পারুলের থাপ্পড়ে জ্ঞান হারালো শিরিন! পারুলকে বিপদে ফেলতে শিরিনের নতুন চাল! ফাঁ’স আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে পারুল সবাইকে জানিয়ে দেয় বাড়িতে রায়ানের উপর নজর রাখার কথা। রায়ান যদি শিরিন এর সাথে বেশি বাড়াবাড়ি রায়ান করে তাহলে সোজা পুলিশের কাছে যাবে পারুল। তার জন্য সবাই মিলে রায়ানের উপর নজরদারি শুরু করে। রায়ান শিরিনকে ফোন করার জন্য তার দাদার হাত থেকে ফোন নিয়ে কাড়াকাড়ি করছিল। আর ঠিক তখনই জলের মধ্যে পড়ে যায় রায়ানের ফোন। জলে পরে যাওয়ায় রায়ানের ফোন একেবারেই অকেজো হয়ে যায়। অন্যদিকে শিরিন কিভাবে পারুলকে বিপদে ফেলবে সেই প্ল্যান করতে থাকে। আর তখনই শিরিনের বাড়ির দরজার বেল বেজে ওঠে। শিরিন ভাবে রায়ান এসেছে, তাই অভিমান করে তার বাবাকে বলে দরজা খুলতে। কিন্তু দরজা খুলে দেখে বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে পারুল।

পারুল এসে শিরিনের বাবার কাছে শিরিনের নামে অভিযোগ করে। পারুল বলে শিরিন তার বরকে নিয়ে টানাটানি করছে, রায়ান তার স্বামী। তাদের অগ্নিসাক্ষী করে বিয়ে হয়েছে আর সেটা শিরিনের নিজেও জানে। কিন্তু তারপরও শিরিন রায়ানের পিছন পিছন ঘুরে বেড়ায়। তিনি যেন শিরিনকে সাবধান করে দেয়। কারণ যদি পারুল আর বাড়াবাড়ি দেখে তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেবে। তারপর পারুল বাড়ি ফিরে আসে। পারুল যে শিরিনের বাবার কাছে গিয়ে নালিশ করে এসেছে সেটা জানায়। আর রায়ান সেটা সহ্য করতে না পেরে পারুলের গলা টিপে ধরে। আর তখনই দাদু পিছন থেকে এসে রায়ানের পিঠে চাবুকের বাড়ি মারে। বাড়ির বউয়ের গায়ে হাত তোলার শাস্তি পায় রায়ান।

রায়ানের কোনো যুক্তি আর খাটে না। পারুলের কাজকে সমর্থন করে সকলে। তারপর পারুলের মনে পড়ে কাল কলেজের ফিস জমা করার শেষ দিন। পারুলের মুখে টাকা জমা দেওয়ার কথা শুনে দাদু ভাবে পারুল হয়তো ওই প্রফেসরের থেকে টাকা নিয়েছে। কিন্তু পারুল বলে সে টাকা জোগাড় করার জন্য ডেলিভারির কাজ নিয়েছিল। সেখান থেকেই নিজের পড়াশুনার টাকা জোগাড় করেছে। পারুলের জন্য আবারও গর্বে বুক ফুলে যায়। তারপরই দাদু বলে সামনেই পয়লা বৈশাখ সোনার দোকান বড় করে হালখাতা হয় রায়ান তো থাকে না পারুল চাইলে তার বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে আসতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  শালিনীর পর্দা ফাঁ’স! গেমস ভিলাতেই ফুলকির কাছে হাতে নাতে ধরা পড়ল শালিনী! ফাঁস আজকের পর্ব

এরপর পরের দিন শিরিন গিয়ে কলেজে সবাইকে সবটা বলে। আর তখনই রায়ানের হাত ধরে কলেজে ঢোকে পারুল। সবাই তো এই দৃশ্য দেখে অবাক। পারুল তার বন্ধু ওমকারকেও বলে দেয় রায়ানের উপর নজর রাখতে। রায়ান যেন শিরিনের আসে পাশেও না যেতে পারে। পারুলের কথা মতন সারা কলেজে রায়ানের উপর নজরদারি চলে। ওদিকে পারুল তার বন্ধু-বান্ধবদের নেমন্তন্ন করে হালখাতার জন্য। তুর্য তখন জানতে পারে পারুলের দাদুর সোনার দোকান তখন। তুর্য মনে মনে ভাবে তার দাদুকে এরকম সোনার দোকানের এক কর্মচারী মেরেছিল তাই সেনিশ্চয়ই যাবে। পারুলের অত্যাচারে বিরক্ত হয়ে ওঠে রায়ান। তারপর বাড়ির ফেরার পথে সুযোগ বুঝে শিরিনের সাথে প্ল্যান করে কিভাবে পারুলকে জীবন থেকে সরানো যায়। পরের দিন যখন সবাই কলেজে এসেছে তখন পারুলকে সমানে ধাক্কা মারতে থাকে শিরিনএবং রায়ানের জীবন থেকে সরে যেতে বলে। পারুল তখন বাধ্য হয় শিরিনকে থাপ্পর মারে আর শিরিন অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায় মাটিতে। সবাই তো শিরিনকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। রায়ান এসে পারুলকে দোষ দিতে থাকে।

Back to top button