অনির্বাণকে ডিভোর্স দিয়ে মুক্ত হলো রাই! নীলুর কুকীর্তি জেনে সারা জীবনের মতন অপরাধী হয়ে গেল অনির্বাণ!

বিপদের সময় আসল বন্ধু চেনা যায়। বিপদে যে মানুষটা সবকিছু ভুলে সবার প্রথমে পাশে এসে দাঁড়ায় সেই হচ্ছে আসল বন্ধু এবং আসল জীবনসঙ্গী। কিন্তু জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়ক অনির্বাণ প্রমাণ করে দিয়েছে সে কোন দিক থেকেই নায়িকা রাইয়ের জীবনসঙ্গীত দূরে থাক বন্ধু হওয়ারও যোগ্য নয়। রাইয়ের জীবনের সবথেকে কঠিন সময়ে সবথেকে কাছের মানুষ হয়েও সবার প্রথমে রাইয়ের হাত ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে অনির্বাণ।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, ঠিক ফুলশয্যার রাতে নীলাঞ্জনা তার নিজের দিদির ছবি বিকৃত করে তার জামাইবাবু অনির্বাণের হাতে সেগুলো তুলে দেয়। আর অনির্বাণ সেই ছবিগুলোকে কোনরকম পরীক্ষা নিরীক্ষা না করে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে নেয়। সে বিশ্বাস করে ফেলে যে ওই ছবিতে উপস্থিত মেয়েটা রাই। শুধু তাই নয়, ওই মুহূর্তে সে মন থেকে এবং নিজের জীবন থেকে রাই নামক শব্দটাকে তাগ করে। রাইয়ের ছায়া মারাবে না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়।

সদ্যবিবাহিত একটা মেয়ে ফুলশয্যার পরের দিন এক কাপড়ে সব ছেড়ে নিজের বাপের বাড়িতে এসে ওঠে। সে বুঝতে পারে, সত্যিই অনেকটা তাড়াহুড়ো করে ফেলেছে সে। আরো একটু যাচাই করে নেওয়ার দরকার ছিল তার। এদিকে অনির্বাণ আরো একবার ঠকে যাওয়ার কষ্ট নিয়ে চোখ বন্ধ করে বারবার নিজের ভাগ্য এবং ধারাবাহিকের নায়িকাকে দোষারোপ করতে থাকে। তার নিজের বোন এবং স্রোত দুজনেই চেষ্টা করে তার চোখের সামনে সত্যিটাকে তুলে ধরার। কিন্তু যে মানুষটা নিজেই বুঝতে চায় না তাকে বোঝানো কার সাধ্য?
আরো পড়ুন: দুঃসংবাদ! শোকের ছায়া সঙ্গীত জগতে! প্রয়াত হলেন জনপ্রিয় বাঙালি গায়ক
অনির্বাণের মা প্রথম থেকেই এই বিয়েটার পক্ষপাতি ছিল না। সে প্রথম থেকেই একটা সুযোগ খুঁজছিল এই বিয়েটা ভেঙে দেওয়ার। আর সবকিছু অনির্বাণের মুখ থেকে শোনার পর সেই সুযোগটা বাস্তবে রূপ নিল। সঙ্গে সঙ্গে রাইয়ের বাড়িতে ফোন করে সবটা জানিয়ে দেয় সোহিনী। ঠিক করে ফেলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দুজনের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাবে। রাইয়ের বাড়িতে সবটা জানতে পেরে নন্দিতা মারধর করতে থাকে নিজের বড় মেয়েকে। সেও বাকিদের মতো তাকে অবিশ্বাস করা শুরু করে। রাই ঠিক করে, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে অনেক দূরে চলে যাবে।
![]()
বিচ্ছেদের মুখে রাই অনির্বাণ
অবশেষে সেই দিনটা এসে উপস্থিত হয়। বিচ্ছেদ হয়ে যায় নায়ক নায়িকার। মনের দিক থেকে অনেক আগেই তারা আলাদা হয়ে গিয়েছিল। সামাজিক নিয়ম ভেঙে এবার আইনি মতে বিচ্ছেদের দিন এসে উপস্থিত হয় তাদের জীবনে। এদিকে নীলুর সমস্ত চালাকি ভন্ডুল করে তার আসল রূপটা সামনে নিয়ে আসে স্রোত। রাই ঠিক করে, সে আর কোনভাবেই পিছনে তাকাবেনা। সে ডিভোর্স দেবে অনির্বাণকে। আর তারপর নিজের জীবনটা নিজের মতন করে কাটাবে। আর কোনরকম ঠুমকো বিশ্বাস আর ঠুমকো ভালোবাসাযুক্ত মানুষকে নিজের জীবনে জায়গা করে দেবে না। যদি সত্যিই এরকমটাই ঘটে, কেমন লাগবে দর্শকদের? রাই কি পারবে মেরুদন্ড সোজা রেখে এই সিদ্ধান্ত নিতে? কী মনে হয় দর্শকদের?

