শর্ট ফিল্মের নাম করে সৃজনকে ফাঁ’দে ফেললো সুইটি! শেষ মুহূর্তে এসে সবার সব প্ল্যানে জল ঢে’লে দিল পর্ণা!

আবারো অনেক বড় চক্রান্তের শিকার হতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা এবং নায়ক সৃজন। নিজের অজান্তেই একেবারে বাঘের গুহায় ঢুকে পড়েছে তারা। এখনো তারা বুঝে উঠতে পারেনি, ঠিক করতো বড় বিপদের মধ্যে বসে রয়েছে সৃজন পর্ণা। এমন সব আকর্ষণীয় গল্পের জন্য বর্তমানে টিআরপি তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন এক বিপদের হাত থেকে পালাতে গিয়ে অন্য আরেক আরও বড় বিপদে ঝাঁপ মেরেছে। যদিও তারা এখনো অবধি জানে না তাদের সাথে কি ঘটছে এবং আগামীতে কি কি ঘটতে চলেছে। তারা সুইটি নামের একটি মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু মেয়েটি একেবারে সুবিধের নয়। তার মনে মনে অনেক প্যাচ। অনেক বড় কার্যসিদ্ধি করতে নায়ক নায়িকাকে সাহায্য করেছে সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সুইটি বেশ কৌশলে পর্ণাকে সৃজনের কাছ থেকে সরিয়ে দেয়। সে তার বান্ধবীদের বলে তারা যেন পর্ণাকে এই গোটা গ্রাম আর ওই জাগ্রত মন্দিরটা দেখিয়ে আনে। পর্ণাও যেতে রাজি হয়ে যায়। এরপর পর্ণাকে সৃজন বলে, সে যেন সাবধানে যায় আর খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসে। সুইটি কিন্তু পর্ণার সাথে যায় না, কারণ তার মনে অন্য পরিকল্পনা।

এরপর গ্রামের কিছু বাচ্চা ছেলে মেয়ে সৃজন ক্রিকেট খেলতে ডাকে। সৃজনও তাদের ডাকে চলে যায়। এদিকে সুইটি সবাইকে সবটা বুঝিয়ে দেয়। সে বলে, এরপর সৃজন আর পর্ণার থাকবে না। কিছুক্ষণ পর গ্রামের কয়েকটা ছেলে সেখানে এসে সৃজনকে বলে, “দাদা আমাদের একটা শর্ট ফিল্ম করার ছিল কিন্তু একজন আসতে পারেনি আর ফোনটাও তুলছে না। তুমি যদি ওর রোলটা করে দিতে তাহলে খুব ভালো হতো।” কৃতজ্ঞতা বসত সৃজন আর না করতে পারে না। এরপর সেই ছেলেগুলো সৃজনকে বরের বেশে সাজিয়ে দেয় এবং টোপর পরিয়ে দেয়। আর বলে তারা যেমন যেমন বলবে সৃজনও যেনো সেই রকমই বলে। সে দেখতে পায় সুইটি রয়েছে কনের বেশে। কিন্তু তাকে যেহেতু বলা হয়েছে এটা শর্ট ফিল্ম তাই বিশেষ সন্দেহ হয় না সৃজনের। কেউ বাধ্য ছেলের মত সবটাই শুনে নেয়। বাকি থাকে সিঁদুর দান।

আরো পড়ুন: বৈদেহী মুখার্জির কাছ থেকে কল্যাণী ও প্রমিতার খবর পেয়ে গেল জগদ্ধাত্রী! আসছে ধুন্ধুমার পর্ব

ঠিক তখনই সৃজনকে দিতে ফোনটা সাইলেন্ট করিয়ে নেয় তারা। অন্যদিকে পর্ণা তাকে বার বার ফোন করতে থাকে কারণ রুচিরা পুঁটির স্কুলের ডাইরি পাচ্ছে না। সৃজন ফোন না ধরায় পর্ণার চিন্তা বেড়ে যায়। সে সব ফেলে তাড়াতাড়ি ছুটতে থাকে সৃজনের কাছে পৌঁছানোর জন্য। অন্যদিকে সুইটি মনে মনে ভাবতে থাকে, একবার সিঁদুর দানটা হয়ে গেলেই সৃজন তার। পর্ণা কি পারবে সৃজনকে বাঁচাতে?

Back to top button