দোলের দিনেই অংশু পারমিতাকে মিলিয়ে দিলো ফুলকি! নিজে তাতে সাহায্য করলো মাষ্টারমশাই!

যতদিন যাচ্ছে একটু একটু করে আরো বেশি জমজমাট হয়ে উঠছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্ব। চলতি সপ্তাহে এই ধারাবাহিকটি তৃতীয় থেকে সোজা টিআরপি তালিকার প্রথমে অর্থাৎ বেঙ্গল টপার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে। ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকিকে ভীষণ পছন্দ করেন দর্শক মহল। আরো একবার অসাধ্য সাধন করে সবাইকে চমকে দিয়েছে ফুলকি।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ফুলকি ভীষণ রেগে গিয়েছিল যখন সংবাদপত্রের সম্পাদক তার স্যারের নির্দোষ প্রমাণ হওয়ার খবরটা ছাপাতে নারাজ হন। ফুলকির মতে যখন তারা মিথ্যা ঘটনা রটাতে পেরেছে তখন সত্যিটাও তাদের প্রচার করা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সম্পাদককে ঘুষি মেরে নিজের কাজ হাসিল করে ফুলকি। হিতে বিপরীত না হয়ে যায় সেই নিয়ে অনেকেই ভয় পেয়েছিল তবে তেমন কিছু হয়নি উল্টে সম্পাদক জাহির করে রোহিতের নির্দোষ হওয়ার ঘটনাটা সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় ছাপায়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রোহিতের মা এবং ফুলকি দুজন মিলে হৈমন্তীকে এই খবরটা দেখায় আর বলে রোহিত নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে এখন সমস্ত কলঙ্ক দূর হয়েছে। ঠিক তখনই সেই সংবাদপত্রের সম্পাদককে নিয়ে সেখানে এসে হাজির হয় মাস্টারমশাই। তাকে দেখে প্রথমে বেশ ভয় পেয়ে যায় ফুলকি ধানু সহ বাকিরা তবে সম্পাদক বলেন, তার মস্ত বড় ভুল হয়ে গিয়েছিল। কোনটা বিক্রি হবে আর কোনটা হবে না সেই কথা ভাবতে ভাবতে আসল সত্যিটা প্রচার করতেই ভুলে গিয়েছিলেন তারা আর সেটাই ফুলকি তাদেরকে শিখিয়েছে।

এরপর সম্পাদককে মিষ্টি খাওয়াই ফুলকি। তিনি যখন সেখান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন ঠিক তখনই চলে আসে রুদ্র লাবু। লাবু ভীষণ খুশি রোহিতের নির্দোষ প্রমাণ হওয়ায়। কিন্তু একেবারেই খুশি হতে পারছে না শালিনী। রুদ্রকে শালিনী বলে আর যা যা হচ্ছে সব কিছুর জন্য দায়ী হচ্ছে রুদ্রর ভাড়া করা গুন্ডারা। তারা একটু সতর্ক থাকলে আজ এসব কিছুই হতো না। এরপর অংশুমান কে ওই বাড়িতে এনে হাজির করে ফুলকি আর পারমিতা। সে না থাকলে আজ রোহিতকে নির্দোষ প্রমাণ করা সম্ভব হতো না, তাই তার এই বিপদের দিনে তাকে সাহায্য করাটা এই বাড়ির কর্তব্য। কিন্তু এতে কিছুতেই রাজি হতে চায় না হৈমন্তী।

আরো পড়ুন: জালিয়াতির দায়ে গ্রেফতার হল সৃজনের বাবা, মায়ের কথায় বর্ষাকে ফেলে রেখে চলে গেল অর্ণব!

মাস্টারমশাই তখন অংশুমানকে দাঁড়াতে বলে। সে বলে অংশ যদি আজকে এই বাড়ি থেকে চলে যায় তাহলে সেটা মাস্টারমশাই এর অপমান হবে। যদিও হৈমন্তী পারমিতা আর অংশকে নিয়ে নোংরা মন্তব্য করে কিন্তু তাতে বিশেষ কিছু যায় আসে না মাস্টারমশাইয়ের। শেষ পর্যন্ত ওই বাড়িতে থাকার ছাড়পত্র পেয়ে যায় অংশুমান। তারপরেই দোল উৎসব নিয়ে হইচই শুরু হয় বাড়িতে। এটাই ফুল্কির তাদের সঙ্গে খেলা প্রথম দোল। তাই কিভাবে সমস্তটা উদযাপন করা হবে সেই নিয়ে পরিকল্পনা করতে থাকে তারা।

Back to top button