জ্যাসকে হুমকি দিতে গিয়ে ধরা পড়লো ঋষি রায়ের খুনি! উৎসবকে বাঁচাতে গিয়ে নিখোঁজ বৈদেহি

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) সবচেয়ে রহস্যময় ধারাবাহিকের পরিণত জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। শুরু থেকেই রহস্য এবং তার মীমাংসা তার মাঝে দমদার অ্যাকশন এই নিয়েই দর্শকদের সন্ধ্যা মাতিয়ে রেখেছে জগদ্ধাত্রী। একেবারে প্রাইম টাইমে সম্প্রচারিত হওয়া এই ধারাবাহিকটির দিক থেকে কেউই চোখ সরাতে পারে না। চলতি সপ্তাহে প্রথম থেকে দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছে এই মেগা তবে দর্শকদের ধারণা আগামী সপ্তাহে আবারো নিজের জায়গা ছিনিয়ে দেবে জগদ্ধাত্রী।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, জগদ্ধাত্রী এখন একটি খুনের মামলা সমাধান করতে ব্যস্ত। এক উচ্চ পদস্থ আমলার ছেলে ঋষি কুমার রায় এই মুহূর্তে কোথায় আছে এবং আদৌ বেঁচে আছে কিনা আর যদি মারা গিয়ে থাকে তাহলে কে তাকে মেরেছে, এই সব কিছু খুঁজে বের করার দায়িত্ব এখন জগদ্ধাত্রীর। পাশাপাশি উৎসবকে শাস্তি দিতে যে যে প্রমাণ গুলো দরকার সেগুলোও জোগাড় করছে সে। আর তার সামনে প্রতিনিয়ত প্রতিকূলতা সৃষ্টি করে চলেছে তার শত্রুরা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সবাই মিলে কৌশিকীর ওপর মানসিক অত্যাচার করতে থাকে। রাজনাথ প্রীতি মেহেন্দি প্রত্যেকের কৌশিকীকে দোষারোপ করে, তারা বলে কৌশিকী নাকি আগের মতন নেই সে আর আগের মতন তার পরিবারকে ভালোবাসে না। এসব শুনে খুব খারাপ লাগে কৌশিকীর। তখন সেখানে চলে আসে জগদ্ধাত্রী। সে বলে, “কৌশিকী মুখার্জী চেয়েছিল তার পরিবারকে নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে কিন্তু তার পরিবার তাকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। তাকে কোন ভাষা করেছে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। তাই আজ সে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তার তো এখানে কোন দোষ নেই। দোষ যদি কারোর থেকে থাকে তাহলে সেটা আপনাদের।” এরপর কৌশিকী কষ্ট পেয়ে ঘরে চলে যায়।

কিছুক্ষণ পরে সেখানে আসে সবরের অর্থাৎ কৌশিকীর স্বামী। সে এসে বলে, “তোমাকে অনেকবার ফোন করেছিলাম তুমি ধরলে না দেখি আমি নিজেই চলে এলাম। আমি একটা সিনেমায় কাজ করতে চলেছি, চিত্রনাট্য লেখার। খুব ভয় লাগছিলো তাই চলে এলাম।” সব শুনে কৌশিকী খুব খু: শি হয়। সে বলে ভয় পেলে চলবে না ভয়কে জয় করতে হবে। এতকিছুর মাঝেও তার চোখের জল নজর এড়াইনি সমরেশের। কৌশিকী কেন কাঁদছে তার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে বলে, তার পরিবারের মানুষজন তাকে আর ভালোবাসে না।

আরো পড়ুন: দমকা হাওয়ায় উড়ে গেল ওড়না, অনিকেতের সামনে বেরিয়ে পড়ল তিস্তার আসল চেহারা!

এদিকে জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে রাহুল। অর্থাৎ ঋষি রয়ের বন্ধু। সে ফোন করে বলে জগদ্ধাত্রী যেন এই কেসটা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয় নইলে তাকেও শেষ করে দেওয়া হবে। জগদ্ধাত্রী এই হুমকিতে ভয় পায় না, উল্টে বলে এসব বলে তাকে ভয় দেখানো যাবে না। নাম্বারটা ট্র্যাক করতে গেলে রাহুল বলে, তারা কখনোই এসব করতে পারবেনা কারণ সে এত কাঁচা খিলাড়ি নয়। এরপর ফোনটা রেখে দেয় সে। গলাটা শুনে খুবই চেনা চেনা লাগে জগদ্ধাত্রীর। সে বোঝার চেষ্টা করে যে এই গলাটা কোথায় শুনেছিল সে। সেই সময় রাজনাথ এসে কৌশিকীকে বলে, বৈদেহি অনেকক্ষণ ধরে বাড়ি ফেরেনি, এই রকম বাড়ির বাইরে থাকার মেয়ে ও নয়। জগদ্ধাত্রী তার সৎ শাশুড়ি মাকে খোঁজার বন্দোবস্ত করে।

Back to top button