নিজের অপমান আর মেনে নেবে না রাঙা! বৃন্দার কৃতকর্মের ফল হাতে নাতে দিল রাঙা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

যারা সব সময় সবকিছু মুখ বুজে মেনে নেয়, সবার সব আবদার এক কথায় মিটিয়ে দেয় এবং নিজের উপর আসা প্রত্যেকটা অপমান হজম করে ফেলে সারা জীবনে কোনদিনও ভালো থাকতে পারে না। এভাবে চলতে চলতে সারা জীবনটাই তাদের কেবল অপমান সহ্য করতে হয়। এইরকম একটা মানুষ হয়ে একেবারেই বেঁচে থাকতে চায় না স্টার জলসার (Star jalsha) রাঙামতি তীরন্দাজ (Rangamoti Tirandaj) ধারাবাহিকের নায়িকা রাঙা। তাই এইবার নিজের ওপর হওয়া প্রত্যেকটা অপমানের জবাব গুনে গুনে দেবে সে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, খুব অদ্ভুত এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার ফলে বাধ্য হয়ে একলব্যের সাথে বিয়েটা করতে হয় রাঙাকে। টিচার দিদিমণি একপ্রকার জোর করেই মাথার দিব্যি দিয়ে এই বিয়েটা করিয়ে দেয়। আক্কু রা রাঙা কেউই চাইনি এই বিয়েটা করতে। তাই রাঙা সবার সামনে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেয় সে কোনদিনও এই বিয়ে থেকে কোন কিছু দাবি করবে না। সে নিজের পায়ে দাঁড়াবে।

রাঙামতি তীরন্দাজ আজকের পর্ব ১৯ নভেম্বর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 19 November)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বাড়িতে কাজের লোক আসেনি তাই পাহাড় প্রমাণ বাসন জমে রয়েছে রান্নাঘরে। বিষয়টা জানতে পেরে সেগুলো পরিষ্কার করতে চলে আসে রাঙা। টিচার দিদিমণি তাকে বারণ করলেও সে বলে, এটা তারও বাড়ি আর বাড়ির কাজ করলে কেউ ছোট হয়ে যায় না। রাঙার এই ব্যবহার বারবার মুগ্ধ করে সবাইকে। কিন্তু সেই বাড়িতে অনেকেই রয়েছে যারা সর্বক্ষণ রাঙার ক্ষতি করতে এবং তাকে ছোট করতে ব্যস্ত থাকে।
বৃন্দাকে উচিত শিক্ষা দিল রাঙা
বৃন্দা নিজের এটো থালাটা রান্না ঘরে এসে বেসিনের ওপর একেবারে ছুড়ে ফেলে। পাশাপাশি সে রাঙাকে বলে সে যেন এই থালাটা মেজে দেয়। এটা দেখে ভীষণ রেগে যায় রাঙা। সে থালাটা ধরে উল্টে বৃন্দার দিকে ছড়ার ভঙ্গিতে হাতটা বাড়ায় আর সেটা দেখেই ভয় পেয়ে যায় বৃন্দা। এরপর তার দিকে এগিয়ে এসে রাঙা তাকে বলে, ভালোভাবে বললে সে একশটা কাজ করে দেবে কিন্তু খারাপ ভাবে বললে সে একটাও কাজ করবে না উল্টে কাজ করাবে।
আরও পড়ুন: আনন্দীর অস্তিত্ব মুছে ফেলার ব্যবস্থা করে ফেলল নন্দিনী! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!
বাধ্য হয়ে রাঙাকে ভালোভাবে বাসনটা মেঝে দিতে বলে বৃন্দা। এরপর সে আহেরিকে ফোন করে তাড়াতাড়ি সেখানে চলে আসতে বলে কারণ তাদের মা ঠিক করেছে বিয়ের বাদবাকি নিয়ম গুলো পালন করা হবে। আহেরি এসে কান্নাকাটি করে। টিচার দিদিমণি বলে সে এই নিয়ম কানুন গুলো পালন করতে চায়। আক্কু নিজের মায়ের বিরুদ্ধে যেতে পারে না এবং সেও মায়ের কথায় রাজি হয়ে যায়।

