মেঘ নীলকে জব্বর প্যাঁচে ফেলল ঠাম্মি! শেষ পর্যন্ত নিজের মনের কথা বলে ফেলল মেঘ!

জমজমাট ইচ্ছে পুতুল। আবার প্রথম থেকে শুরু করতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। সেটা করতে গিয়ে একাধিক বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে প্রত্যেককে। তবে দর্শকদের ধারণা এইবার আর ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার মিল কেউ আটকাতে পারবেনা। বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নায়ক নায়িকার জুটি। তবে টিআরপি না থাকায় ধারাবাহিকের ভবিষ্যৎ সংকটে। টলিপাড়ায় গুঞ্জন ধারাবাহিকের চলতি প্লট যদি টিআরপি (TRP) তুলতে না পারে তাহলে এই মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে এই মেগা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এতদিন অবধি নায়ক এবং নায়িকার পরিবার যে পরিকল্পনা করেছিল সেই সবই সফল হয়। কিন্তু শেষে গিয়ে বেঁকে বসে মেঘ। পান পাতা সরিয়ে নিজের প্রাক্তন শ্বশুরবাড়ির প্রত্যেককে দেখে এবং নীলকে বর সাজে দেখে অবাক হয়ে যায় সে। তার মধ্যে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অন্যদিকে নীলও এই ঘটনায় বেশ চমকে যায়। আদৌ কি তাদের বিয়েটা হবে? সেটাই বুঝে উঠতে পারে না দুই পরিবার। অন্যদিকে মেঘকে খুন করার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মণ্ডপের দিকেই এগিয়ে আসছে ময়ূরী।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মেঘ প্রত্যেককে জিজ্ঞাসা করতে থাকে যে এখানে এসব কি হচ্ছে? তারা কাউকে কিছু না জানিয়ে কেন এসব করেছে? সে নীলের দিকে এগিয়ে যায় এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে সে কি সবকিছু জানতো আগে থেকে? নীলের উত্তরে মেঘ বুঝতে পারে সে কিছুই জানতো না। উল্টোদিকে নীলও বুঝতে পারে যে মেঘও এই বিষয়ে কিছুই জানত না। এরপর মেঘ বলে, এখানে যেটা ঘটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে সেটা একেবারেই ঠিক হচ্ছে না। এই বলে সে ঘরে চলে যায়। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে অনিন্দ্য। এছাড়াও সে মেঘের কাছে ক্ষমা চায়।

এদিকে নীল ভীষণ হম্বিতম্বি করতে থাকে। সে বারবার সেখান থেকে চলে যেতে চায় আর তাকে তার পরিবারের লোকজন আটকায়। এরপর জিষ্ণু এসে একেবারে আসল কথাটা বলে দেয়। সে বলে, “আসলে তুমি যেটা মনে মনে চাইছিলে সেটা হঠাৎ করে সামনে চলে আসায় তুমি কনফিউজ হয়ে গিয়েছো। বুঝতে পারছ না যে কি করা উচিত।” সত্যি কথাটা বলে দেওয়ায় আরো বেশি বিব্রত হয়ে যায় নীল। মনে মনে তো ষোল আনা ইচ্ছা আছে বিয়ে করার। কিন্তু রাগ দেখিয়ে এসে কথা বলতে পারেনা সে।

আর এই ঝামেলা থামানোর কোন রাস্তা নেই দেখে এবার সামনে এগিয়ে আসে ঠাম্মি। নীল বলে, “তুমি একটাও কথা বলবে না। আমি জানি এই সব কিছুর মুলে রয়েছ তুমি।” তখন সেখানে চলে আসে মেঘ। মেঘ এবং নীল দুজনকেই একসাথে পেয়ে ঠাম্মি বলে, “আমি তোমাদের কিছু কথা বলব। আর সেখানে যুক্তিতে যদি তোমরা আমাকে হারাতে পারো তাহলে ঠিক আছে, আর যদি না হারাতে পারো তাহলে আমি যা বলবো সেটাই মেনে নিতে হবে।” কথাটা শুনে রাজি হয়ে যায় দুজনেই। তিনি তার নীল দাদাকে জিজ্ঞাসা করেন, “তোমার এই বিয়েতে কোন আপত্তি নেই, শুধুমাত্র তোমায় না জানিয়ে এসব করা হয়েছে বলে তোমার রাগ তাই তো?” নীল সম্মতি জানায়। এরপর তিনি এই একই প্রশ্ন করেন মেঘকে। এইবার মেঘের উত্তরের ওপরেই নির্ভর করছে তাদের বিয়ে।

Back to top button