জীবন যুদ্ধে হেরে গিয়ে মৃ’ত্যুকে বেছে নেবে রাই! কী হতে চলেছে আগামী পর্বগুলিতে

সমাজের বাস্তব ঘটনা তুলে ধরে এমন সমস্ত ধারাবাহিকগুলি বরাবরই দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নেয়। এই সমাজের সবথেকে অ’ত্যাচারিত এবং নি’র্যাতিত জাতি হচ্ছে মেয়েরা। মেয়েরাই কখনো শারীরিক আবার কখনো মানসিকভাবে নানান মানুষের থেকে অত্যা’চারিত হয়ে থাকে। এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (MithiJhora) -তে ঠিক এরকমই কিছু দেখানো হচ্ছে। ধারাবাহিকের নায়িকা রাই অবিশ্বাসের শিকার এবং নিজের শ্বশুরবাড়ি থেকে মানসিকভাবে অ’ত্যাচারিত।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাইয়ের জরায়ুতে ক’র্কট রোগ বাসা বাঁধে। যা প্রাথমিক পরীক্ষায় ধরা পড়ে না এবং যে সমস্ত লক্ষণ গুলি দেখা যায় তাতে ডাক্তারের মনে হয় রাই গর্ভবতী। রাই বারবার অনির্বাণকে বলে এই রিপোর্টটা ভুল এবং তাদের অন্য কোন ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। অনির্বাণ একটা কথাও শুনতে চায়নি। সে ধরে ধরে সবাইকে দোষারোপ করে গেছে আর রাইকে প্রত্যেকদিন সন্দেহ করে গেছে এবং যা নয় তাই শুনিয়ে গিয়েছে। অবশেষে রাই ঠিক করে এভাবে বসে থাকলে চলবে না এবার তাকে তার চিকিৎসা নিজেকেই করাতে হবে।

ধারাবাহিকের এই দিনের পর্বে দেখা যায়, রাই স্রোতের সাহায্য নিয়ে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে এবং বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মধ্যে দিয়ে বোঝা যায় যে রাই ক’ঠিন রোগে আক্রান্ত। এতদিন ফেলে রেখে বিষয়টা এতটাই জ’টিল হয়ে গিয়েছে যে তৎক্ষণাৎ অপারেশন না করলে রাই এর মৃ’ত্যু অবধি ঘটতে পারে। তাই অপেক্ষা না করে তারপরের দিনই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যায় রাই। শুরু হয়ে যায় তার চিকিৎসার কার্যক্রম।
অনির্বাণ চেষ্টা করেছিল রাইয়ের মাকে রাইয়ের বিরুদ্ধে নিয়ে যেতে কিন্তু আসল সত্যিটা জানার পর নন্দিতা আত্ম গ্লানিতে ডুবে যায়। শুরু হয় রাইয়ের অপারেশন। যত সময় যায় তত বেশি জটিলতার সম্মুখীন হতে থাকে ডাক্তাররা। রাইকে বাঁচানো আরো বেশি মুশকিল হয়ে যায় কারণ রাই নিজের থেকে লড়াই করতে চায় না। তার শরীর কোনভাবেই প্রতিক্রিয়া জানায় না। ইতিমধ্যেই সমস্ত সত্যিটা জানতে পেরে ছুটে এসেছে অনির্বাণ। কিন্তু স্রোত অনির্বাণকে তার দিদির কাছে ঘেঁষতেও দেয় না। অন্যদিকে রাইয়ের অবস্থা আরো খারাপ হতে থাকে।
আরও পড়ুনঃ জি বাংলা ভালো সিরিয়ালের কদর করতে পারে না!- অভিযোগ দর্শকদের
তবে কি লড়াই থামিয়ে দেবে রাই?
অনেক কষ্ট করে রাইকে এমন একটা অবস্থায় আনা হয় যাতে রাইয়ের প্রাণটুকু না বেরিয়ে যায়। তবে বিপদ এখনো এতটুকুও কমেনি। একটু এদিক থেকে অধিক হলেই রাইয়ের জীবনে নেমে আসবে মৃ’ত্যু। অসম্ভব কষ্ট, অনাদর, অবহেলা এবং অবিশ্বাসকে সঙ্গী করে এই পৃথিবীর ছেড়ে সব্বাইকে ছেড়ে চিরকালের মতো চলে যেতে পারে রাই। কোনরকমে প্রাণটুকু তার দেহে ধরে রেখেছে ডাক্তাররা। এই অবস্থা থেকে কিভাবে বেরিয়ে আসবে রাই! কী মনে হয় দর্শকদের?

