রাইয়ের মর্যাদা দিতে পারলো না অনির্বাণ! সারা জীবনের মতন রাইকে হারিয়ে ফেললো সে!

জি বাংলার (Zee Bangla) যে ধারাবাহিকগুলো শুরুর থেকেই দর্শকদের মনে রাজত্ব করে এসেছে তাদের মধ্যে অন্যতম অর্গানিক স্টুডিওর প্রযোজিত ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকের কাহিনীটি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকটির জনপ্রিয়তা। পর্দায় আরাত্রিকা মাইতি (Aratrika maity) এবং সুমন দে (Suman Dey) অর্থাৎ রাই অনির্বাণের জুটি ভীষণ পছন্দ করেছেন দর্শকরা। যদিও সম্প্রতি গল্পের নতুন চমকের কারণে কমেছে মিঠিঝোরার টিআরপি।

দর্শকদের ইচ্ছাতেই অবশেষে সমস্ত দূরত্ব মিটিয়ে কাছাকাছি আসে রাই আর অনির্বাণ। নীলু এবং অনির্বাণের মা সোহিনীর শত চেষ্টার পরও ভাঙেনি রাই আর অনির্বাণের বিয়ে। নীলুকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে এসে রাইয়ের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়েছে অনির্বাণ। কথা দিয়েছে সাত জন্ম একসঙ্গে চলার। কিন্তু সারাজীবন একসঙ্গে থাকা তো দূর বিয়ের রাত পেরোতে না পেরোতেই রাইকে ভুল বুঝে দূরে ঠেলে দিয়েছে অনির্বাণ। এক মুহূর্তেই নাকি ভেঙে গেছে তার ভালোবাসার কুটির।

ধারাবাহিকে দেখা গেছে রাইয়ের বৌভাতের দিন একটি ছেলের হাত দিয়ে রাই আর শৌর্য্যর একান্ত মুহূর্তেই ছবি অনির্বাণকে দিয়ে দেয় নীলু। ফুলসজ্জার রাত্রে সে ছবিগুলো দেখে চমকে ওঠে অনির্বাণ। তার ধারণা তাকে ঠকিয়েছে রাই। এই বলেই রাইকে অপমান করতে শুরু করে সে। রাই বারবার অনির্বাণকে বোঝানোর চেষ্টা করে সে তাকে ঠকায়নি। এসবই মিথ্যে। কিন্তু রাইয়ের কোন কথা শুনতে নারাজ অনির্বাণ। রেগে গিয়ে ফুলসজ্জার ঘর থেকে বেরিয়ে যায় সে। একলা ঘরে কাঁদতে থাকে রাই।

বর্তমানে কি দেখা যাচ্ছে মিঠিঝোরায়

শুধুমাত্র কয়েকটা ছবিকে বিশ্বাস করে অনির্বাণ যে এভাবে তাকে ছেড়ে চলে যাবে সেকথা কোনদিনও ভাবতে পারেনি রাই। পরেরদিন সকাল হতেই বাধ্য হয়ে নিজের বাড়িতে ফিরে আসে সে। কিন্তু তাতেও কি শান্তি পেল মেয়েটা? না বাড়িতে ফিরতেন রাইকে ফের অপমান করতে শুরু করেন রাইয়ের পরিবারের সদস্যরা। এইভাবে বড় মেয়ের বিয়েটাও ভেঙে যাবে সেটা একেবারেই ভেবে উঠতে পারেনি কেউ। যদিও রাইকে এইভাবে চলে যেতে দেখে অনির্বাণকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছে শর্মি। কিন্তু বোনের একটা কথাকেও পাত্তা দেয়নি অনির্বাণ।

আরও পড়ুন: “ইন্ডাস্ট্রি মনে করে আমি আর অভিনয় করতে পারি না”, কেমন আছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা বিপ্লব চ্যাটার্জী?

কী দেখা যাবে মিঠিঝোরার আসন্ন পর্বে?

তবে এদিকে যেমন এক বোন দাদা আর বৌদির সম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা করছে অন্যদিকে আরেক বোন আবার দিদির সম্পর্ক ভাঙতে দেখে বেজায় খুশি। হ্যাঁ কথা হচ্ছে নীলুর। এসব কান্ড দেখা বাকিদের ঘুম উড়ে গেলেও মুখের হাসি চাওয়া হয়েছে নীলাঞ্জনার। দিদির আর স্বামীর ঘর করা হল না এইভেবেই খুশি সে। যদিও হার মানেননি রাই। অনির্বাণের সঙ্গে দেখা করে সবটা ঠিক করার চেষ্টা করে সে। ধারাবাহিকের আসন্ন পর্বে দেখা যাবে সকালে হতেই রাই চলে গেছে অনির্বাণের অফিসে। সেখানে গিয়ে রাই অনির্বাণকে বলে সবটা শেষবার ভেবে দেখতে। কারণে মনে মনে অনির্বাণ নিজেও জানে রাই নির্দোষ। কিন্তু রাইয়ের মুখে এই কথা শুনেই রেগে যায় অনির্বাণ। সে চিৎকার করে ওঠে রাইয়ের ওপর। রাইকে পারবে সত্যিটা প্রমাণ করতে? আর প্রমাণ করার পর কী আর সে ফিরে যাবে অনির্বাণের কাছে? আপনাদের কী মনে হয়?

 

Back to top button