জোড়া বাড়ি ফিরে এলো শ্যামলী! অনিকেতের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত বাড়ির সকলের সামনে ফাঁস করলো সে!

শুরু হওয়ার পর থেকেই দর্শকদের মন জয় করে নিচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দার নবাগত ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। ধারাবাহিকের নায়ক-নায়িকা অর্থাৎ শ্বেতা ভট্টাচার্যকে ও রনজয় বিষ্নুর জুটি ছাড়া ফেলেছে দর্শক মহলে। টিআরপিতে বেশ ভালো জায়গা দখল করেছে এই মেগা।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনিকেতকে একেবারেই সহ্য করতে পারে না অরুনাভ তৃষা। এর আগেও বহুবার নানারকম ভাবে তাকে বিপদের মুখে ফেলতে চেয়েছে তারা। এইবার একেবারে প্রাণে মেরে ফেলার প্ল্যান সাজিয়ে ফেলেছিল অরুনাভ। ঝাড় লন্ঠন মাথার উপর ফেলে তাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল তারা। কিন্তু আগের থেকেই নিজের স্বামীর বিপদ বুঝতে পেরে সেখানে পৌঁছে যায় শ্যামলী। নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বাঁচায় অনিকেতকে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্যামলী অরুনাভ আর তৃষা তাদের এই পরাজয় কিছুতেই মেনে নিতে পারে না। এত ভাল একটা প্ল্যান এইভাবে ভেস্তে যাবে সেটা কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছে না তারা। শ্যামলীর ওপর তাদের রাগ আরো বেড়ে যায়। বারবার শেষ মুহূর্তে এসে অনিকেতকে বাঁচিয়ে দিচ্ছে শ্যামলী। তাই অরুনাভ ঠিক করে কার্যসিদ্ধি করতে গেলে সবার আগে ওই শ্যামলীকে সরাতে হবে।

সূর্য বারবার শ্যামলীকে ধন্যবাদ জানায় কারণ সে না থাকলে আজ কোনভাবেই অনিকেতকে বাঁচানো সম্ভব হতো না। সে দড়িগুলো শক্ত করে ধরে না থাকলে আজ চ্ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যেত অনিকেত। এরপর শ্যামলীর হাত কেটে গেছে দেখে তার হাতে ব্যান্ডেজ করে দেয় তারা এবং শ্যামলীকে তার কাকার বাড়ি পৌঁছে দেয় অনিকেত। রাস্তায় যেতে যেতে অনেকের ভাবতে থাকে কি করে শ্যামলী তার বিপদে সে সমস্ত জায়গাগুলোতে পৌঁছে যায়? অন্যদিকে শ্যামলী মনে মনে চিন্তা করে অনিকেতের কেউ ক্ষতি করতে চাইছে। তাকে সাধুবাবা জোড়া বাড়ি গিয়ে থাকতে বলেছিলেন কিন্তু শ্যামলীর পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। এরপর যদি আবার কিছু হয় তাহলে তখন কি করবে সে? এরপর শ্যামলীকে কাকার বাড়িতে নামিয়ে তাকে ধন্যবাদ দিয়ে বাড়ি ফিরে আসে অনিকেত।

আরো পড়ুন: বর্ষাকে বাঁচাতে গিয়ে পর্ণার দিকে গুলি চালালো মাফিয়া বিনায়ক সিং! তবে কি নিজের পরিবারকে বাঁচাতে মৃত্যুর সম্মুখীন নায়িকা!

এদিকে সূর্য বাড়ি এসে অপরাজিতাকে সব খুলে বলে। কেউ কিছুতেই ভেবে পায় না যে কিভাবে এই দুর্ঘটনাটা ঘটলো। অন্যদিকে শ্যামলী লক্ষ্য করে তার হাতে মোম লেগে রয়েছে অর্থাৎ কেউ ইচ্ছা করে দড়িতে মোম লাগিয়ে রেখেছিল। বিষয়টা উপলব্ধি করা মাত্র শ্যামলী চলে আসে জোড়া বাড়ি। সে সবাইকে এই ঘটনাটা খুলে বলে। বেশ ভয় পেয়ে যায় অরুনাভ আর তৃষা। প্রত্যেকে চিন্তা করতে থাকে যে কে এমন রয়েছে যে অনিকেতকে মেরে ফেলতে চায়?

Back to top button