অনির্বাণের ব্যবহারে কষ্ট পেলো রাই! তাদের সমস্ত পরিকল্পনা জেনে গেলো নিলু! সবকিছু ভেসতে দিতে উদ্যত হল সে!

কথায় আছে কষ্ট করলে তবেই কেষ্ট মেলে। বহুদিন কষ্ট করতে করতে এইবার একটু সুখের মুখ দেখতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। যদিও আবার যে সবটা এলোমেলো হয়ে যাবে না তার কোন নিশ্চয়তা নেই, তবুও রাইয়ের বোন স্রোত আপ্রাণ চেষ্টা করছে দিদিকে একটু সুখী দেখার। বেশ জমে উঠেছে ধারাবাহিকের পর্বগুলি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, যবে থেকে রাই জানতে পেরেছে যে অনির্বাণের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, সে নিজের জীবন সঙ্গিনীকে খুঁজে পেয়ে গেছে, সেদিন থেকেই মন খারাপ রাইয়ের। তার কষ্ট হচ্ছে এটা ভাবতে যে অনির্বাণের বিয়ে হচ্ছে। কারণ মনে মনে নিজের অজান্তেই সে তার বসকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন সাজিয়ে ফেলেছিল। যদিও এই সবটাই স্রোত আর অনির্বাণের দুষ্টুমি। রাইকে রাগানোই তাদের মূল উদ্দেশ্য। স্রোত চায় রাইয়ের ভালো হোক।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ১৪ জুন (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 14 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণ রাইকে নিয়ে গয়নার দোকানে গিয়ে একটা সুন্দর দেখে আংটি কেনে। রাই এবার অনির্বাণের হবু বউয়ের নাম জানতে বেশ আগ্রহী হয়ে ওঠে। সে জিজ্ঞাসা করেও ফেলে যে তার বউয়ের নাম কি। কিন্তু অনির্বাণ গোটা বিষয়টা নিয়েই রহস্য সৃষ্টি করে। সে বলে, নামটা আসে পরের দিন নিজেই তার সাথে কথা বলে জেনে নেবে। রাই মনে মনে ভাবে, সে কি অনির্বাণের হবু স্ত্রীকে একটু একটু হিংসে করছে? এটা ভেবেই তার খুব কষ্ট হয়। তার মনে হয়, সে নিজের অজান্তেই অনেক দূর অবধি ভেবে ফেলেছিল।
রাইকে সেজে আসতে বলল অনির্বাণ
পরের দিন অর্থাৎ যেদিন অনির্বাণ তার হবু স্ত্রী এর সাথে রাইয়ের দেখা করানোর কথা বলেছে সেইদিন খুব বিধ্বস্ত লাগে রাইকে। আগের দিন রাত্রিবেলা অনেকক্ষণ কান্নাকাটি করেছে সে আর সেটা স্রোতের চোখে ধরা পড়েছে। অনির্বাণ রাইকে নিজের কেবিনে ডাকে। সে বলে রাই যেন দু’ঘণ্টা আগে বেরিয়ে যায় আর রেডি হয়ে ঠিক সাতটার সময় তার ঠিক করা জায়গায় যেন পৌঁছে যায়। রাই বলে সে অফিস থেকে দেরি করে বেরোবে আর সোজা চলে যাবে। তখন অনিবার রাইকে একটু সেজেগুজে আসতে বলে যেটা শুনে আরো কষ্ট হয় রাইয়ের।
অন্যদিকে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে থাকে স্রোত আর মিষ্টি। দুজন মিলে যখন সাজগোজ করছিল তখন সেখানে চলে আসে নিলু। এসেই একাধিক কথাবার্তা শুনিয়ে স্রোতের মাথাটা খারাপ করে দেয়। স্রোতও দু-চার কথা ভালোভাবে শুনিয়ে দেয়। তাদের বৌদি নিলুকে যেতে বললেও নিলু কোনভাবেই যেতে রাজি হয় না। যদিও নিলু জানেনা যে সিনেমা দেখাটা আসলে একটা বাহানা। এরপর তারা দুজন মিলে ঠিক করে তাদের দিদি এলে অর্থাৎ রাই এলে তাকেও খুব সুন্দর করে সাজিয়ে দিতে হবে।

