অনির্বাণকে চা খাওয়াতে গিয়ে মহা বি’পা’কে রাই! স্রোতের অনুপস্থিতিতে অ’স্থির সার্থক, নিজেই চলে গেল ছাত্রীর বাড়ি!

ঝগড়া অপমান এর মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা অত্যন্ত খারাপ একটি সম্পর্কেও যে একটা মানুষকে এবং তার অনুপস্থিতিকে অনুভব করা যায়, সেটাই আজ দেখিয়ে দিল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের আরেক নায়ক সার্থক। এই ধারাবাহিকের পর্ব গুলি ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। টিআরপি তালিকায় একটু একটু করে উপরের দিকে উঠছে এই ধারাবাহিক। তিন বোনের গল্পই এখন এই ধারাবাহিকের প্রধান প্লট।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, স্রোত ঠিক করেছ সে আর অপমান সহ্য করতে পারবে না তাই ওই কলেজে সে আর পড়বে না। স্রোত সেইদিন আর কলেজ যায়নি। অন্যান্য কলেজে গিয়ে সে খোঁজ নিচ্ছে কথায় ভর্তি নিচ্ছে। আর অন্যদিকে রাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও বেশ অস্বস্তির সাথেই অনির্বাণের সাথে চা খাচ্ছে। তবে বিষয়টা যে অফিসের বাকি সহকর্মীরা পছন্দ করছে না সেটা রাই খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্রোত কলেজে আসেনি তাই স্যার এর মন বসছে না ক্লাসে। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এমনটাই হচ্ছে সার্থকের সাথে। বারবার স্রোতের কথাই মনে পড়ছে তার। সে ক্লাসের সবাইকে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেয়, যারা আজকে আসেনি তাদেরকে কালকে কোনরকম হেল্প করা হবে না। স্রোতের কয়েকজন বন্ধু বলে ওঠে, কারোর তো পারিবারিক সমস্যা বা শারীরিক অসুস্থতাও থাকতে পারে। কিন্তু সার্থক নিজের বিচার বুদ্ধি বিবেচনা এমন ভাবে হারিয়ে ফেলেছে যে এই সাভাবিক বিষয়টাও তার মাথায় ঢুকছে না।

সার্থক লাইব্রেরীতে গিয়ে একটা বই খুঁজতে থাকে। এখানে সে জানতে পারে এই বইটা স্রোত নিয়ে গিয়েছে। এটা শুনে রেগে যায় সার্থক আর বলে ওঠে, এত গুরুত্বপূর্ণ একটা বই কি করে কেউ নিয়ে চলে যেতে পারে। এরপর সে স্রোতের কিছু বন্ধুকে বলে বইটা তার বাড়ি থেকে নিয়ে আসতে। তবে তারা যেন না বলে যে বইটা স্যারের দরকার। এদিকে অনির্বাণের কেবিনে গিয়ে তার অনুরোধে রাই চা বানিয়ে তাকে খাওয়ায়। অনির্বাণ রাইয়ের হাতের চায়ের অনেক প্রশংসা করে। স্যার এর কথায় রাইও চা খেতে বাধ্য হয়। এরপর অনির্বাণ রাইকে বলে সে যেন বাজারের লিস্টটা তাড়াতাড়ি বানিয়ে দেয়।

ঝগড়া অপমান এর মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা অত্যন্ত খারাপ একটি সম্পর্কেও যে একটা মানুষকে এবং তার অনুপস্থিতিকে অনুভব করা যায়, সেটাই আজ দেখিয়ে দিল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের আরেক নায়ক সার্থক। এই ধারাবাহিকের পর্ব গুলি ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। টিআরপি তালিকায় একটু একটু করে উপরের দিকে উঠছে এই ধারাবাহিক। তিন বোনের গল্পই এখন এই ধারাবাহিকের প্রধান প্লট।

আরো পড়ুন: ‘ভগবানকে পুজো করতেও আজকাল ভয় লাগে!’, রাজনৈতিক দল নিয়ে বিস্ফোরক শ্রুতি দাস!

এরপর নিজের টেবিলে ফিরতেই রাইকে সবাই নানা রকম ভাবে কথা শোনায়। রাই যে অনির্বাণকে চা বানিয়ে খাওয়ায় এটা খুব একটা পছন্দ নয়, বা খুব একটা ভালো চোখে দেখে না অন্যান্য সহকর্মীরা। রাই বুঝতে পারে সত্যি এটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। তাই সে সকল সহকর্মীদের চা খাওয়ায়। রাইয়ের একটা ফাইল দেওয়ার ছিল অনির্বাণকে। সে নিজে না গিয়ে অন্য একজনকে দিয়ে সেটা পাঠায়। বিষয়টা চোখে লাগে অনির্বাণের। সে বুঝতে পারে রাই এতোটা পছন্দ করছে না। সে ঠিক করে এবার থেকে বসের মতনই আচরণ করবে সে।

Back to top button