাণ! নীলুর পর্দা ফাঁস করতে শৌর্যকে দলে টানলো স্রোত!

অপরাধীকে ১০ বছরের জেল হেফাজতের আদেশ দিলেন বিচারপতি

উনি আরও বলেন আহিরের ড্রাইভারের কারণেই আসলে প্রাণ গেছে অভিজিতের। কথাটা শুনেই চলে যায় পর্ণা। তারপরই আসে একজন ব্যক্তি যাকে আকাশ দেব পাঠিয়েছিলেন এই অভিযোগটা স্বীকার করার জন্য। আসলে এই ব্যক্তি অত্যন্ত গরীর। তাই খুব সহজেই তাকে টাকা দিয়ে কিনে নেন আকাশ দেব। এরপরই দেখা যায় আকাশ দেবের কথা অনুযায়ী সমস্ত দোষ স্বীকার করে নেন ওই ব্যক্তি। তারপরই বিচারপতি আদেশ দেন এই কেসে পুলিশের গাফিলতি নিয়ে তদন্ত করার জন্য আর দোষীকে ১০ বছর জেল হেফাজতে পাঠানোর আদেশ দেন তিনি। তবে কী এবার হেরে যাবে পর্ণা? আহির কী পাবে না শান্তি? জানতে হলে দেখতে থাকুন নিম ফুলের মধু।

Back to top button