নিজের উচ্ছে বাবুকে সেরা নায়কের পুরস্কার পেতে দেখে আনন্দ ধরছেনা মিঠাই রনির! ক্যামেরায় সেই ছবি ধরা পড়তেই খুশি মিঠাই ভক্তরা

সারাবছর যাঁরা প্রতি সন্ধ্যায় আমাদের ড্রয়িংরুম আলো করে থাকেন, যাঁদের প্রতিটা চরিত্রই মানুষের মনে জায়গা করে নেয়। একটা সময় চরিত্রগুলোই হয়ে ওঠে তাঁদের পরিচয়। সেই সমস্ত ফিকশন/নন-ফিকশনকে প্রতি বছর সম্মান জানায় জি-বাংলা। দর্শকের থেকে বিচারকের বিচারে তৈরি হয় তালিকা। জি বাংলা সোনার সংসার সম্মানে সম্মানিত এবারেও বহু নামজাদা ধারাবাহিক। যাঁদের পারফরমেন্স দেখতে মুখিয়ে থাকেন প্রতিদিন দর্শক।
জি বাংলা সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড মানে শুধুই পুরস্কার ঘোষণা নয়, নানা অনুষ্ঠানে প্রতিবারের মতোই এবারও মেতে উঠেছিল বিনোদনের মঞ্চ। নাচ, গান, মজা, খুনসুটিতে মেতে উঠেছিল মঞ্চ। অঙ্কুশ-শুভশ্রীর সঞ্চালনায় একেবারে জমজমাট মঞ্চ। মাঝেমধ্যেই তাঁদের দুষ্টু-মিস্টি কথায় গোটা হলজুড়ে হাততালির রোল উঠেছিল। সোনার সংসারের মতো এত বড় একটি মিলন মেলা, আর সেখানে জমজমাট খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন থাকবে না, তা কি হয়!
জি বাংলার ধারাবাহিক গুলিকে বিশেষ সম্মান দিতে অনুষ্ঠিত হলো সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড যেখানে জি বাংলার প্রত্যেকটি ধারাবাহিক উপযুক্ত সম্মান পেয়েছে। যারা এখন চলছে বা যে ধারাবাহিক বন্ধ হয়েছে সবাই মিলেই উপস্থিত হয়েছিলেন এই সংসারিক অনুষ্ঠানে। কারণ সব মিলিয়ে তো একটা পরিবার।

জি বাংলা সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড-এর কিছু ক্ষেত্রে পছন্দের তারকারা পুরস্কার জিতেছে কিছু ক্ষেত্রে আবার পুরস্কার বিতরণ একদমই মন মত হয়নি ভক্তদের। তবে সেরা নায়কের পুরস্কার হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন আদৃত রায়। মিঠাইয়ের উচ্ছে বাবুকে সেরা নায়কের অ্যাওয়ার্ড পেতে দেখে প্রত্যেকটা দর্শকই খুব খুশি।
সেরা বর হিসেবে পুরস্কার পায়নি আদৃত সেই সময় অনেক ভক্তদেরই মন ভেঙ্গে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জি বাংলা প্রাপ্য সম্মান দিয়েছে মিঠাইয়ের উচ্ছেবাবুকে। সেরা নায়কের পুরস্কার জিতেছেন আদৃত রায়। আরো আনন্দের বিষয় হলো যখন মঞ্চে আদৃত পুরস্কার নিতে ওঠেন তখন সব থেকে বেশি খুশি বোধহয় হয়েছিলেন মিঠাই নিজে। আর সেটাই যেন ফুটে উঠলো স্ক্রিনে। সৌমির ঝলমলে চেহারাই তার খুশি হওয়ার প্রমাণ দিচ্ছিল। তবে এই দৃশ্য নজর এড়ায়নি কারোর। যারা টিভির পর্দায় এই অনুষ্ঠান দেখছিলেন তারাও মিঠাইয়ের মুখে এক অমাইক আনন্দ লক্ষ্য করেছিলেন। সেই নিয়েই এক ভক্ত লিখলেন, ’আদ্রিতকে যখন সেরা নায়কের অ্যাওয়ার্ড এর জন্য মঞ্চে ডাকল তখন সব থেকে বেশি খুশি হয়েছে এই মেয়ে টা’।

