তিস্তার সাজে পর্ণাকে চিনে ফেলল কৃষ্ণা! বর্ষার শাশুড়িকে উচিৎ শিক্ষা দিল পর্ণা!

জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকে একই সাথে অনেকগুলো জট খুলে ফের পরিবারের সুখ শান্তি ফিরিয়ে দিল ধারাবাহিকার নায়িকা পর্ণা। গত সপ্তাহেরটিআরপি তালিকা অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক। সম্প্রতি শ্যামলী আর অনিকেতের সাথে দোল খেলায় মেতেছে পর্ণা সহ গোটা দত্ত পরিবার।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অনেকগুলো সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছিল গোটা দত্ত পরিবার। অনেক কষ্ট করে পর্ণা তার শশুর মশাই অমিতেস দত্তকে নির্দোষ প্রমাণ করে জেলের বাইরে নিয়ে আসে। অন্যদিকে পুলিশ খুঁজতে থাকে রাঘবকে। এর মাঝেই দত্ত বাড়িতে বড় করে দোল উৎসব পালন করার আয়োজন শুরু হয় আর সেখানে আমন্ত্রণ করা হয় শ্যামলী আর অনিকেতকে। কিন্তু শ্যামলী আর তিস্তা তো এক জায়গায় একসাথে দোল খেলতে পারবে না। তাই পর্ণা ঠিক করে সে তিস্তা সাজবে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা তিস্তা সেজে দোল খেলার আসরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। কিন্তু এই বিষয়টা জেনে যায় অয়ন আর মৌমিতা। তারা দুজন এই সব কিছু সবার সামনে ফাঁস করে দেওয়ার কথা বলে। পর্ণা বুঝে উঠতে পারেনা কিভাবে তাদেরকে আটকাবে আর শ্যামলীও খুব ভয় পেয়ে যায়। সেই সময় সেখানে চলে আসে অনিকেতেকের ঠাম্মি। সে আগের থেকেই বুঝে গিয়েছিল যে এরা দুজন কোন গন্ডগোল করতে পারে তাই ওদের দুজনকে একটা ঘরে বন্ধ করে রাখে সবাই। তারপর শান্তিতে দোল খেলতে যায় তারা।

দোল খেলার আসরে পর্ণা বুদ্ধি করে শ্যামলীকে অনিকেতের দিকে ঠেলে দেয়। ফলে যে রংটা অনিকেত তিস্তাকে লাগাতে যাচ্ছিল সেটাই সে লাগিয়ে দেয় শ্যামলীর গালে। এই ঘটনায় ভীষণ খুশি হয় শ্যামলী তার মনে মনে অনেক ধন্যবাদ জানায় পর্ণাকে। এরপর সবাই সেখান থেকে চলে গেলে, অয়ন আর মৌমিতাকে ঘরের বাইরে বের করে আনা হয়। আর জেঠু তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যদি কোন ভাবে এই কথাগুলো পাঁচ কান হয়েছে তাহলে অয়নের ঠ্যাং ভেঙ্গে হাতে ধরিয়ে দেবে। অন্যদিকে পর্ণার পুলিশ বন্ধু তাকে ফোন করে জানায় রাঘব ধরা পড়েছে।

আরো পড়ুন: খুব তাড়াতাড়ি অভিনয় জগতে পা রাখতে চলেছেন অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের কন্যা! নিজেই জানালেন অভিনেতার স্ত্রী

এরপর দেখা যায় কৃষ্ণাকে ফোন করেছে তার বেয়ান। তিনি ফোন করে অত্যন্ত দম্ভের সাথে কৃষ্ণাকে বলে, “মেয়েকে কি শ্বশুর বাড়ি পাঠাতে ভুলে গিয়েছেন?” এই শুনে কৃষ্ণা একেবারে হাতে-পায়ে ধরার জোগাড়। এরপর বর্ষার শাশুড়ি জানায় বর্ষাকে যেন তৈরি করে তাড়াতাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই সমস্ত কথা শুনে পর্ণা বলে, যতক্ষণ না বর্ষার শাশুড়ি নিজে বর্ষাকে নিতে আসছে ততক্ষণ বর্ষা বাড়ি ছেড়ে যাবে না। পর্ণার কথার পূর্ণ সমর্থন জানায় বর্ষা।

Back to top button