শাশুড়ির কথায় নাকখত দিল শিমুল, প্রায়শ্চিত্ত নামে বধূ নির্যাতন পর্ব দেখে চটলো দর্শক

পাশের বাড়ি যাওয়ার প্রায়শ্চিত্ত নাকখত! শিমুলের ওপর অ'ত্যা'চার দেখিয়ে টিআরপি টানার চেষ্টা, জঘন্য দৃশ্য 'কার কাছে কই মণের কথা'য়

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) একটি সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। শুরু হওয়ার পর থেকেই স্লট জিততে শুরু করেছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকের বাস্তবিক প্লট মন জিতে নিয়েছে দর্শকদের। বিয়ের পর একটি মেয়ের জীবনে ঠিক কি কি বিপদ আসতে পারে এবং সেগুলি থেকে কিভাবে উদ্ধার পাওয়া যায় এই সমস্ত কিছু নিয়েই এগোচ্ছে গল্প।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী পুতুলদির কথা রাখতে শিমুল তার প্রতিবেশী বিপাশার বাড়িতে নেমন্তন্ন রক্ষা করতে যায়। যাতে কেউ ঢুকতে না পারে তাই বাইরে থেকে তালা দিয়ে গিয়েছিল শিমুল। সে বুঝতে পারেনি এত তাড়াতাড়ি তার স্বামী এবং দেওর বাড়ি ফিরে আসবে। তারা তাড়াতাড়ি ফিরে আসায় ঘরে ঢুকতে না পেরে প্রচন্ড রেগে যায় শিমুলের ওপর। শিমুলকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

উচিত কথা বলল পুতুল

শিমুলকে নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং এক দফা অপমান করার জন্য ডাকা হয় শিমুলের মাকে। শিমুলের মা তার ছোট বৌদি দাদা সবাই ওখানে পৌঁছলে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন অনেক কথা শোনায় তাদের। নিরুপায় হয়ে শিমুলের মা শিমুলকে ব্যাগ পত্র গুছিয়ে নিতে বলে। আর এ কথাও বলে যে সে যা পেনশন পায় আর শিমুল যা টিউশনি পড়ায় সেই দিয়েই তাদের সংসার চলে যাবে। তখন পুতুল তার মাকে বলে তার ছোট ছেলে আর ছোট ছেলের বউ কিন্তু পুতুলকে দেখবে না। দেখার হলে তার বড় ছেলের বউই দেখবে। তাই এই ভুলটা যেন সে না করে।

নিজের অধিকার বুঝে নিল শিমুল

প্রথমদিকে শিমুলও নিজের শশুর বাড়ি ছেড়ে যেতে চায় না। সে বলে বিয়ে করে সে নিজের বাড়ি চলে যাওয়ার জন্য আসেনি। এই বাড়িতে থাকা তার অধিকার এই বাড়িটা তারও। তাই সে সেখান থেকে যাবে না। শিমুলের কথা শুনে শিমুলের মাকে অপমান করে পলাশ। শেষমেষ শিমুল যাওয়ার জন্য জামা কাপড় গোছাতে যাওয়ার উপক্রম করলে তার শাশুড়ি মা তাকে আটকায়। আর তারপর শিমুলকে নাকখত দিতে বলে।

নাকখত দিল শিমুল

এমন কথা শুনে শিমুলের মা, বৌদি পুতুল প্রত্যেকে শিমুলকে বলে এই কাজ যেন সে না করে। শিমুলের মা শাশুড়িকে বলে শিমুল এমন কিছু করেনি যে এই শাস্তি তাকে পেতে হবে। কিন্তু শিমুল বলে যে সেই শাস্তি মাথা পেতে নেবে। এই কাজটা করলে যদি তার মা শান্তিতে বাড়ি যেতে পারে তার দাদারা ভালো থাকতে পারে তাহলে সে সব সহ্য করতে পারবে। এই বলে মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসলেই তার শাশুড়ি মা বলে আর নাটক করতে হবে না। এরপর যদি আর এমন ভুল হয় তাহলে সোজা বাড়ি থেকে বার করে দেবো। শিমুল যা করেছে তাতে এত বড় শাস্তির বা এত অপমানের কোন প্রয়োজন ছিল না। শিমুলের প্রতি এই অবিচারকে ধিক্কার জানাচ্ছে দর্শকমহল।

Back to top button