ছেলের সাথে স্রোতের বিয়ে ঠিক করলেন সর্থকের বাবা! ডোরাকে উচিত শিক্ষা দিলো অনির্বাণ!

মাঝেমধ্যে মানুষ ঠিক যে পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে যেতে চায়, যে পরিস্থিতিগুলোর সামনাসামনি তারা হতে চায় না, ঠিক সেই বিষয়গুলোতেই আরো বেশি করে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে কিছুটা এইরকমই হলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের বোন স্রোতের সাথে। যতদিন যাচ্ছে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে এই ধারাবাহিকের গল্প। খুব তাড়াতাড়ি গল্পে আসতে চলেছে এক বিরাট বড় চমক।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনির্বাণ নীলাঞ্জনা শ্বশুর বাড়িতে অর্থাৎ সৌর্যের বাড়িতে গিয়ে সবাইকে তার আর রাইয়ের বিয়েতে নেমন্তন্ন করে। যেটা একেবারেই পছন্দ হয়নি সৌর্যের পরিবারের। অন্যদিকে আঙ্কেল অর্থাৎ সার্থক সেনগুপ্তর বাবা ডক্টর উজ্জ্বল সেনগুপ্ত এর অসুস্থতার কথা জানতে পেরে বেশ কষ্ট পেয়েছে স্রোত। তার বাড়ি গিয়ে তার সাথে দেখা করার সিদ্ধান্ত।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২৫ জুন (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 25 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণের সিদ্ধান্তে একটুও খুশি নয় ডোরা। সে অনির্বাণকে বলে, “তোমাকে ওর বিষয়ে সবকিছু বলার পরেও তুমি ওকেই বিয়ে করতে চাইছ? কেনো? তুমি তো একটা ফ্রেশ ছেলে। তুমি তো ভাল কাউকে বিয়ে করতে পারো।” কথাটা শুনে অনির্বাণ বলে, “এই যে কথাটা বললে এটা খুবই নোংরা শোনালো। আর দেখতে গেলে আমারও কিন্তু এর আগে একটা সম্পর্ক ছিল। বরং আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল আমি বিবাহিত ছিলাম।” সব শেষে সৌর্য অনির্বাণকে অভিনন্দন জানায় আর বলে, “তোমরা অনেক ভালো থেকো। রাই অনেক ভালো মেয়ে। তোমরা সুখে থেকো।”
উজ্জ্বল সেনগুপ্তের কথায় অবাক স্রোত
এদিকে স্রোত চলে যায় সার্থক সেনগুপ্তের বাড়িতে। যেহেতু সে কলেজ ছেড়ে দেবে তাই আর সেই বাড়িতে যেতে তার কোন ভয় নেই। সে আঙ্কেলের কাছে গিয়ে একেবারে চমকে যায়। যে মানুষটা কিছুদিন আগেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার সাথে কথা বলেছে সেই মানুষটা আজ একেবারে বিছানার সাথে মিশে গেছে। উজ্জ্বল সেনগুপ্ত স্রোতকে বলে, তার হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। এই কথাটা শুনে খুব কষ্ট পায় স্রোত।
স্রোত বলে, তার বাবা মারা গেছে। আরে আঙ্কেলের মধ্যে দিয়েই সে তার বাবাকে খুঁজে পায়। তাই সেও যদি এমন কথা বলে তাহলে স্রোতের তো খারাপ লাগবেই। এরপর সার্থকের বাবা স্রোতের কাছে একটা আবদার করে। আবদার অনুরোধ বা শেষ ইচ্ছে যেটাই হোক সবটাই তার স্রোতের কাছে। তো জিজ্ঞাসা করে সে কি চায়। তখন উজ্জ্বল সেনগুপ্ত বলেন, “আমি চাই তুই এই বাড়িতে পাকাপাকি ভাবে থাক। আমার ছেলেটাকে বিয়ে কর। আমি জানি সার্থক তোর সাথে অনেক ঝামেলা করে। কিন্তু ও পরে বুঝতে পারে যে ও ভুল করেছে। তোকে মনে মনে ভালোবাসে।” সার্থকের বাবার কথা শুনে রীতিমতো অবাক হয়ে যায় স্রোত। কারণ ঠিক যেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করছিল, সেখানেই আরও বেশি করে জড়িয়ে পড়ছে স্রোত।

