স্রোতের অপমানের বদলা নিল রাই! অনির্বাণের প্রাক্তনের কথা শুনে চমকে গেলো সে!
সবার আগে মানুষের ব্যাবহার। একটা মানুষ চাইলেই তার সুন্দর ব্যাবহার দিয়ে মানুষের মন অনেক সহজেই জিতে নিতে পারে। ঠিক এমন ভেবেই অনির্বাণের মন জয় করে নিয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকটির গ্রহণ যোগ্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। টিআরপিতেও ধীরে ধীরে ভালো ফল করছে এই মেগা।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই একটা চাকরি পেয়েছে। সে চেষ্টা করছে মন দিয়ে চাকরিটা করার। কারণ তার উপরেই এখন গোটা সংসারের দায়িত্ব। বাবার মৃত্যুর পর সেই দায়িত্ব সে নিজেই নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে। সবাই তাকে অসম্মান করলেও রাই নিজের পরিবারের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারবে না। এইবার এই চাকরি সূত্রেই একজন মনের মত বন্ধু পেলো রাই।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই অনির্বাণকে চা বানিয়ে খাওয়ায়। রাই এর হাতের চা খেয়ে খুশি হয়ে যায় অনির্বাণ। সে বলে, অনেক দিন পর সে এত ভালো একটা চা খেলো। সে রাইকেও চা খাওয়ার কথা বললে রাই জানায়, সে চা খায়না। কিন্তু অনির্বাণের অনুরোধে সে নিজের জন্যও চা নিয়ে আসে। এরপর একসাথে চা খেতে খেতে কথা বলে তারা। রাই অনির্বাণকে জিজ্ঞেস করে তার পরিবার নেই কেনো? কেনো একা থাকে সে? প্রশ্নটা করার পর রাইয়ের মনে হয় সে নিজের এক্তিয়ারের বাড়িয়ে প্রশ্ন করে ফেলছে তাই সাথে সাথে ক্ষমা চেয়ে নেয় সে।
অনির্বাণ যদিও কিছু মনে করেনি। সে তার জীবনে ঘটে যাওয়া সবটাই রাইকে জানায়। সে বলে, “আমি শিলিগুড়ির ছেলে। আমার পরিবার ওখানেই থাকে। ওখানকার ব্যবসা ভাই সামলে নিচ্ছে তাই আমি এখানে এসেছি। ইউনিভার্সিটি সময় থেকে একটা মেয়ের সাথে আমার ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু বিয়ের পর সবটা পাল্টে যায় কারণ আমি ভীষণ সংসারী একটা মানুষ আর সে সংসার করতে চায় না। এরপর ওর সাথে আমার বিচ্ছেদ ঘটে। কিন্তু এখনো মাঝেমধ্যে ও আমাকে ফোন করে। আর যখনই ওর ফোন আসে তখনই আমি খুব বিরক্ত হয়ে যাই। সেদিনও ওই ফোন করেছিল, তাই আপনার সাথে এতটা বাজে ব্যবহার করে ফেলেছি।” এরপর অনির্বাণ একদিন তার বাড়িতে রাইকে আমন্ত্রণ জানায়। রাই কথা দেয় সে নিজে গিয়ে রান্না করে অনির্বাণকে খাওয়াবে।
এদিকে কলেজের সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা মিলে সার্থক স্যারের জন্মদিন পালন করছে। তারা সার্থক স্যারের জন্য একটা কেক এনেছে। স্যার যখনই কেক কাটতে যাবেন ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে স্রোত এবং তার বন্ধুরা। স্রোত যখন স্যারকে শুভ জন্মদিনের শুভকামনা জানায় তখন সার্থক প্রচন্ড রেগে যায় আর বলে ওঠে কেন আজেবাজে ছাত্রছাত্রীদের এখানে ডাকা হয়েছে? এছাড়াও নানা রকম কটাক্ষ করে এবং খারাপ খারাপ কথা বলে স্রোতকে যাচ্ছে তাই ভাবে সবার সামনে অপমান করে সার্থক। খুব খারাপ লাগে স্রোতের, সে বাড়ি এসে ঘরের আলো নিভিয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে আর তখন সেখানে চলে আসে রাই। সে বারবার জিজ্ঞাসা করে তার বোনের কি হয়েছে কিন্তু স্রোত কিছুই বলতে চায়না। অবশেষে সে বলে তার কলেজের স্যার তাকে অপমান করেছে যেটা শুনে প্রচন্ড রেগে যায় রাই।

