নিখোঁজ পারুল! জন্তুকে খুঁজে বের করতে এবার নতুন রূপে রায়ান! ফাঁ’স আজকের ধামকাদার পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে পারুল সবার সামনে তূর্যকে থাপ্পড় মারে। পারুলের জন্মদিনে সে পারুলকে বাড়ির লোকেরা চোখে ছোট করে দিয়েছে। এরপর সবাই মিলে তূর্যকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরের দিন হই হই করতে করতে পারল রায়ান একসাথে কলেজে যায়। পারুল কলেজে গিয়ে নিজের জন্মদিনের গল্প বলতে থাকে। তার বন্ধুদের দেখায় তাকে কি উপহার দিয়েছে রায়ান। সবাই তো অনেক প্রশংসা করে। এদিকে শিরিন এবং তূর্য দূরে দাঁড়িয়ে, শুধু তাদেরকে দেখে যায়। শিরিন তুর্যকে বলে তুর্য এবারেও কিছু করতে পারল না। তাই পারুলকে পাওয়ার আশা তুর্য যেন ছেড়ে দেয়। এদিকে তুর্যর মনে অন্য প্ল্যান চলছে যেটা শিরিন কেও সে জানায় না।

এরপর সবাই মিলে ক্লাস করতে চলে যায়। পারুল কুকুরদের বিস্কুট দেওয়ার জন্য কলেজের অন্যপ্রান্তে যায়। আর সেখানেই ঘটে দুর্ঘটনা। তুর্যকে দেখে পারুল থমকে যায়। তুর্য বলে পারুলের সঙ্গে তার কিছু কথা রয়েছে কিন্তু পারুল কোন ভাবে তুর্যর কোন কথা শুনতে চায়না। স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তুর্যর মত ছেলের সাথে তার কোন কথা নেই। আর তুর্য যেন এরপর থেকে তাকে বিরক্ত করতে না আসে। কিন্তু তুর্য তো জানায় সে পারুলকে খুব ভালোবাসে। আর পারুলও যখনই প্রতিবাদ করতে এগিয়ে আসে পারুলকে মুখে রুমাল চাপা দিয়ে অজ্ঞান করে কিডন্যাপ করে তুর্য।
আরও পড়ুনঃ গুরুজির মুখোশের আড়ালে থাকা রুদ্রকে চিনে গেল ফুলকি! নায়িকার পাতা ফাঁ’দে এবার রুদ্ররুপ!
এদিকে ক্লাস শুরু হয়ে যায় কিন্তু পারুল ক্লাসে আসছে না দেখে রায়ানের চিন্তা হতে থাকে। পারুলকে ফোন করে মেসেজ করে কিন্তু সাড়া দেয় না। এদিকে তুর্যও ক্লাসে নেই, তাতে আরো সন্দেহ তৈরি হয়। তার কিছুক্ষণ পরে তুর্য ক্লাসে এসে উপস্থিত হয়। তুর্য চলে এসেছে কিন্তু পারুল আসেনি সেটা দেখে রায়ান নিজেকে কিছুতেই শান্ত রাখতে পারে না। ক্লাস শেষে ফোন করে তখনও পারুল ফোন ধরে না। এরপর রায়ানের সন্দেহ শুরু হয় তুর্যর ওপরে। সরাসরি গিয়ে তুর্যকে চার্জ করতে শুরু করে। পারুল কোথায় জানতে চায়, তুর্য এমন ভালো মানুষের নাটক করে যেন সে কিছুই জানে না। এদিকে এখন শিরিন কেও সন্দেহ হয় রায়ানের। আর রায়ান তো তুর্যকে সন্দেহ করে। কিন্তু তূর্য কিছুই স্বীকার করতে চায় না।
সত্যি তো এবারই শিরিন কোন কিছুই জানেনা তুর্যর প্ল্যান সম্পর্কে। এরপরে রায়ান এবং তার বন্ধুরা সবাই মিলে পারুলকে কলেজের চারদিকে খুঁজতে শুরু করে। প্রথমে পারুল যে বিস্কুট খাওয়াতে গিয়েছিল সেই প্যাকেট পড়ে থাকতে দেখে, তারপর কিছুক্ষণ পরে পারুলের ফোন পড়ে থাকতে দেখে রায়ানের সন্দেহ বিশ্বাসে পরিণত হয়। এরপর কলেজ ক্যাম্পাসে সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে রায়ান ছুটে যায় প্রিন্সিপালের ঘরে ফুটেজ চেক করার জন্য। ক্যামেরায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে পারুল কারো সাথে কথা বলতে বলতে গায়েব হয়ে যায়, আর ফেরেনা। রায়হান তো প্রিন্সিপালকে জোর দিয়ে বলছিল তুর্য পারুলের সাথে কিছু করেছে। এদিকে তুর্য পারুলকে কেমিস্ট্রি ল্যাবে হাত মুখ পা বেঁধে ফেলে রেখেছে। বাড়িতে দাদু যখন জানতে পারে পারুলের এই ঘটনার কথা তখন রায়ান দাদুকে কথা দেয় পারুলকে পাতাল থেকে হলেও রায়ান খুঁজে বের করবে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

