‘যে অসভ্যতা দেখানো হচ্ছে তা মানতে পারছিলাম না’, সিরিয়াল ছাড়ার আসল কারণ জানিয়ে নির্মাতাদের ওপর ক্ষোভ উগড়ে দিলেন রূপা গাঙ্গুলী

খবরটা যেন এখনও বিশ্বাসই হচ্ছে না নেটিজেনদের। যে ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে কামব্যাক করেছিলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, সেই ধারাবাহিকই মাঝপথে ছেড়ে দিলেন তিনি। কিন্তু কেন? এই প্রশ্নেই এখন তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। একাধিক কারণ ঘুরে বেড়াচ্ছে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে। টিভিচ্যানেলটির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই রূপার পরিবর্তে কাকে নেওয়া হবে তাও জানানো হয়েছে। বীথিকা মিত্রের চরিত্রে এবার থেকে দেখা যাব অনুশ্রী দাসকে। অনুশ্রী শক্তিশালী অভিনেত্রী, কিন্তু রূপার চরিত্রে তাঁকে দেখে খুশি নন নেটিজেনদের একটা বড় অংশ।

এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমেও শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। অনেকেই লিখছেন, রূপার জন্যই এই ধারাবাহিক দেখা শুরু করেন তাঁরা, তিনি নেই, তাই ধারাবাহিকটিও দেখতে চান না আর। কেন ছাড়লেন রূপা? ‘মেয়েবেলা’র টিআরপি যে পড়ে যাচ্ছিল এমনটা কিন্তু মোটেও নয়। যদি টিআরপির দিকে নজর দেওয়া যায়, তবে বিগত বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে ওই ধারাবাহিকের নম্বর বেড়েছে। ইন্ডাস্ট্রির অন্দর কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, যেভাবে বীথিকে তুলে ধরা হচ্ছিল তাতে নাকি আপত্তি ছিলে রূপার এবং তার সাথে হচ্ছিল মতের অমিল। ওদিকে রূপার পারিশ্রমিকও আকাশছোঁয়া। সব মিলিয়েই নাকি প্রযোজনা সংস্থা ও রূপার যৌথ সিদ্ধান্তে ওই ধারাবাহিক থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন খোদ অভিনেত্রী।

এইদিন রূপা গাঙ্গুলী নিজে সংবাদ মাধ্যমের কাছে তার ধারাবাহিক ছেড়ে দেওয়ার আসল কারণ গুলি খোলসা করলেন। তিনি প্রথমেই যেটা বললেন ‘যে অ’স’ভ্য’তা গুলো দেখানো হচ্ছিল সেগুলো আমি আর নিতে পারছিলাম না’। অভিনেত্রীর জানান ‘আমি এই ধারাবাহিকটি করতে রাজি হয়েছিলাম একটাই কারণে, খুব সুন্দর একটা গল্প ছিল। আমার যে ক্যারেক্টার বিফ দেওয়া হয় সেটার সঙ্গে পর্দায় দেখানো ঘটনার মিল নেই।’ চরিত্রটি নিয়ে যে তিনি যথেষ্ট বিরক্ত সেটা তার কথাবার্তায় প্রকাশ পায়। তিনি আরো বলেন যে মাত্রায় নোংরামি দেখানো হচ্ছে তাতে বাধ্য হয়েই তিনি ধারাবাহিকটি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আর বীথি যেগুলো ঘটাচ্ছে সেগুলি একেবারেই অযৌক্তিক। নর্দমায় সোনার চেইন ফেলে দেওয়া ভাত ফেলে দেওয়া এই সমস্ত পছন্দ করছেন না তিনি। ফেব্রুয়ারির শেষ থেকেই চরিত্রটিকে নিয়ে তিনি অস্বস্তিতে পড়েছিলেন। আর এইবার পাকাপাকিভাবে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন রূপা গাঙ্গুলী। অভিনেত্রী জানান অনেক অনুরাগী তাকে ওই চরিত্রটিতে মানতে পারছেন না। আর অভিনেত্রী রোগ ভীষণভাবে মানসিক কষ্ট হচ্ছে। তিনি জানান ‘প্রত্যেকদিন সেট থেকে বাড়ি ফেরার পথে মন খারাপ হয়ে যেত, ভাবতাম কি ধরনের চরিত্র করছি। আমি কেঁদেছি পর্যন্ত, তাই শেষ পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।’

May be an image of 1 person and text that says "আনন্দ পত্রিকা আনন্দবাজারপত্রিকা প্লাস শনিবার ২০২৩ 'যে অসভ্যতা দেখানো হচ্ছে তা মানতে পারছিলাম না' হঠাৎ কেন মেয়েবেলা' ছাড়লেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়? খোঁজ করল আনন্দ প্লাস বছরপরে অভিনয়ে অভিনেত্রী অনেক এব্যাপারে অনুরোধ জলসার ধারাবাহিক ঘটেছিল সিরিয়ালক রিগ্রেসিত মেয়েবেলা' চরিত্রটি হয়েছিলাম চরিত্রে লাগে শুরুতে urmi ইকারণে। আমাকে ব্যাপার। নর্দমায় ফেলে দেয়. মানিয়ে চ্যানেল এটাই চাইছে' টিআরপি-রদা নানা কাহিনিতে। সিদ্ধান্ত নিই," অভিনেত্রীর বরক্তি পষ্ট। মুহূর্তে বীথিকা তাঁরমতে "এগুলোচল্লিশ সবচেয়ে বীথি কোনও যেত। করছি কেঁদেছি দাঁড়ালেন মুখোপাধ্যায় ঘোষ"
তিনি জানালেন সব মেনে নেওয়া গেলেও যখন তিনি শুনলেন ছেলের বউকে চ’ড় মা’র’তে হবে তখন আর এই চরিত্রটাতে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারলেন না তিনি। তিনি আরো জানান এই সমস্ত জিনিসপত্র আজ থেকে কিছু বছর আগে হলেও মানা যেত কিন্তু এই মুহূর্তে এগুলো সত্যি মানা যায় না। আর যখনই তিনি এই সমস্ত অভিযোগ ধারাবাহিক নির্মাতাদের কাছে গিয়ে করেছেন তারা সবসময় বলেছে এটাই দর্শকরা বেশি পছন্দ করছে আর এটাই বাজারে চলছে। এর সাথে সহমত হতে পারছিলেন না রূপা গাঙ্গুলী। তাই অকপটেই ধারাবাহিক থেকে বেরিয়ে গেলেন অভিনেত্রী।

Back to top button