এত বড় অপমান শিমুলকে করতে পারবে না পরাগ, এতদিনে তার কথায় খুশি দর্শক,

"শিমুলকে আমি মারতে পারবো না, সেই শিক্ষা আমার নেই", পরাগের কথা শুনে অবাক পলাশ

এই মুহূর্তে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে অনেকগুলি ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হচ্ছে। তার মধ্যে সবথেকে বাস্তববাদী চিন্তাধারার প্রতিফলন ঘটছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar Kache Koi moner kotha) ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে। এই ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) সমাজের কিছু অপ্রিয় সত্যি তুলে ধরেছে। কঠিন বাস্তবকে টেলিভিশনের (Bengali Television) পর্দায় দৃশ্যায়িত করছে।

কিছু দর্শক আছেন যারা এই ধারাবাহিকটিকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছেন না তাই এই ধারাবাহিকের তীব্র সমালোচনা করছেন আবার কিছু দর্শক (Audience) ধারাবাহিকের সাথে নিজের জীবনের অনেক মিল খুঁজে পাচ্ছেন। ফলে ধারাবাহিকটি নেগেটিভ এবং পজিটিভ দুই ধরনের পাবলিসিটি অর্জন করছে। শুরু হওয়ার পর থেকেই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে এই ধারাবাহিক।

এ দিনের পর্বে দেখা যায় পরাগের মা রান্নাঘরে রান্না করতে করতে বলতে থাকে, “দুদিনের জন্য আমার উপকার করে কি লাভ হল? আমার ছেলেদুটোকে বশ করার জন্য দুদিন নাটক চললো তারপর সেই এই বুড়িটাকেই খেটে মরতে হচ্ছে।” তখন পলাশ বলে “তুমি ওর জন্য রান্না করবে না।”

অন্যদিকে শিমুল নিজের ব্যাগ পত্র গুছিয়ে নিয়েছে। আর পুতুল দি শিমুলের সামনে কেঁদে ভাসাচ্ছে। পুতুল শিমুলকে বারবার অনুরোধ করছে যেন সে না যায়। শিমুল আসার পর থেকে এই বাড়িতে একটু ভালোবাসা একটু সুখ শান্তি খুঁজে পেয়েছিল পুতুল। শিমুল চলে গেলে সব হারিয়ে যাবে। শিমুলকে বলে লাভ হবে না বুঝতে পেরে নিচে চলে আসে পুতুল। নিচে এসে দুই দাদা আর মাকে দোষারোপ করতে থাকে সে।

এত ঝামেলা অশান্তি সহ্য করতে না পেরে পরাগ তার মাকে বলে, “আমি তো সবই পারি মা আমি তোমার সাহায্য করে দিচ্ছি। আগে ঠিক যেমনকরে করে দিতাম ঠিক তেমন করে করে দিচ্ছি।” সেই শুনে পরাগের মা পরাগকে কোন কাজ করতে বারণ করে। তার মা বলে “থাক অনেক হয়েছে তোমাকে কিছু করতে হবে না তুমি গিয়ে বউয়ের রাগ ভাঙ্গাও।” এই শুনে পলাশ বলে, “তোর যত হবিতম্বি আমাদের সামনে, রাতে বউয়ের কাছে গিয়ে সব শান্ত হয়ে যায়। এটা প্রতীক্ষা হলে আমি মেরেই দিতাম।” এই কথার তীব্র প্রতিবাদ করে পরাগ, সে বলে, “শিমুল আমার স্ত্রী ওর গায়ে আমি কখনোই হাত তুলতে পারবো না আমার রুচি এমন নয়। আর আমি একজন শিক্ষক বাচ্চাদের শিক্ষা দিয়ে আমি। এমন কুশিক্ষা আমার নেই। এসব বলার আগে দ্বিতীয়বার ভেবে কথা বলিস।” দাদার মুখে এসব শুনে অবাক হয়ে যায় পলাশ।

Back to top button