সর্মির কথা শুনে অবাক রাই! স্রোতকে সবার সামনে সরি বললো সার্থক! রাইকে আজও ভালোবাসে সৌর্য!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বেশ জমে উঠেছে মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকটি। সমানতালে তিন বোনের গল্প দেখিয়ে চলেছে এই ধারাবাহিক। তিনজনের জীবনেই কোন না কোন সমস্যা রয়েছে। তবে সব থেকে বেশি খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ধারাবাহিকের প্রধান নায়িকা রাই। এই চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী আর আরাত্রিকা মাইতি। একটু একটু করে ঊর্ধ্বমুখি হচ্ছে এই ধারাবাহিকের টিআরপি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, সর্মি ঠিক করেছে সে নিজের কুট্টিদা অর্থাৎ অনির্বাণ বিয়েটা দিয়ে তারপরেই বাড়ি ছাড়বে। তার আগে সে এখান থেকে নড়ছে না। অন্যদিকে অনির্বাণ সেনগুপ্ত এখানকার সমস্ত ব্যবসা গুটিয়ে মুম্বাই চলে যাওয়ার পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই করে ফেলেছে। দাদাকে আটকাতে এবং তার জীবনটা নতুনভাবে সাজিয়ে দিতে তার বোন ফোন করে রাইকে।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ১৭ মে (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 17 may)
সর্মির কথায় অবাক রাই!
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সর্মি রাইকে ফোন করে বলে, রাই হয়তো তাকে চেনে না কিন্তু সে খুব ভালো করেই চেনে নায়িকাকে। রাই বলে, এই মুহূর্তে তার ফ্রিজ এসি চিমনি এসব কেনার মতন ক্ষমতা নেই। সর্মি বলে সে সেলস ম্যান নয়। রাই তখন জিজ্ঞাসা করে, তাহলে কি সে ঘটক মানে ঘটকি? এরপর সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তার এখন বিয়ে করার কোন পরিকল্পনা নেই আর তার বোনও বিয়ে করবে না। এরপর সর্মির কোন কথা শোনার আগেই সে ফোনটা কেটে দেয়।
সর্থকের ব্যবহারে মুগ্ধ স্রোত
অন্যদিকে কলেজে দৌড়দৌড়ি করতে গিয়ে সার্থক স্যারের সাথে ধাক্কা লাগে স্রোত আর কিঞ্জলের। সার্থক তাদের দুজনকে বকাবকি করে এবং নিজের অধিকারের বাইরে বেরিয়ে তাদের পরিবারকে অসম্মান করে। এইটা কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি স্রোত। কিন্তু সার্থক নিজের ভুলটা বুঝতে পারে। সে প্রিন্সিপাল স্যারের ঘরে গিয়ে স্রোত আর কিঞ্জলকে ডেকে পাঠানোর কথা বলে। তারা এলে সার্থক তাদের সামনে বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে। এটা শুনে অবাক হয়ে যায় স্রোত। এরপর এই সমস্ত কথা যখন সেই রাইকে বলে, রাইও বেশ অবাক হয় কারণ স্রোত একটু বেশিই সার্থক স্যারকে নিয়ে গবেষণা করছে।
আরও পড়ুন: টিআরপি নিম্নগামী! নতুন ধারাবাহিক ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’র আগমনে বন্ধের মুখের জি বাংলার জনপ্রিয় মেগা!
নিলুকে ভুল বুঝল সৌর্য
অন্যদিকে অফিস থেকে ফিরে সৌর্য বলে তার কিছু দিনের জন্য একটু ব্রেক চাই এই সব কিছু থেকে। তখন নিলু ঘুরতে যাওয়ার কথা বললে সৌর্য বলে এই মুহূর্তে নিলুকে সাবধানে থাকতে হবে। তারপরেই সৌর্য নিলুকে জিজ্ঞাসা করে, সে তো জানতো যে কেনো রাই তার চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে! তাহলে সেটা সৌর্যকে কেনো বলেনি সে? নিলু কি বলবে কিছু ভেবে পায় না। অনেক অজুহাত দেওয়ার চেষ্টা করে আর তাতে কাজ না হওয়ার সৌর্য আর রাইয়ের সম্পর্ক নিয়ে ভুলভাল মন্তব্য করে। এতে আরো রেগে যায় সৌর্য।

