মিঠিঝোরায় ভালোবাসার মরসুম! অনির্বাণকে ভালোবেসে কাছে টেনে নিল রাই! কিন্তু শেষমেশ স্থায়ী হবে তো এই সম্পর্ক?

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। শুরুর থেকেই দর্শকদের মাঝে বারবার চর্চায় উঠে এসেছে এই ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকের প্রতিটি চরিত্রই নজর কেড়েছে দর্শকদের। রাই ও অনির্বাণের ভূমিকায় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি (Aratrika Maity) এবং অভিনেতা সুমন দের (Suman Dey) রসায়ন ভীষণ পছন্দ করেছেন দর্শকরা। যদিও অনির্বাণের আচরণের কারণে এখনও রাইয়ের মনে অনির্বাণকে নিয়ে রয়েছে সংশয়।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৯ আগষ্ট (Mithijhora Today Episode 19 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে অফিস যাওয়ার জন্য তৈরি হতে থাকে রাই। তখনই রাইকে ভালোবেসে কাছে টেনে নেয় অনির্বাণ। কিন্তু হঠাৎই তখন চলে আসেন সোহিনী। তিনি অনির্বাণকে বলেন রাইকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যেতে। রাই তাকে জানায় তার জন্য অনির্বাণের অফিস কামাই করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু নাছোড়বান্দা সোহিনী। রাইয়ের অসুস্থতার কারণ জানতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি। কিন্তু কেন?
কারণ রাইয়ের উপসর্গ দেখে তার ধারণা হয়েছে রাই মা হতে চলেছে আর সেটা যদি হয় তবে নিজের ছেলেকে রাইয়ের থেকে খুব সহজেই আলাদা করতে পারবেন তিনি। এরপরই ফের রাইকে ডাক্তার দেখানোর জন্য জড়াজড়ি করতে শুরু করেন সোহিনী। রাইয়ের শারীরিক অবস্থা দেখে রাজি হয়ে যায় অনির্বাণও। সে জানায় রাইয়ের ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন। তবে রাই স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তার সময় অনুযায়ী সে ডাক্তার দেখিয়ে নেবে।
তবে তখনই সোহিনী বলে তাহলে কি রাই অনির্বাণকে সত্যিটা বলতে চায়না? তবে শাশুড়ির কথা আর সহ্য করেনি রাই। শাশুড়িকে যোগ্য জবাব দিয়েই ঘর থেকে বেরিয়ে যায় সে। এদিকে কলেজের গেটেই স্রোতের সঙ্গে ফের তুমুল ঝগড়া লাগে সার্থকের। তবে ক্লাসের শেষে রাস্তায় দাঁড়িয়ে অটোর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে স্রোত। আর তখনই চলে আসে সার্থকের গাড়ি। স্রোত সার্থককে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে সার্থকের সঙ্গে যাবে না।
আরও পড়ুন: মিহির বুদ্ধির জোরে জব্দ হল ছোট কাকি! মাকে বাঁচিয়ে ছোটকাকির প্ল্যানে জল ঢেলে দিল মিহি!
অনির্বাণকে আবার ভালোবেসে ফেলেছে রাই
তবে স্রোতকে একপ্রকার জোর করেই গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় সার্থক। এমনকি সার্থকের বাড়িতে গিয়েই চলতেই থাকে দুজনের ঝগড়া। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ছেলে আর হবু বউকে শাস্তি করতে গিয়ে আসেন সার্থকের বাবা। এদিকে রাইয়ের বস তাকে বলেন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের কাজ শেষ করতে। তখন বাধ্য হয়েই অনির্বাণকে ফোন করে রাই জানিয়ে দেয় তার ফিরতে দেরি হবে। তারপরই সে ভাবতে থাকে অনির্বাণের কথা। সে বুঝতে পারে ফের অনির্বাণের জন্য তার মনে জায়গা তৈরি হয়েছে। কিন্তু এবার আর ভালোবাসায় গা ভাসাবে না সে। বরং জীবন যেদিকে বাঁক নেবে সেদিকেই এগিয়ে যাবে রাই। কিন্তু কি হয়েছে রাইয়ের? তবে কি সোহিনীর সন্দেহই সত্যি? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।

