স্বয়ম্ভুর হয়ে আওয়াজ তুললো রাজনাথ, বিজয়লক্ষীর কেস নেওয়ায় কৌশিকীর সাথে দ্বন্দ্বে জোড়ালো জ্যাস!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ধারাবাহিক ধারাবাহিক বলতে যার কথা প্রথমেই মাথায় আসে সে হলো জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। এই বার সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড সো তেও অনেক গুলো পুরস্কার গিয়েছে জগদ্ধাত্রীর ঝুলিতে। টিআরপি টপার এই মেগার জনপ্রিয়তা রীতিমতো আকাশ ছোঁয়া। আট থেকে আশি প্রত্যেকে এই ধারাবাহিকের নায়িকার অনেক বড় ভক্ত।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, উৎসবকে ধরিয়ে দিয়ে দুই দন্ডও বিশ্রাম নিতে পারেনি জগদ্ধাত্রী। তার বস হর্ষবর্ধন বাবু বেশ হাইপ্রোফাইল একটি কেসের দায়িত্ব দিয়েছে তাকে। এক আমলার ছেলে কিছু দিন ধরে গায়েব। সেই নিয়েই চলছে তদন্ত আর তার দায়িত্বে রয়েছে জগদ্ধাত্রী। সে চেষ্টা করছে নানা রকম উপায় অবলম্বন করে সেই ছেলেটিকে খুঁজে বের করা কিন্তু সেটা করতে গিয়ে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাকে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে বিজয়লক্ষ্মী। সে বলে “কেসটা নিয়ে আপনি কতদূর এগোলেন। কিছু তো বলছেন ও না।” জগদ্ধাত্রী বলে , “হ্যাঁ ম্যাডাম আমি তদন্ত এগোচ্ছি আর খুব তাড়াতাড়ি আমি আসল যে অপরাধী তাকে খুঁজে বার করতে পারব। আপনি অনিন্দিতা আর অস্মিতাকে চেনেন তো? ওই মেয়েটাকে আমার বড্ড বেশি সন্দেহ হচ্ছে। তবে আমি চেষ্টা করছি যত তাড়াতাড়ি হয়, তত ভালো।” তখন বিজয়লক্ষ্মী বলে, “আপনি আমাকে একটা কথা বলতে পারবেন। আমার ছেলে বেঁচে আছে না মরে গেছে, আপনার কি মনে হয়? আপনি তো এত বড় একজন অফিসার, এত কেস সামলেছেন। কি মনে হয়েছে যদি বলতেন তাহলে খুব ভালো হত।” তখনি জ্যাস বলে, সম্ভবনা অনেকই কম। তার ছেলে বেঁচে আছে কিনা তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

আরও পড়ুন- বেচারার কপালে বিয়েই লেখেনি জলসা, মণ্ডপে গেলেই উঠিয়ে দেওয়া হয়! ‘চিনি’র খলনায়িকা নিয়ে চরম ট্রোল নেটিজেনদের 

এরপর দেখা জয় একটা পেপারে বিজয়লক্ষীর ছেলেকে নিয়ে অনেক ভালো মন্দ কথা বেরিয়েছে। সেটা দেখে খুব রেগে যায় বিজয়লক্ষী আর সাথে সাথে ফোন করে কৌশিকীকে। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয় না। কৌশিকী স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তার কলম থামবে না। সে যদি কোন অপরাধ দেখে তাহলে সেই নিয়ে একটা কেন আরো দশটা পেপারে লিখবে। কেউ কিছু করতে পারবে না। এই বলে ফোনটা কেটে দেয় কৌশিকী। এতে আরও রেগে যায় বিজয়লক্ষী।

বিজয়লক্ষী কোন উপায় না পেয়ে ফোন করে জগদ্ধাত্রীকে। সে বলে, কোনভাবে কি কৌশিকী মুখার্জীকে থামানো সম্ভব? উনি ওনার পেপারে যা লিখছে তাতে ওনার ছেলের বদনাম হচ্ছে। জগদ্ধাত্রী স্পষ্ট ভাবে জানায়, তার পক্ষে পৃথিবীর সবাইকে থামানো সম্ভব কিন্তু ওই মানুষটাকে থামানো সম্ভব নয় কারণ উনি যা করেন সেটা ভালোর জন্যই করেন। এরপর দেখা যায় জগদ্ধাত্রী সবাইকে খাবার পরিবেশন করছে সেই দেখে প্রচন্ড রেগে গিয়েছে বৈদেহি। খেতে বসে জগদ্ধাত্রী এবং স্বয়ম্ভুর সাথে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করে সে। তখন তার বিরোধিতা করে রাজনাথ। সে বলে, তাদের ছেলেও কিছু কম অপরাধ করেনি। তাই উত্তেজিত না হওয়াই ভালো।

Back to top button