কমলিনীর জন্মদিনে নতুনের সেরা উপহার! ডলের সব আশা ভেঙ্গে কমলিনীর দিকে হাত বাড়িয়ে দিল নতুন! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

স্টার জলসার (Star Jalsha) নতুন ধারাবাহিকগুলোর মধ্যে ‘চিরসখা’ (Chiroshokha) ইতিমধ্যেই আলাদা করে নজর কেড়েছে দর্শকদের। ধারাবাহিকের কাহিনিতে যেমন রয়েছে আবেগ, তেমনি রয়েছে সম্পর্কের জটিল টানাপোড়েন। বহুদিন পর ছোটপর্দায় অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das), তাঁর বিপরীতে ধরা দিচ্ছেন সুদীপ মুখোপাধ্যায় (Sudip Mukherjee), যাঁকে সাধারণত দর্শক কড়া বা নেতিবাচক চরিত্রে দেখতেই অভ্যস্ত। তবে তাঁর সংযত অভিনয় অন্য এক দিক তুলে ধরেছে।

‘চিরসখা’ (Chiroshokha)-র গল্প শুরুর থেকেই স্পষ্ট, যে পারিবারিক গল্পের বাইরে গিয়ে এক নতুন আবহ তৈরি করতে চায়। অসমবয়সী এক জুটির সম্পর্ককে কেন্দ্র করে যে সংবেদনশীলতা আর জটিল আবেগের নির্মাণ হচ্ছে, তা বাংলার ধারাবাহিক দর্শকদের কাছে বেশ অভিনব। প্রতিটি চরিত্রেই রয়েছে পরত, রয়েছে অনুভবের গভীরতা। স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘চিরসখা’র (Chiroshokha) আজকের পর্বে দেখা যাবে, নতুন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল ডলকে সে বিয়ে করবে না!

Chiroshokha, Star Jalsha, Aparajita Ghosh Das, Sudip Mukherjee, Leena Ganguly, Serial Update, Chiroshokha today episode, Bengali Television, Bengali Serial, চিরসখা, স্টার জলসা, সুদীপ মুখার্জী, অপরাজিতা ঘোষ দাস, লীনা গাঙ্গুলি, বাংলা সিরিয়াল আপডেট, চিরসখা আজকের পর্ব, বাংলা টেলভিশন

মন্দিরে দাঁড়িয়ে কমলিনীর সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত ভাগ করে নেয় সে। একসময় যাঁর জন্মদিনে হইচই করত নতুন, এবার সেই কমলিনী অনুরোধ করে কিছু না করতে। কারণ, এবার তাঁর স্বামী বাড়িতে। যেহেতু স্বামী প্রতারক, তবুও তাঁর সামনে নতুনের বিশেষ আচরণ কমলিনীর কাছে অস্বস্তির। কমলিনী বাড়ি ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। নতুন জানায়, সে কমলিনীকে বাড়ি ছাড়তে দেবে না। বরং রানীর মতো রাখবে ওই বাড়িতেই।

আরও পড়ুনঃ  ফুলকির উল্টো চালে ধরা পড়লো ভন্ড রাজা! মুখোশ খুলতেই বেরিয়ে এলো কার মুখ? ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব

এদিকে পূজো দিয়ে কমলিনী, নতুন, কুর্চি ও মিঠি একসঙ্গে পৌঁছায় কমলিনীর বাপের বাড়ি। যেখানে আগে থেকেই হাজির প্লুটো আর তাঁর মা, মৌয়ের সঙ্গে বিয়ের কথা বলতে। ডলকে না দেখে কমলিনীর বাবা খোঁজ নিতেই অন্যন্যা বলে, নতুনের সঙ্গে সংসার পাততে ফ্ল্যাট খুঁজছে সে। একইসঙ্গে অন্যন্যা কমলিনীকে কটাক্ষ করে বলে, প্রতারকের খপ্পরে পড়ে সব হারিয়েছে নতুন। তখনই কমলিনীর দাদা প্রশ্ন তোলে, তাহলে সেই পরিবারের সঙ্গে কেন বিয়ে দিচ্ছে সে?

অন্যন্যার কিছু আর বলতে পারে না। এরপর মায়ের সঙ্গে মিঠি হাজির হয়, মৌয়ের মা মিঠিকে প্লুটোর সঙ্গে পুরনো সম্পর্কের ইঙ্গিতে অপমান করতে থাকেন। মিঠি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, অতীতের ভুল সে ভুলতে পারে, কিন্তু অনন্যার অপমান কখনও না। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে অনন্যা মিঠিকে অভদ্র বললে রেগে যায় কমলিনী ও নতুন। তখনই নতুন আবার জানিয়ে দেয়, ডলকে বিয়ে করার প্রশ্নই ওঠে না। এক মুহূর্তেই অনন্যার মাথায় বজ্রপাত হয়, এবার কি এর দোষও পরবে কমলিনীর উপর?

Back to top button