পরাগ পলাশকে না খাইয়ে উচিত শিক্ষা দিলো মধুবালা, শাশুড়ির কাণ্ডে খুশি শিমুল! 

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। ধারাবাহিকের এপিসোড গুলি এতটাই জমে উঠেছে যে, টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে স্থান করে নিয়েছে এই মেগা। ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের চরিত্রে রয়েছেন মানালি দে এবং নায়ক পরাগের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে দ্রোণ মুখোপাধ্যায়কে। ধারাবাহিকটির বাস্তববাদী গল্পের জন্য শুরু থেকেই ভীষণ পছন্দ করছেন দর্শক মহল।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নিজেকে ভালোবেসে নিজের মতন করে বাঁচতে শিখেছে শিমুল আর মধুবালা। তবে তাদের এই সুখ এই বদল একেবারেই সহ্য করতে পারছে না পরাগ আর পলাশ। শিমুল তার শাশুড়ি মা ননদ এবং প্রতিবেশী বান্ধবীদের নিয়ে হৈ-হুল্লোড় করে পাড়ার মধ্যেই একটা দুর্গা পূজা করতে চায়, আর এটা আটকাতেই এখন উঠে পড়ে লেগেছে দুই ছেলে।

ইতিমধ্যেই দর্শকরা দেখেছেন ইচ্ছে করে দরজায় তালা মেরে চাবি নিয়ে অফিস চলে যায় পরাগ। সে চেয়েছিল মা বউ এবং দিদি যেন সারাদিন কিচ্ছু না খেতে পায়। আর ঠিক তেমনটাই হয়েছে। তাই এবার মধুবালাও বেশ আচ্ছা করে শিক্ষা দিয়েছে তার দুই ছেলেকে। সে বহুদিন পর খুব সুন্দর করে রান্না করে কিন্তু ছেলেদের না দিয়েই নিজেরা খেতে বসে যায়। ছেলেরা এসে যখন দেখে তাদের জন্য খাবার নেই তখন চোটপাট করা শুরু করে।

তখন মধুবালার বলা কথাগুলো অবাক হয়ে শুনতে থাকে শিমুল। মধুবালা বলে তার ছেলেরা একবারও ভাবেনি, অসুস্থ দিদি টা বুড়িমাটা সকাল থেকে কি খাবে। সব ভালোবাসা সব ভালোবাসা সব দায়িত্ব কর্তব্য একা মায়ের? ছেলেদের কোন দায়িত্ব নেই? তারা যখন মায়ের কথা ভাবিনি, তাই মাও তাদের কথা ভাববে না।

এবার থেকে মধুবালা ইচ্ছে করলে তার ছেলেদের জন্য রান্না করবে, আর ইচ্ছে না করলে করবে না। এটা তার বাড়ি আর তার নিয়মই চলবে। যদি পলাশ নিজেকে পাল্টাতে পারে তবে তার বিয়েতে সে থাকবে নইলে থাকবে না। এসব শুনে হতবাক হয়ে যায় পরাগ আর পলাশ। পরের দিন মা দুর্গা চলে আসে শিমুলদের পাড়ায়। আর সেখানে সমস্ত বান্ধবীদের তার শাশুড়ি মায়ের এমন কাণ্ডের ঘটনা শোনায় শিমুল। এসব শুনে খুব খুশি হয় প্রত্যেকে।

Back to top button