“ফুলকিকে ত্যাগ করতে পারবো না আমি!” সবার সামনে শালিনীকে সরিয়ে ফুলকিকে আপন করলো রোহিত!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং মনোগ্রাহী ধারাবাহিকে পরিণত হয়েছে ‘ফুলকি’ (Phulki)। দর্শকদের নিত্যদিনের চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে এই মেগা। এই ধারাবাহিকের প্রধান আকর্ষণ হল নায়িকা ফুলকি। তার অভিনয় মুগ্ধ দর্শকমহল। বর্তমানে টিআরপি (TRP) তালিকার দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই মেগা। শুরু থেকে একবারের জন্যও টিআরপি পড়তে দেখা যায়নি এই ধারাবাহিকের (Bengali Serial)

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, খুব হঠকারিতার মধ্যে দিয়ে বিয়ে হয়ে যায় ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার। আর এই বিয়ের পর থেকেই একের পর এক কাণ্ড ঘটে চলেছে নায়ক নায়িকার জীবনে। শুরু থেকেই ফুলকিকে কখনোই নিজের স্ত্রী হিসেবে সম্পূর্ণরূপে মেনে নিতে পারেনি রোহিত। কারণ রোহিতের মনে সব সময় অনেকটা জায়গা জুড়ে থেকে গিয়েছিল শালিনী। সে আবার ফিরে আসার পর রোহিতের জীবনে ফুলকির থেকে যাওয়াটা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল।

তার ওপর একটার পর একটা নোংরা প্ল্যান করতে থাকে রুদ্র। আর প্রত্যেকবার ফুলকিকে ভুল বুঝে দূরে সরিয়ে দিতে থাকে রোহিত। কিন্তু এই মুহূর্তে রোহিত বুঝতে পেরেছে ফুলকির থেকে বড় শুভাকাঙ্ক্ষী তার জীবনে আর কেউ নেই। আর তারপর থেকেই একটু একটু করে ফুলকির প্রতি দুর্বল হতে শুরু করেছে রোহিত। শালিনী ভেবেছিল রোহিতের ভালোবাসাকে কাজে লাগিয়ে সে তার স্বার্থসিদ্ধি করবে। আর ফুলকিকে চিরকালের মতো রোহিতের জীবন থেকে সরিয়ে দেবে। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে দিল স্বয়ং রোহিত।

সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের একটি নতুন প্রোমো ভিডিও সম্প্রচারিত হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে সবাই মিলে আনন্দে মেতে উঠেছে রায়চৌধুরী পরিবার। শীতের শেষে পিকনিকে মত্ত তারা। বেশ আনন্দ করেই দিনটা কাটছে তাদের। চারিদিকে হইচই চলছে। ফুলকি ক্রিকেট খেলছে। হঠাৎ করেই ফুলকি খেয়াল করে রোহিত অনেকক্ষণ ধরে সেখানে অনুপস্থিত। শুধু তাই নয়, রোহিতের সাথে শাকচুন্নি ম্যাডাম অর্থাৎ শালিনীও অনুপস্থিত।

ফুলকি তখন বেশ ভয় পেয়ে যায়। কারণ এর আগে শালিনী কম ক্ষতি করেনি তাদের। ফুলকি চারিদিকে তার স্যার আর শাকচুন্নি ম্যাডামকে খুঁজতে থাকে। খুঁজে খুঁজে দেখতে পায় একটু আড়ালে স্যার আর শালিনী দাঁড়িয়ে আছে। শালিনী রোহিতকে বলছে, “আমি আর কত অপেক্ষা করবো? এবার আমাকে বিয়ে করে নাও।” তখন রোহিত বলে, শালিনীকে বিয়ে করতে গেলে তাকে ফুলকিকে ত্যাগ করতে হবে। আর তার পক্ষে ফুলকিকে ত্যাগ করা অসম্ভব। এটা শুনে আনন্দের চোটে নাচতে শুরু করে ফুলকি।

Back to top button