বাবার ক্ষতি হতেই নিলুর মোহ কেটে গেল সৌর্যর, আবার রাই ডাকতে ছুটলো সে! অপরদিকে স্রোতকে অপদস্ত করলো সার্থক!

একদম অন্যরকম একটি স্বাদের গল্প নিয়ে সম্প্রচারিত হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকটি। বাস্তবে একটি মেয়েকে যখন নিজের পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিতে হয় তখন তাকে ঠিক কি কি প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয় সেই সবই রাইয়ের মধ্যে দিয়ে দেখতে পারছেন দর্শকমহল। এছাড়াও সময় বিশেষে কাছের মানুষ অর্থাৎ আপনজন ঠিক কতটা স্বার্থপর আর অকৃতজ্ঞ হয়ে উঠতে পারে সেটাও প্রমাণ করছে ধারাবাহিকের নায়িকার বোন নিলু।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাইকে একপ্রকার বাড়ি থেকে বার করে দিয়েছে তার বোন। রাই নিজের সমস্ত সুখ বিসর্জন দিয়ে নিজের বোনের কথা ভেবেছিল কিন্তু সেই বোন তার কথা ভাবেনি। সে ভেবেছে নিজের সুখের কথা। আর সেটা করতে গিয়ে এতদিন ধরে যে দিদি তাকে আগলে রেখেছিল সেই দিদিকেই নানা রকম ভাবে অপদস্ত করেছে। নিজের বাড়িতেও শান্তি পায় না রাই। সেখানেও তাকে নানা রকম কথা শুনতে হয়। তারপরেও নিজের পরিবারকে না ছেড়ে সেই পরিবারের দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে চলেছে সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ক্লাস করাচ্ছেন সার্থক স্যার। একদিন আগেই তার সঙ্গে তুমুল ঝামেলা হয়ে গিয়েছে স্রোতের। তাই এই মেয়েটিকে একেবারেই পছন্দ করছে না প্রফেসর। তার আসতে দেরি হওয়ায় তাকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখে সার্থক। এদিকে অন্য একটা ছেলে আসায় তাকে ক্লাসে আসার অনুমতি দিয়ে দেন তিনি। এর কারণ জানতে চাইলে স্যার রেগে যায় স্রোতের ওপর। স্রোত তখন বলে তাকে সকালবেলা অনেকগুলো টিউশনি করিয়ে তারপরে আসতে হয়। যার জন্য দেরি হয়ে গিয়েছে তার। এটা শুনে তাকে ক্লাসে আসতে দেয় স্যার।

স্যার খুব ভালো করেই জানতেন স্রোত আগের দিনের ক্লাসটা করতে পারেনি। এদিকে আগের দিনের পরানো চ্যাপ্টার টাই তার পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে যায়। স্রোত বিনীতভাবে তার স্যারের কাছে একটা সুযোগ চায় যাতে সে নিজেকে তৈরি করতে পারে, পরীক্ষার জন্য। কিন্তু তার ইচ্ছে করেই অপদস্ত করার জন্য সেই সুযোগ তাকে দেয় না। রোজ সবটাই বুঝতে পারে এবং তারপর নিজের থেকেই ক্লাস থেকে বেরিয়ে যায়। স্রোত খুব ভালো ভাবেই বুঝে গিয়েছে স্যার তার ব্যাক্তিগত শত্রুতা থেকে এসব করছে।

অন্যদিকে, বেসামাল হয়ে মাটিতে পড়ে যায় অবিনাশ। রাইকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে নিজের শ্বশুর মশাইয়ের সমস্ত দায়িত্ব নিয়েছিল নিলু, কিন্তু সেই দায়িত্ব সে পালন করতে পারেনি। এটা দেখে সৌর্য তাকে বলে, ঠিক যেমন করে সে তার দিদিকে বাড়ি থেকে বার করে দিয়েছে, এখন ইচ্ছে করছে নিলুকেও ঠিক একই ভাবে ঘাড় ধরে বাড়ি থেকে বার করে দিতে। যখন সে দায়িত্ত্ব সামলাতেই পারবে না তখন দায়িত্ত্ব নিয়েছিল কেনো? সৌর্য প্রচন্ড রেগে যায় নিলুর উপর। নিলু বারবার ক্ষমা চায়, কিন্তু বাড়ি শুদ্ধু লোক তাকে দোষারোপ করতে থাকে। সৌর্য বলে, “রাই যতটা মনোযোগ দিয়ে নিজের কাজ করতো, তুমি তার বিন্দু মাত্রই করোনা। তাই আমি রাইকে ফিরিয়ে আনতে যাচ্ছি।” এসব শুনে ভীষন রেগে যায় নিলু।

Back to top button