বর্ষাকে বাঁচাতে গিয়ে পর্ণার দিকে গুলি চালালো মাফিয়া বিনায়ক সিং! তবে কি নিজের পরিবারকে বাঁচাতে মৃত্যুর সম্মুখীন নায়িকা!

এই একঘেয়ে জীবনে মানুষ সব সময় একটু অ্যাডভেঞ্চার বা রোমাঞ্চের অনুসন্ধান করে। আর সেই রহস্য রোমাঞ্চ এগুলোকেই নিত্যদিনের সঙ্গী করে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত হচ্ছে নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিক। শুরু থেকেই বুদ্ধিতে বাজিমাত করছে এই ধারাবাহিকের নায়িকা আলোকপর্ণা। এখানে এই নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা। টিআরপি দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অন্যায় করে অয়ন আর মৌমিতাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় অখিলেশ। তারপর তারা পড়ে এক ভয়ঙ্কর চক্রের হাতে। তাদের সাহায্য করতে গিয়ে বর্ষাও তাদের কবলে চলে যায়। বর্তমানে পর্ণা আর সৃজন পুলিশের সাহায্যে চেষ্টা করছে সবাইকে উদ্ধার করার। অনুসন্ধান করে তারা জানতে পারে এই মুহূর্তে বিহারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সবাইকে। কোনো এক বিনায়ক সিং এর কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে তাদের। এই লোকটি বিহারের একজন বড় মাফিয়া।

ধারাবাহিকের এই দিনের পর্বে দেখা যায়, বর্ষাকে খুঁজে বের করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পর্ণা। সে ঠিক করেছে এই জন্য যদি তাকে বিহারে যেতে হয় তাহলে সে তাই যাবে। পুলিশ তাকে বারবার সাবধান করে যে ওই মাফিয়া মোটেই সুবিধের লোক নয়। পুলিশের গুপ্তচরদের উনি এমন ভাবে খুন করেন যা দেখে পুলিশ প্রশাসন ভয়তে কেঁপে ওঠে। তাকে একা হাতে সামলানো বেশ কষ্টসাধ্য। তার কাজে বাধা দিলে প্রাণ সংশয় অব্দি হতে পারে।

কিন্তু সেসব কিছুই শুনতে চায় না পর্ণা। সে বলে, গরিব মানুষদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার তাকে কেউ দেয়নি। তিনি যত বড়ই মাফিয়া হোক না কেন পর্ণা তাকে কোনোভাবেই ভয় পায় না। গরিব মানুষদের দিয়ে অসহায় মানুষদের ব্যবহার করে ভিক্ষে করিয়ে নিজের রাজার হালে তাকে আর থাকতে দেবে না পর্ণা। এইবার তার হাতেই ভিক্ষার থালা ধরিয়ে দেবে সে। পর্ণাকে নিয়ে বেশ ভয় পায় সৃজন কারণ সে বুঝতে পারে বাঘের গুহায় খালি হাতে ঢুকতে চলেছে সে।

আরো পড়ুন: জগদ্ধাত্রীকে অপমান করতেই নিজের বাবার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালো স্বয়ম্ভু! জ্যাসের উপর নজর রাখছে বিজয়লক্ষ্মী!

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পর্ণা সৃজন সবাই মিলে সেই ঘরটায় পৌঁছে গিয়েছে যেখানে বর্ষাকে ধরে রেখেছে তারা। বর্ষা তার বৌদি ভাইকে দেখে মনের সাহস ফিরে পায়। এতক্ষণ যে অন্ধকারের মধ্যে ছিল সে সেই অন্ধকার কেটে গিয়ে তার মনে হয় আলোর মধ্যে প্রবেশ করতে চলেছে বর্ষা। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে বিনায়ক সিং। সে বলে, তার ডেরায় ঢোকাটা সহজ কিন্তু বেরোনোটা মুশকিল। পর্ণা তাকে পুলিশের ভয় দেখালে, পর্ণার দিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে বিনায়ক। সেটা দেখে চিৎকার করে ওঠে বর্ষা।

Back to top button