পৌ’রুষ’ত্ব দেখাতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে গেল সৃজন! মায়ের বুদ্ধিতে চলতে গিয়ে একেবারে রাস্তায় এসে বসলো সে!

যেকোনো সম্পর্কেই ইগো খুব খারাপ একটা জিনিস। এটা মানুষকে একপ্রকার অন্ধ করে দেয়। মানুষকে কোন কিছু স্বাভাবিকভাবে দেখতে বাধা দেয় ইগো। আর ঠিক তেমনটাই হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকর নায়ক সৃজন। তার ব্যবহার আর বিন্দুমাত্র সহ্য করতে পারছে না দর্শকমহল। একটি চরিত্র যার কোন নিজস্বতা নেই সে কখনোই নায়ক হতে পারে না, এমনটাই দাবি দর্শকদের।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ইশার চক্রান্তে অনেক বড় একটা বিপদের সম্মুখীন হয় পর্ণা। বিপদে কাছের মানুষটা পাশে থাকে কিন্তু সৃজন তার বদলে প্রতিনিয়ত কোন ঠাসা করে গিয়েছে তার স্ত্রীকে। শুধু তাই নয় এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে কৃষ্ণা একেবারে নিজের আঁচলে বেঁধে ফেলেছে সৃজনকে। সৃজন এখন নিজের মায়ের কথায় উঠছে আর মায়ের কথায় বসছে। পর্ণা এখন তার গলার কাঁটা।
আরো পড়ুন: ধারাবাহিক এলো টাইম লিপ! তিক্ততা ভুলে মেঘ নীলের জীবনে এলো নতুন মোড়, আবার নতুন করে শুরু হবে সব!
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা বার বার সৃজন বোঝানোর চেষ্টা করে যে, সে যেটা করতে চলেছে সেটা অনেক বড় একটা রিস্ক। এতে ক্ষতিও হতে পারে। আর দুতদিন অপেক্ষা করে যদি সবটা হতো তাহলে এতটা অনিশ্চয়তা থাকতো না। পর্ণা সৃজনের কাছে অনুরোধ করে সে যেন আর দুটো দিন অপেক্ষা করে যায়। এতগুলো কথার পরিপ্রেক্ষিতে সৃজন বলে, “আমি অপেক্ষা করে যেতাম কিন্তু যেহেতু এটা তুমি বলছো তাই করবো না।”
শুধু তাই নয়, পর্ণা নাকি তার শাশুড়ি মাকে হিংসা করে! এমন একটি নোংরা অপবাদ দিতেও পিছপা হয় না সৃজন। এরপর পর্ণাকে না নিয়েই মাকে নিয়ে চলে যায় গোডাউনে। বিষয়টা দেখে আর কিছুই বলতে পারেনা পর্ণা। অন্যদিকে ইশার সঙ্গে চক্রান্ত করতে থাকে মৌমিতা আর অয়ন। ইতিমধ্যেই তারা অনেকটাই সফল, এবার শুধু পাকাপাকি ভাবে পর্ণাকে বাড়ি থেকে বিদায় করলেই ষোল কলা পূর্ণ হবে।
View this post on Instagram
সৃজন গোডাউনে গিয়ে সমস্ত জিনিসপত্র তুলতে থাকে এবং তার মা কৃষ্ণা পুজো দিতে থাকে। সৃজন পুরোপুরি ভাবে সারির কথা থেকে পর্ণা অস্তিত্ব মুছে দিতে চায়। অন্যদিকে ইশা জেলে রনির সঙ্গে দেখা করে এবং সেই ফায়ার ইন্সিওরেন্স না করা গোডাউনে আগুন লাগানোর পরিকল্পনা করে। পর্ণা আগের থেকেই বুঝতে পারছিল কিছু একটা হতে চলেছে। আর সেটা বারবার সৃজনকে জানানোর চেষ্টা করছিল সে, কিন্তু মূর্খ সৃজন সেই দিকে পাত্তা দেয়নি।

