ব্লুজের বিরূদ্ধে যুধাজিতের বিস্ফোরক মন্তব্যে উত্তপ্ত টলিপাড়া! সেই আগুনেই জল ঢাললেন শ্রাবণী আর আনন্দ…

জি-বাংলার একটি নতুন ধারাবাহিক হল ‘মুকুট’। এই ধারাবাহিক একদিকে টিআরপির তালিকায় ভালো ফলাফল করতে পারছে না, অন্যদিকে এই ধারাবাহিক থেকে সরে আসছেন একের পর এক জনপ্রিয় চরিত্রে। কিছুদিন আগে এই ধারাবাহিক ছেড়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীপর্ণা রায়। সময় নিয়ে সমস্যা হওয়ার কারণেই মুকুট ধারাবাহিক থেকে তিনি সরে গিয়েছিলেন।
শ্রীপর্ণা ধারাবাহিক ছেড়ে আসার পর আরও এক সদস্য সরে এলে ‘মুকুট’ থেকে। তিনি হলেন অভিনেতা যুধাজিৎ ব্যানার্জি? প্রোডাকশন হাউসের সঙ্গে বিশেষ সমস্যার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেন অভিনেতা। শুধু মুকুটই নয়, ব্লুজের আরও একটি ধারাবাহিক ‘নায়িকা নম্বর ওয়ান’-ও ছেড়ে দিয়েছেন। সংস্থায় অপমানিত হওয়ার পর এই অভিনেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে জানান, “দুই ধারাবাহিক ছেড়ে তিনি আবার নতুন কাজ শুরু করবেন”।
‘মুকুট’ ধারাবাহিকে অন্যতম নেতিবাচক চরিত্র রমণীমোহন হালদারের বেশে তাঁকে দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু সম্প্রতি তিনি এই প্রযোজনা সংস্থার মুকুট সহ নায়িকা নম্বর ১ দুটো ধারাবাহিক ছেড়ে দেন। এবং ক্ষোভ উগড়ে বলেন ‘শিল্পীর মানহানি করে শিল্পকে ভালোবাসার মিথ্যে অভিনয়টা আর সহ্য হলো না। ভালোবেসে কাজটাই শুধু করতে পারি আর সেটুকুই করি। বিদায় অহংকার।’
তাঁর এই কথার পর এদিন ব্লুজ প্রোডাকশন হাউজে যাঁরা কাজ করেন, যে শিল্পীদের বিভিন্ন ধারাবাহিকে দেখা যায় তাঁরা সকলেই একত্রিত হয়েছিলেন। ‘জগদ্ধাত্রী’, ‘মুকুট’ এবং ‘নায়িকা নম্বর ১’ -এর কলাকুশলীরা এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে সমবেত ভাবে যুধাজিতের বিরোধিতা করেন। এই দিন এক সাক্ষাৎকারে মুকুট ধারাবাহিকের দুই অভিনেতা অভিনেত্রী যথাক্রমে আনন্দ এবং শ্রাবণী এই ঘটনা সম্পর্কে নিজেদের মতামত জানান। শ্রাবণী বলেন নিজে বিষয়গুলো মিডিয়ার সামনে তুলে ধরছেন সেগুলো ভ্রান্ত। ওনার যদি কোন সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে উনি সেটা সরাসরি দাদাকে বলতে পারতেন, মিডিয়ার সামনে বলার কি কোন প্রয়োজন ছিল?
শ্রাবণী আরো বলেন, আমি যখন প্রথম এই প্রোডাকশনে কাজ পাই আমার দাদু মারা গিয়েছিল কিন্তু দাদা সবটা শুনে আমাকে সময় দিয়েছিল গুছিয়ে নেওয়ার। একদম ঘরোয়া ভাবেই ওনারা আমার ব্যক্তিগত সমস্যা গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন। অন্যদিকে আনন্দ বললেন, আমি তো একেবারেই নতুন এই প্রোডাকশনে। আসার পর থেকে দেখেছি স্যালারি দেওয়ার সময় হোক বা অন্য কিছুতে সব সময় ভীষণ দায়িত্ব পরায়ণ এই প্রোডাকশন। একবার আমার মা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন আমি প্রোডাকশনের সাথে কথা বলি দাদার সাথে কথা বলি দাদা বলেন যতদিন না আমার মা সুস্থ হচ্ছে আমাকে কাজে আসতে হবে না। উনি আমার সমস্ত সমস্যাগুলো বোঝেন সেই মুহূর্তে। তাই এটুকুই বলবো কেবলমাত্র একটা ভিডিও দেখে কাউকে খারাপ না ভেবে সম্পূর্ণটা আগে জানা উচিত।

