অবশেষে বেরিয়ে এলো নীলুর আসল রূপ, সহ্য করতে না পেরে নিলুকে ঘর থেকে তাড়িয়ে দিল সৌর্য! বন্ধুত্ব হলো সার্থক স্রোতের!

প্রত্যেকটি মানুষের একটা সময়ে নিজের ভুল ধারণা ভাঙ্গে। স্বীকার না করলেও তারা তাদের ভুলগুলো ভালো ভাবে বুঝতে পারে। কার ওপর কতটা বিশ্বাস করা উচিত আর কে কতটা ভালোবাসার যোগ্য সেটা তখনই তাদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়। বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের নায়কের কাছেও সেটা একেবারে পরিষ্কার। সৌর্য এখন খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছে, রাই তাদের পরিবারের কাছে ঠিক কতখানি প্রয়োজনীয় ছিল।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নিলু অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের বোন নিজের অনিশ্চয়তার জন্য নিজের দিদিকে অত্যন্ত বাজেভাবে অপমান করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। সে পাকামো করে নিজেই নিজের শ্বশুর মশাই এর সমস্ত দায়িত্ব নেয়। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেনা নিলু। পড়ে গিয়ে চোট পায় অবিনাশ। এরপর রাইকে ফিরিয়ে আনতে গেলেও সে ফিরতে চায় না। ফলস্বরূপ নিলুর ওপর আরো বেশি করে রেগে যায় সৌর্য।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাত্রিবেলা নিজের ঘরে শুতে এলে সৌর্য নিলুকে বলে, “তুমি এই ঘরে কেন এসেছো? তোমার তো এখন বাবার কাছে থাকা উচিত। যাও বাবার কাছে যাও। ওনার কাছে বসে থাকো। অনেক কি দরকার না দরকার সেসব দেখো।” নিলু তখন বলে, সারাদিন ধরে কাজ করতে করতে সে খুব ক্লান্ত। তার পক্ষে আর রাত জগ সম্ভব নয়। মা আছে বাবাকে দেখার জন্য। সে এবার একটু ঘুমোতে চায়। এসব শুনে খুব রেগে যায় সৌর্য। অদ্ভুত ভাবে আর একটা মুহূর্তও নিলুকে সহ্য করতে পারে না সে।

সৌর্য বলে, “তুমি নিজেই তো তোমার দিদিকে এই বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছো। তাই এখন এসব ক্লান্তির কথা আমি তো শুনবো না নিলু। তুমি কি ভেবেছিলে? একটা বড়লোক ছেলে পাচ্ছি বিয়ে করে নিই তাইতো? কিন্তু সব কিছু এত সহজে পাওয়া যায় না। আমি কেনো যে তোমার মতন একটা মেয়েকে বিয়ে করেছিলাম, এখন ভাবলেই বিরক্ত লাগছে। তুমি যদি না যাও তাহলে আমি চলে যাবো।” এই বলে নিজেই ঘর ছেড়ে গেস্ট রুমে শুতে চলে যায় সৌর্য।
আরও পড়ুন: দাদাগিরি’ করেই কোটিপতি বাংলার দাদা সৌরভ গাঙ্গুলী! প্রতি এপিসোড পিছু কত টাকা নেন তিনি? জানলে চমকাবেন
এদিকে অনেকটা রাত হয়ে গিয়েছে এখনো বাড়ি পৌঁছতে পারেনি স্রোত। তাড়াতাড়ি পৌঁছনো যাবে বলে গাড়ির চালককে অন্য একটা রাস্তা নিতে বলে স্রোত। গাড়ির চালক বারণ করা সত্ত্বেও সে শুনতে চায় না। এরপর মাঝ রাস্তায় কিছু গুন্ডা গাড়ি থামিয়ে স্রোতকে টেনে হিঁচড়ে সেখান থেকে নামায়। তারপর স্রোতের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে থাকে। ঠিক তখনই সৌভাগ্যবশত সেই রাস্তা দিয়েই একটা গাড়ি আসছিল আর সেখানে বসেছিল স্রোতের সার্থক স্যার। সে ওই গুন্ডার গুলোর হাত থেকে স্রোতকে রক্ষা করে। স্রোত এতদিন ধরে তার স্যারকে ভুল বুঝেছে। তাই মাথা নিচু করে স্যারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয় সে। এরপর তারা দুজন মিলে পুলিশ স্টেশনে চলে যায় এই সমস্তটা নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করতে।

