গুরুজির মুখোশের আড়ালে থাকা রুদ্রকে চিনে গেল ফুলকি! নায়িকার পাতা ফাঁ’দে এবার রুদ্ররুপ!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় ফুলকি সকলের চোখের আড়ালে বড় রানীর ঘরে যায়। ফুলকি জোর করে বড় রানীকে বাথরুমে পাঠিয়ে চোখে মুখে জল দিয়ে আসতে বলে। সেই সুযোগে ফুলকি বড় রানীর ওষুধের বাক্স থেকে সমস্ত ওষুধ বের করে সেখানে হজমীর বড়ি রেখে দেয়। বড় রানীকে বাথরুমে পাঠিয়ে ফুলকি ঘরের চারিদিকে তল্লাশি করতে থাকে। কোন কিছু সন্দেহজনক খুঁজে পায় কিনা সেটাই দেখতে থাকে। কারণ সেদিন হঠাৎ করে ফুলকি ওই গন্ধটা পাওয়ার পর কিভাবে ঘুমিয়ে পড়ল সেটা এখনো বুঝতে পারে না সে। এই ঘরের ভেতরে অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে সেটা ফুলকি ধরতে পারছে না।

তখনই ফুলকি খুঁজতে খুঁজতে খাটের তলায় গুরুজির মালার একটা অংশ পড়ে থাকতে দেখে। প্রথমে তো ফুলকি বুঝতেই পারেনি ওই জিনিসটা কার। আর ওদিকে রোহিত ফুলকিকে চারিদিকে খুঁজে বেড়াচ্ছে কোথাও নেই সে। ধানু বলে ফুলকি কোথাও নেই মানেই বড় রানীর মহলে গেছে। রোহিত তখন ধানুকে পাঠিয়ে দেয় ফুলকিকে নিয়ে আসার জন্য। ধানু ফুলকিকে বড় রানীর ঘরে আনতে গেলে ফুলকি কায়দা করে ধানুকে বলে এবার থেকে বড় রানীর দায়িত্ব নিতে, তাকে ওষুধ খাওয়ানো দায়িত্ব যেন ধানু নেয়। বড় রানী তার লোকজনদের আদেশ দেয় এবার থেকে বৌ রানী তার দায়িত্ব নেবে তাকে নিয়মিত ওষুধ দেবে।
আরও পড়ুনঃ ‘তোকেই তো নেশাখোর লাগছে, লোকের সংসার ভেঙে জীবনের জ্ঞান দিচ্ছে!’ মদ্যপ অবস্থায় ড্রাইভিং! কি বললেন কাঞ্চনপত্নী শ্রীময়ী?
আরও ওদিকে এই কথাটা ছোট রানীর কানে যেতেই ছোট রানী সঙ্গে সঙ্গে এসে হাজির হয় বড় রানীর ঘরে। ফুলকি তো এটাই চাইছিল। এদিকে বড় রানী ঔষধের বদলে হজমির বড়ি খাচ্ছে আর তার জন্যই তিনি একেবারেই সুস্থ। সেটা দেখে একেবারে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ছোট রানী। সবার উপরে চিৎকার করতে থাকে। আর ফুলকির প্ল্যান সফল হয়। ফুলকি এটাই চাইছিল আর সেই সুযোগে ফুলকি ছোট রানীর কেবিনে গিয়ে লুকিয়ে পড়ে কারণ সে জানে যখন ছোট রানীর ভীষণ রাগ হয় তখন তিনি এখানেই আসেন।
আর ফুলকি যেমনটা ভেবেছিল তেমনটাই হল। ছোট রানী এসে নিজের কেবিনে গুমড়ে গুমড়ে মরছে। আর ফুলকি তখন বেরিয়ে এসে সরাসরি ছোট রানীকে প্রশ্ন করে বড় রানীর কি রোগ, কেন তাকে ওষুধ দেয়া হয়। ছোট রানী তো কিছুতেই এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়। বারবার ফুলকিকে সেখান থেকে চলে যেতে বলে। কিন্তু ফুলকি বলে আজ এই কথা ফুলকি তাকে একটা বদ্ধ ঘরের ভেতরে জিজ্ঞাসা করছে, কিন্তু দুদিন পরে যখন বাইরের লোক সবার সামনে জিজ্ঞাসা করবে তখন যেন এই উত্তরগুলো তৈরি রাখে ছোট রানী। এদিকে ফুলকি বড় রানীর খাটের তলা থেকে যে জিনিসটা পেয়েছে সেটা দেখিয়ে ধানুকে প্রশ্ন করে এটা কার হতে পারে। ধানু তখন ফুলকিকে বলে এটা গুরুজির হতে পারে। ফুলকি গুরুজিরর কাছে আশীর্বাদ নিতে গিয়ে তার কানের কাছে গিয়ে বলে বড় রানীর ঘরে খাটের তলায় তার একটা জিনিস পেয়েছে সে। এটা শুনেই রুদ্র চমকে ওঠে ফুলকির দিকে বড় বড় করে তাকাতে ফুলকি সেই চোখ দুটো চিনতে পারে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

