মেহেন্দির পাঠানো ছবি মাথা ঘুরিয়ে দিল বৈদেহির! ডিএনএ টেস্টের জন্য উঠে পড়ে লাগলো কৌশিকী!
ধারাবাহিকের নেতিবাচক চরিত্রগুলি যখন বদলে গিয়ে ইতিবাচক চরিত্রে পরিণত হয় তখন সেটা দর্শক মহলের কাছে বেশ আকর্ষণীয় একটি বিষয় হয়ে ওঠে। এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রীতেও (Jagaddhatri) ঠিক তেমনটাই হতে দেখা গিয়েছে। ধারাবাহিকের অন্যতম প্রধান খলনায়িকা মেহেন্দি একেবারে বদলে গিয়েছে। সে এখন তারে দিদি অন্ত প্রাণ। তার উদ্যোগেই প্রথমবার জামাইষষ্ঠী পেতে চলেছে স্বয়ম্ভু। টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে রয়েছে এই মেগা।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, মেহেন্দি উৎসবের সঙ্গে একটা বাজি ধরে। সে উৎসবকে বলে, তার মা নিজে স্বয়ম্ভু আর তার দিদি জগদ্ধাত্রীকে জামাইষষ্ঠীর জন্য নেমন্তন্ন করবে। মেহেন্দির কথা মিলে যায়। শুধু তাই নয় উৎসবকে ছেড়ে নিজের বড় জামাইয়ের প্রতি বেশি যত্নবান হয়ে ওঠে শকুন্তলা। এই বিষয়টা একেবারেই সহ্য করতে পারে না উৎসব। বাজিতে জিতে যায় মেহেন্দি।
জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ১৬ জুন (Jagaddhatri Today Episode 16 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্বয়ম্ভুকে আদর যত্ন করে খাইয়ে দেয় শকুন্তলা। যা দেখে ভীষণ রেগে যায় উৎসব। বড় জামাইকে আদর আপ্যায়ন করার পর ছোট জামাইয়ের দিকে ফলের বাটা এগিয়ে দেয় শকুন্তলা। স্বয়ম্ভু তখন বলে ওঠে, তার ভীষণ গরম লাগছে। শুনে শকুন্তলা তাড়াতাড়ি আবার নিজের বড় জামাইকে খাওয়া করতে থাকে। এত অবহেলা আর সহ্য করতে পারে না উৎসব।
শকুন্তলা হাসিখুশি ভাবেই কথা বলতে থাকে স্বয়ম্ভু আর জগদ্ধাত্রীর সাথে। জগদ্ধাত্রী কখনো কল্পনাও করতে পারেনি তার মা তাদের সাথে এত ভালো ব্যবহার করবে। সপ্তাহের সম্ভব হয়েছে মেহেন্দির জন্য। শকুন্তলার সাথে বড় জামাইয়ের সুন্দর কিছু ছবি চলে আসে কৌশিকীর ফোনে। এটা দেখে ভীষণ খুশি হয়ে যায় সে। তার সাথে সাথে বাড়ি প্রত্যেককে সেই ছবিটা দেখায় কৌশিকী। সবাই খুশি হলেও এই গোটা বিষয়টা কিছুতেই হজম করতে পারে না উৎসবের মা বৈদেহি। সে সঙ্গে সঙ্গে শকুন্তলাকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করে, জগদ্ধাত্রী তাদেরকে কোন প্যাঁচে ফেলেনি তো? শকুন্তলা বলে, এরকম কিছুই হয়নি। সে যা করেছে মন থেকে করেছে।
ডিএনএ টেস্ট করাতে উঠে পড়ে লাগলো কৌশিকী
এরপর কৌশিকী বলে, “অনেকদিন তো হলো বাড়ির ছেলে আর বাড়ির বউ বাড়ির বাইরে রয়েছে। এবার ওদেরকে বাড়িতে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। তার আগে কাকুমনির সাথে স্বয়ং ভুল ডিএনএ টেস্টটা করিয়ে ফেলতে হবে।” উৎসবের মা কিছুতেই এই ডিএনএ টেস্ট করাতে রাজি হয় না। সে বলে, কোন টেস্ট করানো হবে না। ওরা এই বাড়ির কেউ হয় না। কৌশিকী তার কথায় প্রচন্ড রেগে যায়। সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, যাই হয়ে যাক ডিএনএ টেস্ট তো হবেই। আর তাতে যদি ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যায় তাহলে স্বয়ম্ভুকে এই বাড়িতে নিয়ে আসতেই হবে।

