শ্যামলীকে ব্যবসার অনেক বড় দায়িত্ব দিল সূর্য! অনিকেতকে ডিভোর্স পেপারে সই করতে বাধ্য করলো মামনি!

এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বেশ জমে উঠেছে অপেক্ষাকৃত নবাগত ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রথম পাঁচে নিজেদের জায়গা দখল করেছে এই ধারাবাহিকটি। বর্তমানে এর প্রত্যেকটি প্লট বেশ আকর্ষণীয় ও মনোগ্রাহী হয়ে উঠছে দর্শক মহলের কাছে। এই ধারাবাহিকে নায়িকাকে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলী অনিকেতের বোন রোহিনীকে অনেক বড় একটা বিপদের হাত থেকে বাঁচায়। সে যদি না থাকতো তাহলে রোহিনী একটা অত্যন্ত খারাপ, লোভী, চিটিংবাজ ছেলের পাল্লায় পড়তো আর তার সমগ্র জীবনটা একেবারে নষ্ট হয়ে যেত। শেষ মুহূর্তে দেবদূতের মতন উদয় হয়ে শ্যামলী গোটা বিষয়টাকে সামলায় এবং অনিকেতের বোনকে রক্ষা করে। শ্যামলীর উপকার কিছুতেই ভুলতে পারে না জোড়া পরিবার।
কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ১৫ মে (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 15 may)
রোহিনীকে ভরসা যোগালো শ্যামলী
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্যামলী ওই সৌনক এবং প্রতীক দুজনকেই লাঠি দিয়ে পেটায় আর তারপর পুলিশ এসে তাদেরকে ধরে নিয়ে যায়। সকাল হতেই রোহিনী আবার সেই একই বিষয় নিয়ে মন খারাপ করতে থাকে। তখন তাকে শ্যামলী বলে, ওই খারাপ ছেলেগুলোর জন্য রোহিনী কিছুতেই নিজের জীবনটা নষ্ট করতে পারে না। তাকে আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে হবে। নানা রকম কথাবার্তার মধ্যে দিয়ে রোহিনীকে ভরসা যোগানোর চেষ্টা করে শ্যামলী।
শ্যামলীকে অনেক বড় পুরস্কার দিল সূর্য
সূর্য বাড়ির সকলের উপস্থিতিতে শ্যামলীকে ডাকে। সে শ্যামলীর হাতে একটা খাতা তুলে দেয় উপহার স্বরূপ। সূর্য বলে, “কোন অর্ডার এলে তার সমস্ত জিনিসপত্র জায়গা মত যাওয়ার আগে সেগুলো সব মিলিয়ে নিয়ে এই খাতায় একটা সই করতে হয়। এবার থেকে সেটা তুমি করবে। দ্য গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারের প্রধান হিসেব রক্ষকের পদ আজ থেকে তোমার।” এত বড় একটা পুরস্কার পেয়ে বাক্যহারা হয়ে যায় শ্যামলী। পাশাপাশি বড় নাতির বউ হিসেবে তার গলায় একটা বড় সোনার হার পরিয়ে দেয় ঠাম্মি। আর চুপ করে বসে থাকতে পারেনা অপরাজিতা।
আরও পড়ুন: স্রোতের অবস্থা দেখে তার কাছে ক্ষমা চাইলো সার্থক, নিলুর কীর্তি শুনে মাথা নিচু হয়ে গেলো রাইয়ের!
মায়ের চাপে ডিভোর্স পেপারে সই করতে বাধ্য হল নায়ক
অপরাজিতা সবার সামনে বলে, সে শ্যামলীকে এই বোঝা থেকে মুক্তি দেবে। যে মেয়েকে তার স্বামী চায় না, যে মেয়ে স্বামীর ভালোবাসা পায় না সে কেন এই বাড়িতে পড়ে থাকবে? এই বলে সে অনিকেতকে নিয়ে ঘরে চলে যায় আর তাড়াতাড়ি ডিভোর্স পেপারটা বার করতে বলে। অপরাজিতা রীতিমতো চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে অনিকেতের ওপর। বাধ্য হয়ে ধীরে ধীরে ডিভোর্স পেপারটা নেওয়ার দিকে এগিয়ে যায় অনিকেত। অন্যদিকে এসব দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে শ্যামলী।

