শাশুড়ির চোখে এড়িয়ে বিপাশার বাড়ি গিয়েও শেষ রক্ষা হলো না শিমুলের! শাশুড়ি এবং স্বামীর কাছে হাতে নাতে ধরা পড়ে গেল সে

সম্প্রতি জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় পর্দায় শুরু হয়েছে একটি নতুন ধারাবাহিক ‘কার কাছে কই মনের কথা’ (Kar Kache Koi Moner Kotha)। ধারাবাহিকের নামেই রয়েছে একটা আবেগ। নামেই বোঝা যাচ্ছে বাড়ির বউদের মনের কথা বোঝার মতো কেউ নেই, মনের কথা কাউকেই বলতে পারেনা। সদ্য বিয়ের পর একটি মেয়ের জীবনে কি কি বিপর্যয় নেমে আসতে পারে তারই একটি উপমা তুলে ধরেছে এই ধারাবাহিক।

বিপাশার তার শাশুড়ির সাথে মধুর সম্পর্ক

কিছু শাশুড়ি বউ মা যে মা মেয়েও হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ দিল শিমুলের প্রতিবেশী বন্ধু বিপাশা এবং তার শাশুড়ি। এ দিনের পর্বে দেখা যায় সবাইকে খাবার দাবার দিচ্ছে বিপাশা। কিন্তু সে কড়া সুরে শাশুড়িকে বলে যে “তুমি কিন্তু একটাও মিষ্টিতে হাত দেবে না তোমার সুগার কিন্তু খুব বেড়ে গেছিল।” এ শুনে শাশুড়ি বলে তার উপর এমন অত্যাচার করলে সে তার মেয়ের বাড়ি চলে যাবে। এই বলে রাগ করে ঘরে চলে যায় সে। তখন বিপাশা তার বন্ধুদের বলে “রাগ করলে কি হবে মেয়ের বাড়ি গিয়েও উনি বলেন বিপাশা আমায় যা যত্ন করে তুইও সেটা করতে পারিস না।”

শিমুল কিছুতেই শান্তি পায় না

এত হাসি-ঠাট্টা আনন্দের মাঝেও শিমুলের মন পড়ে থাকে বাড়িতে। সে ভাবতে থাকে যদি তার শাশুড়ি মা উঠে পড়ে, যদি পরাগ চলে আসে তখন কি হবে। আগের দিন গান গাওয়া নিয়ে যে অপমান অসম্মানের সম্মুখীন হতে হয়েছে তাকে সেটা সে কখনোই ভুলবে না। তাই কোন কিছুতেই শান্তি পায় না সে। তাকে সবাই মিলে তাকে একটা গান করতে বলে ঠিক সেই সময় পুতুল আগের দিন তাদের বাড়িতে ঘটা ঘটনাগুলো তাদেরকে বলে। বিপাশা, সুচরিতা সব শুনে ভেবে পায় না গান গাইলে কিসের সমস্যা?

ধরা পড়ে গেল শিমুল

শিমুলের কপালটা সত্যিই খারাপ। নতুন বউ কোথায় আনন্দ করে থাকবে তা নয় সব সময় তাকে ভয় ভয় থাকতে হয়। মাঝে মাঝে সে বুঝে পায় না এটা তার শ্বশুরবাড়ি নাকি জেলখানা। অবশেষে শিমুলের ভয়টাকে সত্যি করে সময়ের খানিক আগেই বাড়ি ফিরে এলো পরাগ আর পলাশ। তাদের দরজা ধাক্কা দেওয়ায় ঘুম ভেঙে গেল শাশুড়ির। কিন্তু দরজা যে বাইরে থেকে বন্ধ কারণ তালা দিয়ে গিয়েছে শিমুল।

সবার কাছে সবটা পরিষ্কার হয়ে গেল। পরাগের বুঝতে বাকি রইল না যে আগের দিন শিমুলকে যারা নেমন্তন্ন করতে এসেছিল তাদের বাড়িতেই গেছে সে। ভিতর থেকে শিমুলের শাশুড়ি রেগে আগুন। পরাগ বলে শিমুল আজকে বাড়ি ফিরলে তার কপালে অনেক দুঃখ আছে। সাধারণভাবে দেখতে গেলে শিমুল কোন ভুল করেনি। কিন্তু শিমুলের শ্বশুরবাড়ি এতটাই নিচু মানুষিকতা সম্পন্ন যে শিমুলের করা প্রত্যেকটি কাজকেই ভুল প্রতিপন্ন করতে ব্যস্ত তারা। এর পর কি তবে বাড়ি থেকে বেরোনোই বন্ধ হয়ে যাবে শিমুলের?

Back to top button