অনেক বড় সিদ্ধান্ত নিলো লাবু! রোহিতের কথায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো শালিনীর!

সেই শুরুর দিন থেকেই জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছে। ধারাবাহিকের নবাগতা নায়িকা ফুলকির অভিনয় প্রত্যেক মুহূর্তে মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। প্রতি সপ্তাহেই দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় স্থানে থাকে এই ধারাবাহিকের নাম। কিন্তু গত সপ্তাহের টিআরপি তালিকায় প্রথম প্রাণ দখল করেছে ফুলকি। এই মুহূর্তে গল্প আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে কারণ সবার সামনে হাতে নাচে ধরা পড়েছে রুদ্র।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, রুদ্র বারবার নানা রকম ভাবে চেষ্টা করেছে রোহিত আর ফুলকির ক্ষতি করার তাদের মধ্যে ভাঙ্গন ধরানোর। কিন্তু প্রত্যেক বার কোনো না কোন ভাবে তার সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। যতবার সে ব্যর্থ হয়েছে ততবার সেই ব্যর্থতার রাগ প্রকাশ করেছে তা নিজের স্ত্রী লাবু অর্থাৎ রোহিতের দিদির উপর। অনেকদিন ধরেই এই বিষয়টা বুঝতে পেরেছিল ফুলকি। তবে তার কাছে এটার কোন প্রমাণ ছিল না।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, প্রমাণ না থাকার জন্য এত দিন কাউকে সেভাবে কিছু বলতে পারেনি ফুলকি। কিন্তু এই দিন রোহিতকে নিয়ে সোজা রুদ্রর বাড়ি গিয়ে সমস্তটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় সে। রুদ্র বুঝতে পারে যা হয়েছে সেটা মোটেই ভালো হয়নি। তাকে ক্ষমা চাইতেই হবে নইলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাবে। কিন্তু তার ক্ষমা চাওয়ায় কোন কাজ হয় না। সবাই রুদ্রকে খারাপ চোখে দেখে। হৈমন্তী আর মাছরাঙ্গা মশাই রীতিমত আতঙ্কিত। ভাবতে পারিনি তারা তাদের মেয়েকে এমন একটা পাত্রের হাতে তুলে দিয়েছে যে তাদের মেয়ের উপর দিন রাত অত্যাচার করে।
মাস্টার মশাই বলে, “আমি যদি জানতাম রুদ্র এরকম তাহলে কখনোই আমি ওর সাথে আমার মেয়ের বিয়ে দিতাম না। এমন একটা ছেলের সাথে আমার মেয়ের বিয়ে দিলাম যে লাবুকে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেয়।” এই বলেই কান্নায় ভেঙে পড়ে সে। এর মাঝে রোহিত খুব উত্তেজিত হয়ে যায় আর রুদ্রকে মারা শুরু করে। তখন শালিনী রোহিতকে বোঝায় এটা নিজেদের ব্যাপার ওদের নিজেদেরই মেটানো উচিত। তখন রোহিত শালিনীকে বলে সে এই পরিবারের কেউ হয় না তাই এই পরিবারের কোন বিষয়ে সে যেন মাথা না ঘামায়। কথাটা শুনে খুব খারাপ লাগে শালিনীর।
আরো পড়ুন: তিস্তার সাজে পর্ণাকে চিনে ফেলল কৃষ্ণা! বর্ষার শাশুড়িকে উচিৎ শিক্ষা দিল পর্ণা!
এরপর হৈমন্তী সবাইকে বলে এ বিষয়টা পরিবারের সবার সামনে আলোচনা না করে একান্তে ঘরে গিয়ে আলোচনা করাই ভালো এতে সবার মান সম্মান রক্ষা পাবে। তারপর হৈমন্তী যখন লাবুকে আর একটা সুযোগ দিতে বলে লাবু স্পষ্ট জানায় সে আর কখনো রুদ্রর সংসারে ফিরতে পারবে না। বাইরে থেকে ফুলকিও লাবুকে সমর্থন জানায়। রুদ্র মনে মনে বলে, “একবার সবটা ঠিক হয়ে যাক তার পরে আমি ফুলকি আর রোহিতকে মজা দেখাবো।”

