“শিলাজিৎ আমার ছোটবেলাকার প্রেম”- সাক্ষাৎকারে নিজেই প্রেমের গুঞ্জনে সিলমোহর দিলেন স্বস্তিকা!

বর্তমানে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে (Bengali film industry) যে সমস্ত অভিনেতা অভিনেত্রীরা দর্শকদের মনে পাকাপাকিভাবে নিজেদের জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেন স্বস্তিকা মুখার্জি (Swastika Mukherjee)। বড় পর্দা থেকে ওটিটি মাধ্যম সবেতেই এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। ৪৩ বছরের এই সুন্দরী অভিনেত্রী দর্শকদের কাছে চির তরুণী। অন্যান্য অভিনেত্রীদের তুলনায় তার কথাবার্তা অনেক বেশি স্পষ্ট। যার ফলে বারংবার নানা রকম কারণে চর্চা এবং সমালোচনা দুটোতেই উঠে আসে অভিনেত্রীর নাম।

সম্প্রতি একটি সিরিজে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। বাস্তবে মা হিসেবে অভিনেত্রী ঠিক কেমন? এই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, “আমি একজন অপদার্থ মা। কারণ মা হতে গেলে, বা বলা ভালো সমাজের মতে মা হতে গেলে বড় চুল থাকতে হয়। মা হতে গেলে তার সিগারেট মদ এসব খাওয়া চলবে না। মা হতে গেলে সুইমিংপুলে সুইমিং কস্টিউম পড়া চলবে না। তো সেই দিক থেকে আমি একেবারেই যোগ্য মা নই।”

সমাজ মাধ্যমে কটাক্ষের শিকার অভিনেত্রীর মেয়ে

অভিনেত্রী অকপটে বলেন, “এখন সমাজ ঠিক করে দেয় কার কি পরা উচিত, কার কি করা উচিত। কিন্তু সত্যি বলতে আমি কখনো সেই সবের ধার ধারিনি। আমার মেয়েকে  সমাজমাধ্যমে অনেক খারাপ খারাপ মন্তব্যের সম্মুখীন হতে হয়েছে। কখনো জামা কাপড়ের জন্য বা কখনো অন্য কোন কারণে। কিন্তু আমি সব সময় ওকে এটাই বলেছি, কে কি বলছে তাতে কার না দিতে। কারণ সেটা করতে গেলে আর এগোনো যাবে না।”

অভিনেত্রী আরো বলেন, “একবার আমি আমাদের রাজ্যের চিফ মিনিস্টারকে হাত জোড় করে প্রণাম করেছিলাম বলে আমাকে অনেক গালিগালাজ শুনতে হয়েছে। সে আমার গুরুজন, আমার সেক্ষেত্রে কী করা উচিত ছিল? ওই প্রণাম করে আমি সমাজের চোখে খারাপ। অর্থাৎ সমাজ একজন গুরুজনকে প্রণাম করলে সেটাকে মেনে নিতে পারছে না আবার এই দিকে সুইমিং কস্টিউম পরে ছবি দিলে সেটাকেও অপসংস্কৃতি বলছে।”

“শিলাজিৎ আমার ছোটবেলাকার প্রেম”

অভিনেত্রী কি সারা জীবন একাই থেকে যাবেন? এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্বস্তিকা বলেন, “আমি তো একা নই। আমি মাঝেমধ্যেই বন্ধু-বান্ধবদের সাথে থাকি। সময় কাটাই আড্ডা মারি। আমরা কেউ কখনো একা নই। এই তো কিছুদিন আগে শিলাজিতের সাথে দেখা হল। শিলাজিত আমার ছোটবেলাকার প্রেম। সেই একুশ বছর বয়সের সময়কার। ওর সঙ্গে গল্প করলাম। ১৪ বছর পর অনেক কথা হলো। মনে হলো না মাঝে এতগুলো বছর কেটে গেছে।”

Back to top button