টিভির মতই নিজের জীবনেও চরম স্বার্থপর রূপসা! নিজের মাকেই মেরে ফেলেছিলেন অভিনেত্রী, সেই গল্প শুনলেই আপনিও চমকে যাবেন

বাংলা টেলিভিশন জগতের একজন জনপ্রিয় এবং অতি পরিচিত মুখ হলেন রুপসা চট্টোপাধ্যায়। তার অভিনয়ের অসাধারণ দক্ষতা এবং সৌন্দর্য দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এই অভিনেত্রী। আজকের এই প্রতিবেদনে জানতে চলেছি তারই জীবনের কিছু অজানা তথ্য।
ছোটবেলায় ভীষণ দুষ্টু ছিলেন রুপসা। তার দুষ্টুমিতে গোটা বাড়ি অতিষ্ট হয়ে থাকতো। নিমেষের মধ্যে মিথ্যে গল্প বানিয়ে ফেলতে পারার একটা অসাধারণ ক্ষমতা ছিল রূপসার। তার পাশাপাশি তিনি ছিলেন ভীষণ স্বার্থপর। নিজের জিনিস অন্য কাউকে দিতে দেখলে মাথা ঠিক থাকতো না তার। এই নিয়ে ছোটবেলায় একবার নিজের মাকেই মেরে ফেলেছিলেন রুপসা!
সম্প্রতি একটি রিয়েলিটি শোতে এসে মুখ খুললেন রূপসার মা। ছোটবেলায় বিরাট দুষ্টু ছিলেন তিনি। নিজের কাজ হাসিলের জন্য সবকিছুই করতে পারতেন। অভিনেত্রীর মা সকলের সামনেই স্বীকার করেছেন একথা। জি বাংলার এই শোয়ে তিনি বলেন, আমার মেয়ে যে হাতে পায়ে দুষ্টু ছিল, এটা না! কিন্তু বসে বসে এমন গল্প বানিয়ে ফেলত।
এরপর নিজের মুখেই নিজের কাণ্ডকারখানা স্বীকার করলেন রূপসা। তার সেই কাহিনী শুনে অবাক তার নতুন বর। কী এমন করেছিলেন রুপসা? অভিনেত্রী নিজেই বলেন তিনি ছোটবেলায় প্রচন্ড স্বার্থপর ছিলেন। আর সেখান থেকেই ঘটিয়েছিলেন অনেক কাণ্ড। তার গুণকীর্তনের কথা বলতে গিয়ে একটি ঘটনা দর্শকদের সামনেই ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী।
তিনি বললেন “আমি যখন খুব ছোট আমাদের বাড়িতে এক পিসি দেখভাল করতেন। তিনি একদিন আমার মাকে বলেছিলেন, যে দিদি তোমার দুটো শাড়ি দিও না। আমি শুনে নিয়েছি সে কথা। আমার মায়ের শাড়ি দেওয়া হচ্ছে আমি তো খুব রেগে গিয়েছি। এবার আমি শুরু করলাম মিথ্যে বলা। কেমন জানো? আমি ওই পিসিকে বললাম, তুমি প্লিজ ওই শাড়িটা নিও না। ওটা তো ওই মহিলার শাড়ি না, আমার মায়ের শাড়ি। আমার মা তো মরে গিয়েছে, এটা তো আমার মায়ের বোন। তাই তোমায় দিয়ে দিচ্ছে।” একথা শুনেই মাথায় হাত সকলের। এও বলতে পারে কেউ? চক্ষু ছানাবড়া তাঁর বরের।

