সবাইকে চমকে দিয়ে ফিরে এলো রাই! তার অবস্থা দেখে অবাক অনির্বাণ!

এতদিন টান টান উত্তেজনায় টেলিভিশনের পর্দা থেকে চোখ সরাতে পারছিলেন না জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের ভক্তরা। সবার মনে ঘুরছিল একটাই প্রশ্ন। সত্যিই কি নিজেকে শেষ করে দিল ধারাবাহিকের নায়িকা রাই? তবে কি আর দেখা যাবে না নায়িকাকে? সবার সব প্রশ্নের উত্তর দিল ধারাবাহিকের আজকের পর্ব। যত দিন যাচ্ছে আরও বেশি করে জমে উঠছে এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নায়িকার বাড়িতে অনেকক্ষণ ধরে ঝামেলা অশান্তি চলতে থাকে। রাইয়ের মা তাকে যা নয় তাই বলে অপমান করে। ফলস্বরূপ রাই আর এক মুহূর্ত ওই বাড়িতে থাকতে চায় না। সে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসে। তারপরেই জানা যায় একটি মেয়ের অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। বা বলা ভালো সে গাড়ির সামনে ঝাঁপ দিয়েছে। সবাই মুহূর্তে ভেবে নেয় ওটাই রাই। থানায় গিয়ে মৃ’তদেহ দেখে সেটাকে রাই বলেই সনাক্ত করে অনির্বাণ। এরপর সে নিজের কাছেই ভীষণ অপরাধী হয়ে যায়।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ৩১ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 31 July)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণের মা-বাবা দুজন মিলে তাকে বোঝাতে থাকে, সে যদি কোন ভাবে কোন রকমের বেফাঁস মন্তব্য করে বসে তাহলে তার অনেক বছরের জেল হাজত হতে পারে। অনির্বাণ বলে তার সাথে সেটাই হওয়া উচিত। সে যেটা করেছে সেটা জঘন্য অপরাধ। তার জন্য আজ রাই এমন একটা সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। অনির্বাণের কথা শুনে রীতিমতো ভয় পেয়ে যায় তার মা বাবা।

অনির্বাণকে বাঁচালো রাই

এরপর বাড়িতে চলে আসে পুলিশ। সে বলে, অনির্বাণ আগের দিন নিজের মুখেই বলেছিলেন যে তার জন্যই তার স্ত্রী বিয়ের পরের দিন ঘর ছেড়ে চলে গেছে। তাই এই প্ররোচনা দেওয়ার অপরাধী তাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অনির্বাণ আবারও নিজের দোষ নিজের মুখে স্বীকার করে। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে রাই। তাকে দেখে রীতিমতো চমকে যায় সেখানে উপস্থিত প্রত্যেকে। অনির্বাণের বোন তাড়াতাড়ি করে রাইয়ের বাড়িতে খবরটা দেওয়ার জন্য চলে যায়।

আরও পড়ুন: প্রথমবার ওটিটিতে মহালয়া! ধীরে ধীরে জি বাংলা, জলসার জায়গা দখল করছে ‘ওটিটি’!

রাই বলে, “আমি আমার বন্ধুর বাড়িতে ছিলাম। আমাদের কারোরই টিভি দেখার অভ্যাস নেই। আমার টিভি দেখার মন মানসিকতাও নেই। তাই এরকম ঘটনা ঘটে গেছে সেটা জানতে পারিনি।” পুলিশ যখন বলে ওই মৃতদেহটা দেখে অনির্বাণ সেটাকে রাই বলে সনাক্ত করেছিল তখন তার প্রত্যুত্তরের রাই বলে অনির্বাণের মানুষ চিনতে ভুল হওয়ার একটা অভ্যাস রয়েছে। এরপর পুলিশ আর কিছু বলতে পারে না। যাওয়ার আগে পুলিশ জানিয়ে যায়, যদি কোনদিনও তার ওপর কোন রকম ভাবে অত্যা’চার করা হয় তাহলে সে যেন পুলিশের দ্বারস্থ হয়।

 

Back to top button