শত অসম্মান সহ্য করেও কাজ করে চলেছে বাবা! বাবার এমন অবস্থা দেখে চোখে জল অপর্ণার! বাবা মেয়ের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা মন কেড়ে নিল দর্শকদের!

গতকাল থেকে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে আরও একটি নতুন ধারাবাহিক চিরদিনই তুমি যে আমার (Chirodini Tumi je Amar)। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায় (Ditipriya Roy) এবং অভিনেতা জিতু কামাল (Jitu Kamal)। দীর্ঘ কয়েক বছর পরে দুজনেই আবার টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন। ধারাবাহিকে অভিনয় করার পর দুজনেই বড় পর্দায় কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন, সেখানেই ব্যস্ত ছিলেন এত বছর।
এই ধারাবাহিকের হাত ধরে প্রথমবার জুটি বেঁধেছে দিতিপ্রিয়া এবং জিতু। ধারাবাহিকের গল্প একেবারেই ভিন্ন অন্যান্য ধারাবাহিকের চেয়ে। এখন অসমবয়সী প্রেমের গল্প তুলে ধরা হচ্ছে এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে। সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের একটি দৃশ্য দেখে চোখে জল এসেছে দর্শকের। অনেকেই প্রশংসা করছে ধারাবাহিকের নায়িকা চরিত্রকে নিয়ে।

ধারাবাহিককে গতকালের পর্বে এক জায়গায় দেখানো হয়েছে দিতিপ্রিয়া হঠাৎ ধারাবাহিকের যার চরিত্রের নাম অপর্ণা তার বাবা একটি শাড়ির দোকানে কাজ করে। তা সেখান থেকেই যা রোজগার হয়, তাই দিয়েই সংসার চলে। সেখানে দেখানো হয় দোকানে এক দল মহিলা এসে শাড়ি দেখার বাহানায় অপুর বাবাকে নিজেদের মতন করে অপমান করেন। শাড়ি কেনা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না। রাস্তায় দাঁড় করিয়ে অপুর বাবাকে শাড়ি পরিয়ে অপমান করাটাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য।
আরও পড়ুনঃ মাকে দা’হ করেই এসেছিলেন শুটিং ফ্লোরে! পরিবারের মুখে অন্ন জোগাতে গিয়ে জোটেনি নিজের খাবার! শত কষ্টও দর্শকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন রবি ঘোষ!
আর এই দৃশ্যই দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখে নেয় নাই অপু বাবাকে এভাবে অপমানিত হতে দেখে তার মোটেই ভালো লাগেনা। সে দৌড়ে এসে বাবাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। অপুর বাবা অপুকে শান্ত করার জন্য অনেক কথা বলে। কিন্তু অপু বাবাকে বলে সে বাবাকে এই কাজ আর করতে দেবে না। তার বাবা কেন অন্যের সব কথা শোনে। এইবারে সে সংসার চালানোর জন্য নিজেই কিছু করবে।
আর এই চরিত্র দেখে দর্শকের ভীষণই ভালো লাগে। প্রত্যেকে মুগ্ধ হয়ে যায় এমন চরিত্র দেখে। কটা মেয়ে আজকাল তার বাবা-মায়ের জন্য এভাবে নিঃস্বার্থ ভাবে ভাবতে পারে। এখনকার ছেলে মেয়েরা অনেকেই শুধুমাত্র নিজেরটুকু বোঝে। বাবা-মার কষ্ট দুঃখ বোঝেনা। সেখানে দাঁড়িয়ে ধারাবাহিকে এত সুন্দর একটা চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে সমাজের সামনে তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

