নিলুর কা’রসা’জি ধরে ফেলল ডোরা! স্রোতের কলেজ না আসায় নিজের ভুল বুঝতে পারলো সার্থক! বস থেকে শিক্ষক হয়ে উঠল অনির্বাণ!

এই মুহূর্তে তিন বোনের তিনটি গল্প দর্শকদের সামনে তুলে ধরছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকটি। এক বোন নিজের শশুরবাড়ি নিয়ে ব্যস্ত। আরেক বোন নিজের পড়াশোনা নিয়ে এবং আর একজন অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়িকা ব্যস্ত নিজের চাকরি নিয়ে। কারণ সেই বর্তমানে তার পরিবারের মাথা। যত দিন যাচ্ছে ততই আরো বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিকের কাহিনী।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নিলু নিজের শশুরবাড়ির প্রত্যেকের মনোযোগ নিজের দিকে ঘোরানোর জন্য অনেক বড়ো একটা মিথ্যের আশ্রয় নিয়েছে। নিলু বলেছে মা হতে চলেছে সে। শুধু মাত্র নিজের শশুর মশাই এর সেবা করার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এবং স্বামীর মন জিতে নিতে এত বড়ো একটা মিথ্যের আশ্রয় নিতে একবারও ভাবেনি নিলু। তবে এইভাবে যে খুব বেশিদিন এসব চাপা দিয়ে রাখা যায় না সেটা বুঝতে পারছে সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নিলুকে বারবার ডাক্তারের কাছে যাওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে থাকে তার স্বামী সৌর্য। কিন্তু নিলু কিছুতেই রাজি হতে চায় না। ডোরা তখন নিজের সন্দেহের কথা সবার সামনে বলে। সে বলে, দুই মাসের মধ্যেই নিলু গর্ভবতী হয়ে গেলো! ব্যাপারটা ঠিক বিশ্বাস যোগ্য নয়। নিলু তখন সৌর্যকে বলে, ডোরা তাকে অপমান করছে। যাই হোক নিলুকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সৌর্যকে টলানো যায় না। তখন বাধ্য হয়ে নিলু বলে, “ঠিকাছে আমি আজকেই যাবো তবে আমি একজন মেয়ের সাথে যেতে চাই। কারণ এটা মেয়েদের বিষয়।” এতে কোনো আপত্তি জানায় না সৌর্য।

অন্যদিকে, স্রোত আজ আর কলেজ যায়নি। তবে তাকে বেরোতে হবে কারণ কোন কলেজে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে, কোথায় কি সুযোগ সুবিধা আছে সেসব সেই সব তাকে জানতে হবে। সে মনে মনে ভাবে, আজ সার্থক স্যার অনেক খুশি হবেন কারণ তার অপ্রিয় ছাত্রী তার ক্লাসে নেই। এদিকে নাম ডাকার সময় স্রোতকে অনুপস্থিত দেখে সার্থক ভাবে, “আসুক দেরি করে, ঢুকতে দেবো না।” মন খারাপ হয়ে যায় স্রোতের বন্ধুদের। তারা বুঝতে পারে স্যার এর জন্য স্রোত আজ কলেজে আসেনি। কারণ কামাই করার মেয়ে সে নয়।

আরো পড়ুন: নতুন প্রজেক্ট নিয়ে কামব্যাক করছেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা! খল চরিত্রে থাকছেন জনপ্রিয় টলি অভিনেতা, জানলে চমকাবেন আপনিও

এদিকে, রাই চলে আসে অনির্বাণের কেবিনে। কারণ তার একটা গুরুত্বপূর্ণ ফাইল চেক করানোর ছিল। অনির্বাণ বলে, “আপনি তো দেখেছেন একবার, আপনার নিজের উপর কোন আত্মবিশ্বাস নেই?” তখন রাই বলে, “আত্মবিশ্বাস আছে কিন্তু অত্যাধিক আত্মবিশ্বাস নেই, তাই মনে হল যে করিয়ে নেওয়াটাই ভালো।” এরপর অনির্বাণ রাইকে বেশ কিছু ইংরেজী বর্ণ শেখায়। রাই অত্যন্ত উৎসাহের সাথে অনির্বাণের শেখানো জিনিস গুলো অধ্যয়ন করে। এরপর অনির্বাণ রাইকে এক কাপ চা খাওয়ার কথা বললে রাই বলে, “আমার আপনার কেবিনে এতক্ষণ থাকাটা অনেকেই পছন্দ করে না।” অনির্বাণ বলে, কে কি ভাবলো তাতে কিছু আসে যায় না কারণ এটা তার অফিস। তখন রাজি হয়ে যায় রাই।

Back to top button