বর্ষাকে বাঁচাতে আবার বন্দুক হাতে মাঠে নামলো ঠাম্মি! নাতাশার দাদার সামনেই তার বিয়ে দিলো পর্ণা!

প্রতিদিন নতুন করে দর্শকদের মন আনন্দে ভরিয়ে তুলছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিক। একেবারে সাদামাটা একটি পরিবারের একসাথে জীবনযাপনের গল্প নিয়ে শুরু হয়েছিল ধারাবাহিকের পথ চলা। সেখান থেকে ধারাবাহিকটি বর্তমানে ভরে উঠেছে রহস্য রোমাঞ্চ এবং ভালোবাসায়। সেই শুরু থেকেই এই ধারাবাহিক একটুও অসফল হয়নি টিআরপিতে। ধারাবাহিকের বর্তমান পর্ব গুলি হয়ে উঠেছে আরও অনেক বেশি আকর্ষণীয়।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন দুজনে মিলে একটা দারুন প্ল্যান করে শত্রুদের জব্দ করার। তারা জানতে পেরে গেছে তাদের মধ্যে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করছে ইশা। তাই এইবার ইশার চালেই তাকে মাত দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছে ধারাবাহিকের নায়িকা। এর মাঝে তাদেরকে তরঙ্গ আর নাতাশার বিষয়টাও সমাধান করতে হবে। দিদি হিসেবে তাদের দায়িত্ব নিজের মাথায় দিয়েছে সে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা সৃজনকে বলে, “আজ খাবার টেবিলে ওদেরকে ডাকতে হবে, আর তারপরেই তুমি আর চয়ন মিলে…” এরপর সমস্ত প্ল্যানটা খুলে বলে সে। প্ল্যান করা শেষ হলে সেই মাফিক কাজ শুরু করে দেয় তারা। এদিকে দেখা যায় এদিক ওদিক নাতাশা আর তরঙ্গকে খুঁজতে থাকে তার দাদা। ঠিক তখনই তাদেরকে খেতে ডাকতে আসে পর্ণা। সে বলে নিচে তাদের খাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে তাই বাধ্য হয়ে তারা সবাই নিচে খাবার টেবিলে খেতে বসে।
এরপর ইচ্ছাকৃতভাবে পর্ণা নাতাশা আর তরঙ্গকে তাদের সামনে খাবার টেবিলে এনে বসায়। আর তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। সবটা দেখে রাগে জ্বলে পুড়ে যাচ্ছিল নাতাশার দাদারা। এরপর কিছু না খেয়েই তারা উঠে চলে যায়। এই সবকিছু দেখে ভীষণ ভয় পেয়ে যায়, নাতাশা। কারণ সে তার দাদাদের খুব ভালো করে চেনে। এরপর মাঝরাত হতেই নাতাশার ঘরে ঢুকে ছুরি দিয়ে তাদের কোপাতে থাকে তার দাদা। কিছুক্ষণ পরে তারা বুঝতে পারে ওখানে নাতাশা আর তরঙ্গর জায়গায় রয়েছে কিছু বালিশ।
এরপর শুরু হয় আসল খেলা একটু একটু করে পর্ণার জালে জড়িয়ে পড়ে তারা। আর তারপর গোটা দত্ত বাড়ি এসে তাদেরকে মারধর করতে থাকে। শেষ মুহূর্তে বর্ষাকে ধরে তার মাথায় বন্দুক ঠেকায় নাতাশার দাদা। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে ঠাম্মি আর সে বন্দুক ধরে সেই দাদার মাথায়। বাধ্য হয়ে বর্ষাকে ছেড়ে দেয় সে। এরপরে পুলিশের খবর দিতে গেলে তাতে বাধা দেয় পর্ণা। সে বলে এখনো ওদের অনেক কিছু দেখা বাকি। সব দেখা হলে তারপর ওদের জেলে পাঠানো হবে।

